শিরোনাম

পল্লবীতে শিশুকে হত্যা ও ধর্ষণের দায় স্বীকার অভিযুক্তের

সিটিজেন ডেস্ক
পল্লবীতে শিশুকে হত্যা ও ধর্ষণের দায় স্বীকার অভিযুক্তের

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার আগে শিশুটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

বুধবার (২০ মে) বিকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওহিদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, অভিযুক্ত সোহেল রানা রামিসাকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে সে।

মঙ্গলবার সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ওই শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তবে তার আগেই অভিযুক্ত সোহেল রানা মরদেহটি বিছানার নিচে লুকিয়ে ফেলে। পরে টয়লেটের ভেতরে থাকা একটি বালতি থেকে শিশুটির বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়।

বুধবার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নিহত শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার এবং অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পরপরই পুলিশ স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে আত্মগোপনে থাকা সোহেল রানাকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করা হয়। তবে মামলার অপর অজ্ঞাত আসামি এখনও পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালত সূত্র জানিয়েছে, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মতি দিয়েছে।

/এমআর/