হাতিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণ নিয়ে যা জানা গেল

হাতিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণ নিয়ে যা জানা গেল

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভোটকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ বলছে, তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনো কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ দেখেই তাৎক্ষণিক অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগকারী নারী বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার দাবি, ‘শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায়’ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে তিন ব্যক্তি তাদের ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে রেখে তাকে ধর্ষণ করে। একজন ধর্ষণ করে এবং অন্য দুজন পাহারায় ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেই বিএনপিকর্মী রহমান হোসেন তা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ঘটনার সময় তিনি নিজেই নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর ভাষ্য, ‘শাপলা কলির পক্ষে কাজ করতে রাজি না হওয়ায়’ তাকে মারধর করা হয় এবং সে কারণেই তিনি হাসপাতালে যান।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাস্থলে দুই দফা মারামারির তথ্য মিলেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের কাগজপত্রেও দুই ধরনের তথ্য রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মারামারির ঘটনায় চিকিৎসা নিতে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক নারীসহ কয়েকজন হাসপাতালে আসেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিকেল পাঁচটার দিকে ওই নারী পুনরায় জরুরি বিভাগে এসে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। এখনো মামলা না হওয়ায় তার শারীরিক পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। মারামারি ও ধর্ষণ দুটিই ‘পুলিশ কেইস’ হওয়ায় তাকে লেবার কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে ওই নারীকে দেখে আসেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপি থেকে নির্বাচিত আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার। হান্নান মাসউদের দাবি, ‘শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায়’ ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি হাসপাতাল ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
এদিকে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুক লাইভে এসে রহমান হোসেন বলেন, তিনি এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম–এর পক্ষে কাজ করেছেন। তাকে এনসিপির পক্ষে কাজ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব অভিযোগ বানোয়াট ও মিথ্যা। আমাকে এনসিপিতে যোগ দিতে লাখ লাখ টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রেজিস্টারে ওই নারীর ক্ষেত্রে ধর্ষণের সময় উল্লেখ আছে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা। অন্যদিকে রহমান হোসেনের দেখানো ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী, তিনি ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে জরুরি বিভাগে যান এবং জানান, সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে মারধর করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চানন্দি ইউনিয়ন থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে।
জেলা বিএনপির সদস্য মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে’ প্রতিপক্ষরা বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভোটকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ বলছে, তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনো কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ দেখেই তাৎক্ষণিক অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগকারী নারী বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার দাবি, ‘শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায়’ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে তিন ব্যক্তি তাদের ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে রেখে তাকে ধর্ষণ করে। একজন ধর্ষণ করে এবং অন্য দুজন পাহারায় ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেই বিএনপিকর্মী রহমান হোসেন তা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ঘটনার সময় তিনি নিজেই নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর ভাষ্য, ‘শাপলা কলির পক্ষে কাজ করতে রাজি না হওয়ায়’ তাকে মারধর করা হয় এবং সে কারণেই তিনি হাসপাতালে যান।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাস্থলে দুই দফা মারামারির তথ্য মিলেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের কাগজপত্রেও দুই ধরনের তথ্য রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মারামারির ঘটনায় চিকিৎসা নিতে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক নারীসহ কয়েকজন হাসপাতালে আসেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিকেল পাঁচটার দিকে ওই নারী পুনরায় জরুরি বিভাগে এসে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। এখনো মামলা না হওয়ায় তার শারীরিক পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। মারামারি ও ধর্ষণ দুটিই ‘পুলিশ কেইস’ হওয়ায় তাকে লেবার কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে ওই নারীকে দেখে আসেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপি থেকে নির্বাচিত আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার। হান্নান মাসউদের দাবি, ‘শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায়’ ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি হাসপাতাল ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
এদিকে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুক লাইভে এসে রহমান হোসেন বলেন, তিনি এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম–এর পক্ষে কাজ করেছেন। তাকে এনসিপির পক্ষে কাজ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব অভিযোগ বানোয়াট ও মিথ্যা। আমাকে এনসিপিতে যোগ দিতে লাখ লাখ টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রেজিস্টারে ওই নারীর ক্ষেত্রে ধর্ষণের সময় উল্লেখ আছে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা। অন্যদিকে রহমান হোসেনের দেখানো ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী, তিনি ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে জরুরি বিভাগে যান এবং জানান, সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে মারধর করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চানন্দি ইউনিয়ন থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে।
জেলা বিএনপির সদস্য মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে’ প্রতিপক্ষরা বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।

হাতিয়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণ নিয়ে যা জানা গেল

নোয়াখালীর হাতিয়ায় ভোটকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশ বলছে, তারা বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে। তবে এখনো কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পায়নি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ দেখেই তাৎক্ষণিক অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগকারী নারী বর্তমানে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার দাবি, ‘শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায়’ শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টার দিকে তিন ব্যক্তি তাদের ঘরে ঢুকে স্বামীকে বেঁধে রেখে তাকে ধর্ষণ করে। একজন ধর্ষণ করে এবং অন্য দুজন পাহারায় ছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তবে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেই বিএনপিকর্মী রহমান হোসেন তা অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, ঘটনার সময় তিনি নিজেই নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর ভাষ্য, ‘শাপলা কলির পক্ষে কাজ করতে রাজি না হওয়ায়’ তাকে মারধর করা হয় এবং সে কারণেই তিনি হাসপাতালে যান।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক তদন্তে ঘটনাস্থলে দুই দফা মারামারির তথ্য মিলেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হাসপাতালের কাগজপত্রেও দুই ধরনের তথ্য রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মারামারির ঘটনায় চিকিৎসা নিতে শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক নারীসহ কয়েকজন হাসপাতালে আসেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর বিকেল পাঁচটার দিকে ওই নারী পুনরায় জরুরি বিভাগে এসে ধর্ষণের অভিযোগ তোলেন। এখনো মামলা না হওয়ায় তার শারীরিক পরীক্ষা করা সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি। মারামারি ও ধর্ষণ দুটিই ‘পুলিশ কেইস’ হওয়ায় তাকে লেবার কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে।
শনিবার সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে ওই নারীকে দেখে আসেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে এনসিপি থেকে নির্বাচিত আব্দুল হান্নান মাসউদ এবং জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার। হান্নান মাসউদের দাবি, ‘শাপলা কলিতে ভোট দেওয়ায়’ ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তিনি হাসপাতাল ও পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ করেন।
এদিকে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ফেসবুক লাইভে এসে রহমান হোসেন বলেন, তিনি এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীম–এর পক্ষে কাজ করেছেন। তাকে এনসিপির পক্ষে কাজ করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, এসব অভিযোগ বানোয়াট ও মিথ্যা। আমাকে এনসিপিতে যোগ দিতে লাখ লাখ টাকার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রেজিস্টারে ওই নারীর ক্ষেত্রে ধর্ষণের সময় উল্লেখ আছে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা। অন্যদিকে রহমান হোসেনের দেখানো ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী, তিনি ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১০টার দিকে জরুরি বিভাগে যান এবং জানান, সন্ধ্যা সাতটার দিকে তাকে মারধর করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চানন্দি ইউনিয়ন থেকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে।
জেলা বিএনপির সদস্য মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘মিথ্যা ধর্ষণের নাটক সাজিয়ে’ প্রতিপক্ষরা বিএনপির সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।




