নতুন নকশার ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকার নোট এখন বাজারে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

নতুন নকশার ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকার নোট এখন বাজারে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৯: ৪৮

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষর সম্বলিত নতুন নকশার ব্যাংক নোট বাজারে এসেছে। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক এই নতুন সিরিজের ১০০০, ৫০০ এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোটগুলো আজ ১৮ মে (সোমবার) থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য শাখা অফিস থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে অতিরিক্ত পরিচালক (এক্স ক্যাডার-প্রকাশনা) মহুয়া মহসীন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান, আমরা নিয়মিত টাকা ছাপাচ্ছি এবং গতকাল রবিবার থেকে বাজারে ছেড়েছি। তিনি বলেন, ঈদের বন্ধের আগ পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ঈদ উপলক্ষে বাজারে কি পরিমাণ নতুন নোট ছাড়া হচ্ছে জানালে আরিফ হোসেন বলেন, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ঈদ উপলক্ষে বাজারে কোন নতুন টাকা ছাড়বো না। ঈদ না হলেও এখন নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হতো।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী নতুন নকশার নোট আনতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগেছে। যে কারণে বাজারে নোটের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। সাধারণভাবে ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত নোট বাজার থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে তা করতে না পারায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে নতুন করে বাজারে টাকা ছাড়া শুরু হয়েছে। ফলে এ সংকট আর থাকবে না।
ব্যাংকগুলোর বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা জমা ও উত্তোলন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। আবার চাহিদার বিপরীতে নতুন টাকা ছাপানো হয়। এই টাকা যে নতুন নোট ইস্যুর বিপরীতে ছাপানো হয়, তেমন নয়। বরং পুরোনো নোটের বদলে নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হয়। ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে নতুন করে তা আর বাজারে দেওয়ার নিয়ম নেই। বরং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফেরত দিয়ে সমমূল্যের ‘ফ্রেশ’ নোট নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত নভেম্বর মাসে ‘ক্লিন নোট পলিসি’ করেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ত্রুটিযুক্ত নোট বদলে দেওয়ার বিভিন্ন নির্দেশনা রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। তবে ব্যাংকগুলো চাহিদামতো ‘ফ্রেশ’ নোট না পাওয়ায় প্রতিনিয়ত প্রচুর ছেঁড়া-ফাটা, অধিক দাগযুক্ত নোট আসছে।
পর্যায়ক্রমে আসছে ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোটও
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, একই সিরিজের এবং নতুন বৈশিষ্ট্যের অন্যান্য মূল্যমান অর্থাৎ ২০, ৫০ এবং ১০০ টাকার ব্যাংক নোটগুলোও গভর্নর জনাব মো. মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষরে পর্যায়ক্রমে বাজারে ইস্যু করা হবে।
তবে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নতুন স্বাক্ষর ও সিরিজ এলেও এই নোটগুলোর রং, আকৃতি, ডিজাইন এবং যাবতীয় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পূর্বের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে।
সচল থাকবে বর্তমান সব নোট
নতুন নোট বাজারে আসলেও সাধারণ মানুষের লেনদেনে কোনো প্রভাব পড়বে না। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়েছে, নতুন মুদ্রিত এই নোটগুলোর পাশাপাশি বর্তমানে বাজারে প্রচলিত সকল প্রকার কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রা (কয়েন) আগের নিয়মেই যথারীতি সচল ও চালু থাকবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষর সম্বলিত নতুন নকশার ব্যাংক নোট বাজারে এসেছে। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক এই নতুন সিরিজের ১০০০, ৫০০ এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোটগুলো আজ ১৮ মে (সোমবার) থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য শাখা অফিস থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে অতিরিক্ত পরিচালক (এক্স ক্যাডার-প্রকাশনা) মহুয়া মহসীন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান, আমরা নিয়মিত টাকা ছাপাচ্ছি এবং গতকাল রবিবার থেকে বাজারে ছেড়েছি। তিনি বলেন, ঈদের বন্ধের আগ পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ঈদ উপলক্ষে বাজারে কি পরিমাণ নতুন নোট ছাড়া হচ্ছে জানালে আরিফ হোসেন বলেন, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ঈদ উপলক্ষে বাজারে কোন নতুন টাকা ছাড়বো না। ঈদ না হলেও এখন নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হতো।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী নতুন নকশার নোট আনতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগেছে। যে কারণে বাজারে নোটের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। সাধারণভাবে ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত নোট বাজার থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে তা করতে না পারায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে নতুন করে বাজারে টাকা ছাড়া শুরু হয়েছে। ফলে এ সংকট আর থাকবে না।
ব্যাংকগুলোর বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা জমা ও উত্তোলন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। আবার চাহিদার বিপরীতে নতুন টাকা ছাপানো হয়। এই টাকা যে নতুন নোট ইস্যুর বিপরীতে ছাপানো হয়, তেমন নয়। বরং পুরোনো নোটের বদলে নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হয়। ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে নতুন করে তা আর বাজারে দেওয়ার নিয়ম নেই। বরং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফেরত দিয়ে সমমূল্যের ‘ফ্রেশ’ নোট নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত নভেম্বর মাসে ‘ক্লিন নোট পলিসি’ করেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ত্রুটিযুক্ত নোট বদলে দেওয়ার বিভিন্ন নির্দেশনা রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। তবে ব্যাংকগুলো চাহিদামতো ‘ফ্রেশ’ নোট না পাওয়ায় প্রতিনিয়ত প্রচুর ছেঁড়া-ফাটা, অধিক দাগযুক্ত নোট আসছে।
পর্যায়ক্রমে আসছে ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোটও
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, একই সিরিজের এবং নতুন বৈশিষ্ট্যের অন্যান্য মূল্যমান অর্থাৎ ২০, ৫০ এবং ১০০ টাকার ব্যাংক নোটগুলোও গভর্নর জনাব মো. মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষরে পর্যায়ক্রমে বাজারে ইস্যু করা হবে।
তবে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নতুন স্বাক্ষর ও সিরিজ এলেও এই নোটগুলোর রং, আকৃতি, ডিজাইন এবং যাবতীয় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পূর্বের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে।
সচল থাকবে বর্তমান সব নোট
নতুন নোট বাজারে আসলেও সাধারণ মানুষের লেনদেনে কোনো প্রভাব পড়বে না। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়েছে, নতুন মুদ্রিত এই নোটগুলোর পাশাপাশি বর্তমানে বাজারে প্রচলিত সকল প্রকার কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রা (কয়েন) আগের নিয়মেই যথারীতি সচল ও চালু থাকবে।

নতুন নকশার ১০০০, ৫০০ ও ১০ টাকার নোট এখন বাজারে
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ১৯: ৪৮

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষর সম্বলিত নতুন নকশার ব্যাংক নোট বাজারে এসেছে। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক এই নতুন সিরিজের ১০০০, ৫০০ এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোটগুলো আজ ১৮ মে (সোমবার) থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা শুরু হয়েছে। পরবর্তীতে এগুলো বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্যান্য শাখা অফিস থেকেও সংগ্রহ করা যাবে।
আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স অ্যান্ড পাবলিকেশন্স থেকে অতিরিক্ত পরিচালক (এক্স ক্যাডার-প্রকাশনা) মহুয়া মহসীন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান, আমরা নিয়মিত টাকা ছাপাচ্ছি এবং গতকাল রবিবার থেকে বাজারে ছেড়েছি। তিনি বলেন, ঈদের বন্ধের আগ পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ঈদ উপলক্ষে বাজারে কি পরিমাণ নতুন নোট ছাড়া হচ্ছে জানালে আরিফ হোসেন বলেন, আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা ঈদ উপলক্ষে বাজারে কোন নতুন টাকা ছাড়বো না। ঈদ না হলেও এখন নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হতো।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের আগস্ট-পরবর্তী নতুন নকশার নোট আনতে গিয়ে কিছুটা সময় লেগেছে। যে কারণে বাজারে নোটের কিছুটা সংকট দেখা দিয়েছে। সাধারণভাবে ছেঁড়া-ফাটা বা ত্রুটিযুক্ত নোট বাজার থেকে তুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়। অনেক ক্ষেত্রে তা করতে না পারায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে নতুন করে বাজারে টাকা ছাড়া শুরু হয়েছে। ফলে এ সংকট আর থাকবে না।
ব্যাংকগুলোর বাংলাদেশ ব্যাংকে টাকা জমা ও উত্তোলন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। আবার চাহিদার বিপরীতে নতুন টাকা ছাপানো হয়। এই টাকা যে নতুন নোট ইস্যুর বিপরীতে ছাপানো হয়, তেমন নয়। বরং পুরোনো নোটের বদলে নতুন টাকা বাজারে ছাড়া হয়। ছেঁড়া-ফাটা, ত্রুটিপূর্ণ ও ময়লাযুক্ত নোট ব্যাংকগুলোর কাছে এলে নতুন করে তা আর বাজারে দেওয়ার নিয়ম নেই। বরং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফেরত দিয়ে সমমূল্যের ‘ফ্রেশ’ নোট নিয়ে যাবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক গত নভেম্বর মাসে ‘ক্লিন নোট পলিসি’ করেছে। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে ত্রুটিযুক্ত নোট বদলে দেওয়ার বিভিন্ন নির্দেশনা রয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের। তবে ব্যাংকগুলো চাহিদামতো ‘ফ্রেশ’ নোট না পাওয়ায় প্রতিনিয়ত প্রচুর ছেঁড়া-ফাটা, অধিক দাগযুক্ত নোট আসছে।
পর্যায়ক্রমে আসছে ২০, ৫০ ও ১০০ টাকার নোটও
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, একই সিরিজের এবং নতুন বৈশিষ্ট্যের অন্যান্য মূল্যমান অর্থাৎ ২০, ৫০ এবং ১০০ টাকার ব্যাংক নোটগুলোও গভর্নর জনাব মো. মোস্তাকুর রহমানের স্বাক্ষরে পর্যায়ক্রমে বাজারে ইস্যু করা হবে।
তবে গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নতুন স্বাক্ষর ও সিরিজ এলেও এই নোটগুলোর রং, আকৃতি, ডিজাইন এবং যাবতীয় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পূর্বের মতোই অপরিবর্তিত থাকবে।
সচল থাকবে বর্তমান সব নোট
নতুন নোট বাজারে আসলেও সাধারণ মানুষের লেনদেনে কোনো প্রভাব পড়বে না। বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট জানিয়েছে, নতুন মুদ্রিত এই নোটগুলোর পাশাপাশি বর্তমানে বাজারে প্রচলিত সকল প্রকার কাগুজে নোট এবং ধাতব মুদ্রা (কয়েন) আগের নিয়মেই যথারীতি সচল ও চালু থাকবে।
/এমআর/




