মাদ্রাসাছাত্রকে তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ, শিক্ষক কারাগারে

মাদ্রাসাছাত্রকে তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ, শিক্ষক কারাগারে
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় আবাসিক মাদ্রাসায় শিশুশিক্ষার্থীকে টানা তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য জানান।
এর আগে, এদিন, ভিকটিম শিশু শিক্ষার্থীর মা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে মাদ্রাসার পরিচালককেও গ্রেপ্তার করে। পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান মনির প্রায় পাঁচ বছর আগে উপজেলা সদরে কওমি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক ওই মাদ্রাসায় প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থী রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে ভর্তি হয় ভুক্তভোগী ছেলেশিশুটি। প্রায় তিন মাস আগে অভিযুক্ত শিক্ষক শিশুটিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার ভয় দেখান। এর একদিন পর তিনি শিশুটিকে আবার ধর্ষণ করেন। এভাবে প্রায় এক মাস চলতে থাকে। এর মধ্যে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে শিক্ষকের ভয়ে আসল ঘটনা পরিবারকে বলেনি সে। কয়েকদিন আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে শিশু ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
এসব ঘটনায় শুক্রবার সকালে শিশুটির মা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালককে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদ্রাসার মুহতামিম পুলিশের হেফাজতে আছেন।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় আবাসিক মাদ্রাসায় শিশুশিক্ষার্থীকে টানা তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য জানান।
এর আগে, এদিন, ভিকটিম শিশু শিক্ষার্থীর মা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে মাদ্রাসার পরিচালককেও গ্রেপ্তার করে। পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান মনির প্রায় পাঁচ বছর আগে উপজেলা সদরে কওমি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক ওই মাদ্রাসায় প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থী রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে ভর্তি হয় ভুক্তভোগী ছেলেশিশুটি। প্রায় তিন মাস আগে অভিযুক্ত শিক্ষক শিশুটিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার ভয় দেখান। এর একদিন পর তিনি শিশুটিকে আবার ধর্ষণ করেন। এভাবে প্রায় এক মাস চলতে থাকে। এর মধ্যে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে শিক্ষকের ভয়ে আসল ঘটনা পরিবারকে বলেনি সে। কয়েকদিন আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে শিশু ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
এসব ঘটনায় শুক্রবার সকালে শিশুটির মা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালককে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদ্রাসার মুহতামিম পুলিশের হেফাজতে আছেন।

মাদ্রাসাছাত্রকে তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ, শিক্ষক কারাগারে
টাঙ্গাইল সংবাদদাতা

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় আবাসিক মাদ্রাসায় শিশুশিক্ষার্থীকে টানা তিন মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আল-আমিনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন এসব তথ্য জানান।
এর আগে, এদিন, ভিকটিম শিশু শিক্ষার্থীর মা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষকের সাথে মাদ্রাসার পরিচালককেও গ্রেপ্তার করে। পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান মনির প্রায় পাঁচ বছর আগে উপজেলা সদরে কওমি মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠা করেন।
শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আবাসিক ওই মাদ্রাসায় প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থী রয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে মাদ্রাসার নাজেরা বিভাগে ভর্তি হয় ভুক্তভোগী ছেলেশিশুটি। প্রায় তিন মাস আগে অভিযুক্ত শিক্ষক শিশুটিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার ভয় দেখান। এর একদিন পর তিনি শিশুটিকে আবার ধর্ষণ করেন। এভাবে প্রায় এক মাস চলতে থাকে। এর মধ্যে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। তবে শিক্ষকের ভয়ে আসল ঘটনা পরিবারকে বলেনি সে। কয়েকদিন আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে শিশু ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়।
এসব ঘটনায় শুক্রবার সকালে শিশুটির মা মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালককে গ্রেপ্তার করে।
এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মাদ্রাসার মুহতামিম পুলিশের হেফাজতে আছেন।

টাঙ্গাইল ডিসি লেকে পর্যটনকেন্দ্র গড়ার ঘোষণা






