মতিঝিল আইডিয়ালের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর ও তার স্ত্রীর সম্পত্তি জব্দ

মতিঝিল আইডিয়ালের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর ও তার স্ত্রীর সম্পত্তি জব্দ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান খানের বনশ্রী ও রামপুরার দুটি ফ্ল্যাট ও জমি এবং গাজীপুরের কালিগঞ্জের ৯৫২ শতাংশ জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আতিকুর একইসঙ্গে ভিশন-৭১ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আতিকুরের স্ত্রী মিসেস নাহিদা ইসলামের (নিপা) বাড্ডার ৬ তলা বাড়ি এবং সাড়ে তিন কাঠা জমিও জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। এর আগে দুদকের উপপরিচালক মানসী বিশ্বাস এসব সম্পত্তি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
আতিকুর রহমানের আবেদনে বলা হয়, দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তিনি নিজ নামে এক কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য প্রদর্শন না করে তা গোপন করে। ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বিবৃতি/তথ্য প্রদান করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৩৫ লাখ এক হাজার ১৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন ও দখলে রেখে এবং ৪৭টি ব্যাংক হিসাবে ‘ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ’ আয় ৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯ টাকার অবৈধ প্রকৃতি, উৎস ও অবস্থান গোপন করেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ছদ্মবেশে মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করার দায়ে তার বিরুদ্ধে দুদকে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান তার মালিকানাধীন ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তিসমূহ হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের জন্য তার স্থাবর সম্পত্তিসমূহ ক্রোক করা প্রয়োজন।
নাহিদা ইসলামের আবেদনে বলা হয়, তার নিজ নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।

দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান খানের বনশ্রী ও রামপুরার দুটি ফ্ল্যাট ও জমি এবং গাজীপুরের কালিগঞ্জের ৯৫২ শতাংশ জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আতিকুর একইসঙ্গে ভিশন-৭১ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আতিকুরের স্ত্রী মিসেস নাহিদা ইসলামের (নিপা) বাড্ডার ৬ তলা বাড়ি এবং সাড়ে তিন কাঠা জমিও জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। এর আগে দুদকের উপপরিচালক মানসী বিশ্বাস এসব সম্পত্তি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
আতিকুর রহমানের আবেদনে বলা হয়, দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তিনি নিজ নামে এক কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য প্রদর্শন না করে তা গোপন করে। ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বিবৃতি/তথ্য প্রদান করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৩৫ লাখ এক হাজার ১৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন ও দখলে রেখে এবং ৪৭টি ব্যাংক হিসাবে ‘ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ’ আয় ৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯ টাকার অবৈধ প্রকৃতি, উৎস ও অবস্থান গোপন করেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ছদ্মবেশে মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করার দায়ে তার বিরুদ্ধে দুদকে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান তার মালিকানাধীন ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তিসমূহ হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের জন্য তার স্থাবর সম্পত্তিসমূহ ক্রোক করা প্রয়োজন।
নাহিদা ইসলামের আবেদনে বলা হয়, তার নিজ নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।

মতিঝিল আইডিয়ালের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর ও তার স্ত্রীর সম্পত্তি জব্দ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

দুর্নীতির অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আতিকুর রহমান খানের বনশ্রী ও রামপুরার দুটি ফ্ল্যাট ও জমি এবং গাজীপুরের কালিগঞ্জের ৯৫২ শতাংশ জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আতিকুর একইসঙ্গে ভিশন-৭১ ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক আতিকুরের স্ত্রী মিসেস নাহিদা ইসলামের (নিপা) বাড্ডার ৬ তলা বাড়ি এবং সাড়ে তিন কাঠা জমিও জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন। এর আগে দুদকের উপপরিচালক মানসী বিশ্বাস এসব সম্পত্তি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন।
আতিকুর রহমানের আবেদনে বলা হয়, দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে তিনি নিজ নামে এক কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য প্রদর্শন না করে তা গোপন করে। ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বিবৃতি/তথ্য প্রদান করে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২ কোটি ৩৫ লাখ এক হাজার ১৩৫ টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন ও দখলে রেখে এবং ৪৭টি ব্যাংক হিসাবে ‘ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ’ আয় ৭ কোটি ২৬ লাখ ৩৭ হাজার ৪৯ টাকার অবৈধ প্রকৃতি, উৎস ও অবস্থান গোপন করেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ছদ্মবেশে মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করার দায়ে তার বিরুদ্ধে দুদকে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।
তদন্ত সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান তার মালিকানাধীন ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাবর সম্পত্তিসমূহ হস্তান্তরের চেষ্টা করছেন। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের জন্য তার স্থাবর সম্পত্তিসমূহ ক্রোক করা প্রয়োজন।
নাহিদা ইসলামের আবেদনে বলা হয়, তার নিজ নামে অর্জিত স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।




