ইসলামী ব্যাংক নিয়ে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে নিয়ে কোনো ধরনের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (২২ জুন) এ তথ্য জানান মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো ব্যাংক খাতের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই ব্যাংকটিতে দ্রুত সৎ, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। এ সময় তারা ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের আগে যারা ব্যাংকটির মালিকানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের পুনর্বহালের দাবিও জানান তারা।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে, গত ১৬ জুন পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত গঠন ও এসআলমের শেয়ার পুরানো মালিকদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিল ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
মূলত, গত ১ জুন থেকে সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়। ১৩ জুন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানেরসহ পুরো পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে নিয়ে কোনো ধরনের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (২২ জুন) এ তথ্য জানান মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো ব্যাংক খাতের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই ব্যাংকটিতে দ্রুত সৎ, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। এ সময় তারা ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের আগে যারা ব্যাংকটির মালিকানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের পুনর্বহালের দাবিও জানান তারা।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে, গত ১৬ জুন পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত গঠন ও এসআলমের শেয়ার পুরানো মালিকদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিল ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
মূলত, গত ১ জুন থেকে সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়। ১৩ জুন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানেরসহ পুরো পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে।

ইসলামী ব্যাংক নিয়ে রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে নিয়ে কোনো ধরনের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার (২২ জুন) এ তথ্য জানান মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো ব্যাংক খাতের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তাই ব্যাংকটিতে দ্রুত সৎ, যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য পরিচালনা পর্ষদ গঠন করা হবে।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ইসলামী ব্যাংকের সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। এ সময় তারা ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে ২০১৭ সালের আগে যারা ব্যাংকটির মালিকানার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের পুনর্বহালের দাবিও জানান তারা।
বিক্ষোভকারীরা আরও বলেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। অন্যথায় পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এর আগে, গত ১৬ জুন পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত গঠন ও এসআলমের শেয়ার পুরানো মালিকদের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিল ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম।
মূলত, গত ১ জুন থেকে সদ্যবিদায়ী চেয়ারম্যান খোরশেদ আলমের পদত্যাগের দাবিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আন্দোলন শুরু হয়। ১৩ জুন ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানেরসহ পুরো পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্বিক দায়িত্ব দেওয়া হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেনকে।




