পালানোর মামলায় হাজিরা দিতে এসে আবারও পালালো আসামি

পালানোর মামলায় হাজিরা দিতে এসে আবারও পালালো আসামি
নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার মামলায় হাজিরা দিতে এসে আবারও হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন শরিফুল ইসলাম নামের এক আসামি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা দিতে শরিফুল ইসলামকে আনা হয়। হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।
এর আগে, খিলগাঁও থানায় কিশোর জিসান হোসেন হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে নেওয়া হয়েছিল আসামি শরিফুলকে। শুনানি নিয়ে এজলাস থেকে এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।
এ ঘটনায় ওই দিনই হাজতখানার ইনচার্জ রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।
আজ (মঙ্গলবার) এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। তবে সাক্ষী না আসায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন শরিফুল কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার হরিপুর গ্রামে। তার বাবার নাম শফিক আহম্মেদ। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার মামলায় হাজিরা দিতে এসে আবারও হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন শরিফুল ইসলাম নামের এক আসামি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা দিতে শরিফুল ইসলামকে আনা হয়। হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।
এর আগে, খিলগাঁও থানায় কিশোর জিসান হোসেন হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে নেওয়া হয়েছিল আসামি শরিফুলকে। শুনানি নিয়ে এজলাস থেকে এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।
এ ঘটনায় ওই দিনই হাজতখানার ইনচার্জ রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।
আজ (মঙ্গলবার) এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। তবে সাক্ষী না আসায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন শরিফুল কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার হরিপুর গ্রামে। তার বাবার নাম শফিক আহম্মেদ। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

পালানোর মামলায় হাজিরা দিতে এসে আবারও পালালো আসামি
নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালত থেকে পালিয়ে যাওয়ার মামলায় হাজিরা দিতে এসে আবারও হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন শরিফুল ইসলাম নামের এক আসামি। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
এদিন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে হাজিরা দিতে শরিফুল ইসলামকে আনা হয়। হাজিরা শেষে হাজতখানায় নেওয়ার পথে কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।
এর আগে, খিলগাঁও থানায় কিশোর জিসান হোসেন হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ১৯ জুন ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে নেওয়া হয়েছিল আসামি শরিফুলকে। শুনানি নিয়ে এজলাস থেকে এজলাস থেকে হাজতখানায় নেওয়ার পথে পুলিশকে আঘাত করে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান তিনি।
এ ঘটনায় ওই দিনই হাজতখানার ইনচার্জ রিপন মোল্লা বাদী হয়ে রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করেন।
আজ (মঙ্গলবার) এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য থাকায় শরিফুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলমের আদালতে তোলা হয়। তবে সাক্ষী না আসায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। পরে ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল আব্দুল আলিম শরিফুলকে আদালত থেকে হাজতখানায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন শরিফুল কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যান।
ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, শরিফুলের বাড়ি দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার হরিপুর গ্রামে। তার বাবার নাম শফিক আহম্মেদ। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

খুলনায় কারাগারের দেয়াল টপকে পালিয়েছেন হাজতি







