৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ২৪৬ কোটি টাকার ধাক্কা

৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ২৪৬ কোটি টাকার ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে ৪১ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেবে সরকার। এই কর্মসূচির জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু এই সহায়তার টাকা বিতরণের আগেই নতুন করে সামনে এসেছে বড় অঙ্কের আরেক ব্যয়ের হিসাব। কারণ শুধু কার্ড তৈরিতেই খরচ হবে প্রায় ২৪৬ কোটি টাকা।
ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে দেশের প্রথম নিজস্ব ন্যাশনাল কার্ড স্কিম ‘টাকাপে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর প্রতিটি কার্ড তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা। তবে এই অর্থ সরকারের তহবিল থেকে দেওয়া হবে, নাকি অন্য কোনো উপায়ে তা আদায় করা হবে, এখনও সে সিদ্ধান্ত হয়নি। অর্থ বিভাগ বলছে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণে টাকাপে কার্ডের ব্যবহার এবং এর সঙ্গে সরকারি তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার বিষয়ে গত ২৫ আগস্ট সচিবালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থ বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। তবে কার্ড তৈরির ২৪৬ কোটি টাকার ব্যয়ের দায় কার—সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ।
কার্ডের ব্যয়ের বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মূল লক্ষ্যই হলো দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া। তাই কার্ড তৈরির খরচের নামে সুবিধাভোগীদের ওপর নতুন কোনো আর্থিক চাপ তৈরি করা হবে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একই সঙ্গে সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
তবে এর আগে ১৫ জুন বাংলাদেশ সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাজেট কোনো বাধা হবে না, প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ দেওয়া হবে। এটি শুধু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নয়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি মানবিক উদ্যোগ। অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এর ইতিবাচক ভূমিকা থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে এক অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কার্ড দেওয়ার নামে কারও কাছে টাকা চাওয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের অর্থ দাবি করাকে তিনি প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছিলেন।
ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাবে সরকারি সহায়তা
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণে নগদ টাকা দেওয়ার পরিবর্তে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে চায় সরকার। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো সরকারি অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছানো এবং মধ্যস্বত্বভোগীর অপতৎপরতা কমানো। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের হিসাব পরিচালিত হবে। পাশাপাশি টাকাপে কার্ড ব্যবহার করে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমেও টাকা তোলার সুযোগ থাকবে। তবে এতে আরও যুক্ত হবে ব্যাংকিং ও এমএফএস লেনদেনের বিভিন্ন ধরনের খরচ। এখানে কার্ড তৈরির ২৪৬ কোটি টাকার হিসাবটি পুরো কর্মসূচির ডিজিটাল বিতরণ ব্যয়ের কেবল একটি অংশ মাত্র। ফলে সহয়তা প্রদানের ব্যয় আরও বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে ৪১ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেবে সরকার। এই কর্মসূচির জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু এই সহায়তার টাকা বিতরণের আগেই নতুন করে সামনে এসেছে বড় অঙ্কের আরেক ব্যয়ের হিসাব। কারণ শুধু কার্ড তৈরিতেই খরচ হবে প্রায় ২৪৬ কোটি টাকা।
ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে দেশের প্রথম নিজস্ব ন্যাশনাল কার্ড স্কিম ‘টাকাপে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর প্রতিটি কার্ড তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা। তবে এই অর্থ সরকারের তহবিল থেকে দেওয়া হবে, নাকি অন্য কোনো উপায়ে তা আদায় করা হবে, এখনও সে সিদ্ধান্ত হয়নি। অর্থ বিভাগ বলছে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণে টাকাপে কার্ডের ব্যবহার এবং এর সঙ্গে সরকারি তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার বিষয়ে গত ২৫ আগস্ট সচিবালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থ বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। তবে কার্ড তৈরির ২৪৬ কোটি টাকার ব্যয়ের দায় কার—সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ।
কার্ডের ব্যয়ের বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মূল লক্ষ্যই হলো দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া। তাই কার্ড তৈরির খরচের নামে সুবিধাভোগীদের ওপর নতুন কোনো আর্থিক চাপ তৈরি করা হবে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একই সঙ্গে সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
তবে এর আগে ১৫ জুন বাংলাদেশ সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাজেট কোনো বাধা হবে না, প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ দেওয়া হবে। এটি শুধু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নয়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি মানবিক উদ্যোগ। অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এর ইতিবাচক ভূমিকা থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে এক অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কার্ড দেওয়ার নামে কারও কাছে টাকা চাওয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের অর্থ দাবি করাকে তিনি প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছিলেন।
ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাবে সরকারি সহায়তা
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণে নগদ টাকা দেওয়ার পরিবর্তে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে চায় সরকার। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো সরকারি অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছানো এবং মধ্যস্বত্বভোগীর অপতৎপরতা কমানো। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের হিসাব পরিচালিত হবে। পাশাপাশি টাকাপে কার্ড ব্যবহার করে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমেও টাকা তোলার সুযোগ থাকবে। তবে এতে আরও যুক্ত হবে ব্যাংকিং ও এমএফএস লেনদেনের বিভিন্ন ধরনের খরচ। এখানে কার্ড তৈরির ২৪৬ কোটি টাকার হিসাবটি পুরো কর্মসূচির ডিজিটাল বিতরণ ব্যয়ের কেবল একটি অংশ মাত্র। ফলে সহয়তা প্রদানের ব্যয় আরও বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

৪১ লাখ ফ্যামিলি কার্ড তৈরিতে ২৪৬ কোটি টাকার ধাক্কা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে ৪১ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা দেবে সরকার। এই কর্মসূচির জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেটে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। কিন্তু এই সহায়তার টাকা বিতরণের আগেই নতুন করে সামনে এসেছে বড় অঙ্কের আরেক ব্যয়ের হিসাব। কারণ শুধু কার্ড তৈরিতেই খরচ হবে প্রায় ২৪৬ কোটি টাকা।
ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে দেশের প্রথম নিজস্ব ন্যাশনাল কার্ড স্কিম ‘টাকাপে ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর প্রতিটি কার্ড তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬০০ টাকা। তবে এই অর্থ সরকারের তহবিল থেকে দেওয়া হবে, নাকি অন্য কোনো উপায়ে তা আদায় করা হবে, এখনও সে সিদ্ধান্ত হয়নি। অর্থ বিভাগ বলছে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মতামত নেওয়া হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণে টাকাপে কার্ডের ব্যবহার এবং এর সঙ্গে সরকারি তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে যুক্ত করার বিষয়ে গত ২৫ আগস্ট সচিবালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অর্থ বিভাগ, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক এবং এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন। তবে কার্ড তৈরির ২৪৬ কোটি টাকার ব্যয়ের দায় কার—সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে অর্থ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ।
কার্ডের ব্যয়ের বিষয়ে অর্থ বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মূল লক্ষ্যই হলো দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া। তাই কার্ড তৈরির খরচের নামে সুবিধাভোগীদের ওপর নতুন কোনো আর্থিক চাপ তৈরি করা হবে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একই সঙ্গে সরকারি অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।
তবে এর আগে ১৫ জুন বাংলাদেশ সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাজেট কোনো বাধা হবে না, প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থ দেওয়া হবে। এটি শুধু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি নয়, নারীর ক্ষমতায়ন এবং গ্রামীণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি মানবিক উদ্যোগ। অর্থনৈতিক উন্নয়নেও এর ইতিবাচক ভূমিকা থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এর আগে এক অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কার্ড দেওয়ার নামে কারও কাছে টাকা চাওয়ার সুযোগ নেই। এ ধরনের অর্থ দাবি করাকে তিনি প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছিলেন।
ডিজিটাল ব্যবস্থায় যাবে সরকারি সহায়তা
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থ বিতরণে নগদ টাকা দেওয়ার পরিবর্তে ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করতে চায় সরকার। এই ব্যবস্থার লক্ষ্য হলো সরকারি অর্থ সরাসরি সুবিধাভোগীর কাছে পৌঁছানো এবং মধ্যস্বত্বভোগীর অপতৎপরতা কমানো। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের হিসাব পরিচালিত হবে। পাশাপাশি টাকাপে কার্ড ব্যবহার করে বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমেও টাকা তোলার সুযোগ থাকবে। তবে এতে আরও যুক্ত হবে ব্যাংকিং ও এমএফএস লেনদেনের বিভিন্ন ধরনের খরচ। এখানে কার্ড তৈরির ২৪৬ কোটি টাকার হিসাবটি পুরো কর্মসূচির ডিজিটাল বিতরণ ব্যয়ের কেবল একটি অংশ মাত্র। ফলে সহয়তা প্রদানের ব্যয় আরও বাড়বে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।









