মায়ের প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

মায়ের প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
নীলফামারী সংবাদদাতা

নীলফামারী সদরে মায়ের প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় যুবক পালিয়ে গেলেও তার মা-বাবা ও ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মতিউল ইসলাম ওরফে মতিবুল একই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, একই এলাকার একরামুল হকের স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী সাহেরা বানুর সঙ্গে মতিউল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জেরে কিছুদিন আগে মতিউল ইসলামের হাত ধরে সংসার ছাড়েন সাহেরা বানু।
পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহেরা বানু পুরোনো সংসারে ফিরে আসেন। তবে যোগাযোগ বন্ধ করেননি মতিউল ও সাহেরা। এসব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির আশপাশে মতিউলকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সাহেরার বড় ছেলে আলামিন ইসলাম। তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে আলামিন কাস্তি দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করেন।
গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে পালিয়ে যায় আলামিন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নীলফামারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ, নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ বলেন, আলামিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পরপরই তার বাবা একরামুল হক, মা সাহেরা বানু এবং ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নীলফামারী সদরে মায়ের প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় যুবক পালিয়ে গেলেও তার মা-বাবা ও ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মতিউল ইসলাম ওরফে মতিবুল একই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, একই এলাকার একরামুল হকের স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী সাহেরা বানুর সঙ্গে মতিউল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জেরে কিছুদিন আগে মতিউল ইসলামের হাত ধরে সংসার ছাড়েন সাহেরা বানু।
পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহেরা বানু পুরোনো সংসারে ফিরে আসেন। তবে যোগাযোগ বন্ধ করেননি মতিউল ও সাহেরা। এসব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির আশপাশে মতিউলকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সাহেরার বড় ছেলে আলামিন ইসলাম। তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে আলামিন কাস্তি দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করেন।
গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে পালিয়ে যায় আলামিন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নীলফামারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ, নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ বলেন, আলামিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পরপরই তার বাবা একরামুল হক, মা সাহেরা বানু এবং ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মায়ের প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
নীলফামারী সংবাদদাতা

নীলফামারী সদরে মায়ের প্রেমিককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় যুবক পালিয়ে গেলেও তার মা-বাবা ও ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের কিসামত দোগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মতিউল ইসলাম ওরফে মতিবুল একই এলাকার হামিদ হোসেনের ছেলে। তার তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, একই এলাকার একরামুল হকের স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী সাহেরা বানুর সঙ্গে মতিউল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এর জেরে কিছুদিন আগে মতিউল ইসলামের হাত ধরে সংসার ছাড়েন সাহেরা বানু।
পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হলে সাহেরা বানু পুরোনো সংসারে ফিরে আসেন। তবে যোগাযোগ বন্ধ করেননি মতিউল ও সাহেরা। এসব নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির আশপাশে মতিউলকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সাহেরার বড় ছেলে আলামিন ইসলাম। তাদের মাঝে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে আলামিন কাস্তি দিয়ে মতিউল ইসলামের গলায় আঘাত করেন।
গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান মতিউল। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে পালিয়ে যায় আলামিন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নীলফামারী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ, নীলফামারী সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারুক আহমেদ বলেন, আলামিন পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পরপরই তার বাবা একরামুল হক, মা সাহেরা বানু এবং ছোট ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।




