সুনামগঞ্জে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০

সুনামগঞ্জে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনার জেরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগেরও ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে তাহিরপুর সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে তাহিরপুর উপজেলার বীরজয়-লক্ষ্মী-ধুতমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ক্রিকেট খেলার সময় একটি বল মধ্য তাহিরপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক জালাল মিয়ার অটোরিকশায় গিয়ে পড়ে। এ নিয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের হাফিজ মিয়ার সঙ্গে খেলোয়াড়দের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ ওঠে, এ ঘটনার জেরে ওই দিন বিকালে তাহিরপুর বাজারে ধুতমা গ্রামের জসীম উদ্দিনকে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের কয়েকজন মারধর করে। পাশাপাশি অন্য পক্ষের হাফিজ মিয়াকে মারধর করা হয়।
এসব ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে বীরনগর গ্রামের একটি মসজিদের মাইকে মারামারিতে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়। আজ (বুধবার) সকালে বীরনগর, জয়নগর, লক্ষ্মীপুর ও ধুতমা গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের দিকে এগিয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে বীরনগর গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে মাইনুদ্দিন (৩৫), সোবহান মিয়ার ছেলে আশিষ মিয়া (৪০), মো. আলীমের ছেলে মো. রেজাউল (৩৫) ও নবী হোসেনের ছেলে খোকন মিয়া (৩৬) গুরুতর আহত হন। তাদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনার জেরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগেরও ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে তাহিরপুর সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে তাহিরপুর উপজেলার বীরজয়-লক্ষ্মী-ধুতমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ক্রিকেট খেলার সময় একটি বল মধ্য তাহিরপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক জালাল মিয়ার অটোরিকশায় গিয়ে পড়ে। এ নিয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের হাফিজ মিয়ার সঙ্গে খেলোয়াড়দের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ ওঠে, এ ঘটনার জেরে ওই দিন বিকালে তাহিরপুর বাজারে ধুতমা গ্রামের জসীম উদ্দিনকে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের কয়েকজন মারধর করে। পাশাপাশি অন্য পক্ষের হাফিজ মিয়াকে মারধর করা হয়।
এসব ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে বীরনগর গ্রামের একটি মসজিদের মাইকে মারামারিতে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়। আজ (বুধবার) সকালে বীরনগর, জয়নগর, লক্ষ্মীপুর ও ধুতমা গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের দিকে এগিয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে বীরনগর গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে মাইনুদ্দিন (৩৫), সোবহান মিয়ার ছেলে আশিষ মিয়া (৪০), মো. আলীমের ছেলে মো. রেজাউল (৩৫) ও নবী হোসেনের ছেলে খোকন মিয়া (৩৬) গুরুতর আহত হন। তাদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সুনামগঞ্জে মাইকে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২০
সুনামগঞ্জ সংবাদদাতা

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনার জেরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে পাঁচ গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগেরও ঘটনা ঘটে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে তাহিরপুর সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে তাহিরপুর উপজেলার বীরজয়-লক্ষ্মী-ধুতমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ক্রিকেট খেলার সময় একটি বল মধ্য তাহিরপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক জালাল মিয়ার অটোরিকশায় গিয়ে পড়ে। এ নিয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের হাফিজ মিয়ার সঙ্গে খেলোয়াড়দের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ ওঠে, এ ঘটনার জেরে ওই দিন বিকালে তাহিরপুর বাজারে ধুতমা গ্রামের জসীম উদ্দিনকে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের কয়েকজন মারধর করে। পাশাপাশি অন্য পক্ষের হাফিজ মিয়াকে মারধর করা হয়।
এসব ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রাতে বীরনগর গ্রামের একটি মসজিদের মাইকে মারামারিতে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়া হয়। আজ (বুধবার) সকালে বীরনগর, জয়নগর, লক্ষ্মীপুর ও ধুতমা গ্রামের লোকজন একত্র হয়ে মধ্য তাহিরপুর গ্রামের দিকে এগিয়ে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে বীরনগর গ্রামের ওয়াজ আলীর ছেলে মাইনুদ্দিন (৩৫), সোবহান মিয়ার ছেলে আশিষ মিয়া (৪০), মো. আলীমের ছেলে মো. রেজাউল (৩৫) ও নবী হোসেনের ছেলে খোকন মিয়া (৩৬) গুরুতর আহত হন। তাদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

সুনামগঞ্জে সন্তানদের নিয়ে বাবার বিষপান, ৩ শিশুর মৃত্যু







