এমপি আজিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপিতে মতবিরোধ, ৮ ঘণ্টার বৈঠক

এমপি আজিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপিতে মতবিরোধ, ৮ ঘণ্টার বৈঠক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে একমত হতে পারেননি নাটোর জেলা বিএনপির নেতারা। এ নিয়ে প্রায় আট ঘণ্টা বৈঠক হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি জেলা কমিটি। এমনকি বৈঠকের সিদ্ধান্তসংবলিত রেজুলেশনও কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে পাঠানো হয়নি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ ও সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদের মধ্যে মতপার্থক্যের কারণে এ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজের দাবি, ওই বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বিষয়ে কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। সদস্যসচিব নিজের উদ্যোগে এ বিষয়ে নেতাদের মতামত জানতে চান। তবে এভাবে মতামত নিয়ে কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠাতে তিনি রাজি হননি।
অন্যদিকে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বৈঠকে উপস্থিত ২৩ জন নেতা আব্দুল আজিজের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আব্দুল আজিজ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জেলা নেতাদের মতামত কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত থাকলেও আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ ভিন্নমত পোষণ করায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি আব্দুল আজিজের ছেলের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ এবং সংসদ সদস্যের কয়েকটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।
গত ২৮ অক্টোবর সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আব্দুল আজিজের তিনটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে তাঁকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করেও এ ধরনের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই এসব করা হচ্ছে।
এদিকে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় আব্দুল আজিজের ছেলে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগ এবং নিজের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক, দুই ঘটনায়ই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে একমত হতে পারেননি নাটোর জেলা বিএনপির নেতারা। এ নিয়ে প্রায় আট ঘণ্টা বৈঠক হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি জেলা কমিটি। এমনকি বৈঠকের সিদ্ধান্তসংবলিত রেজুলেশনও কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে পাঠানো হয়নি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ ও সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদের মধ্যে মতপার্থক্যের কারণে এ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজের দাবি, ওই বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বিষয়ে কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। সদস্যসচিব নিজের উদ্যোগে এ বিষয়ে নেতাদের মতামত জানতে চান। তবে এভাবে মতামত নিয়ে কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠাতে তিনি রাজি হননি।
অন্যদিকে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বৈঠকে উপস্থিত ২৩ জন নেতা আব্দুল আজিজের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আব্দুল আজিজ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জেলা নেতাদের মতামত কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত থাকলেও আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ ভিন্নমত পোষণ করায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি আব্দুল আজিজের ছেলের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ এবং সংসদ সদস্যের কয়েকটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।
গত ২৮ অক্টোবর সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আব্দুল আজিজের তিনটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে তাঁকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করেও এ ধরনের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই এসব করা হচ্ছে।
এদিকে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় আব্দুল আজিজের ছেলে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগ এবং নিজের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক, দুই ঘটনায়ই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এমপি আজিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে বিএনপিতে মতবিরোধ, ৮ ঘণ্টার বৈঠক
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি নেতা আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে একমত হতে পারেননি নাটোর জেলা বিএনপির নেতারা। এ নিয়ে প্রায় আট ঘণ্টা বৈঠক হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি জেলা কমিটি। এমনকি বৈঠকের সিদ্ধান্তসংবলিত রেজুলেশনও কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে পাঠানো হয়নি।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ ও সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদের মধ্যে মতপার্থক্যের কারণে এ অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজের দাবি, ওই বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের বিষয়ে কোনো বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল না। সদস্যসচিব নিজের উদ্যোগে এ বিষয়ে নেতাদের মতামত জানতে চান। তবে এভাবে মতামত নিয়ে কেন্দ্রে সুপারিশ পাঠাতে তিনি রাজি হননি।
অন্যদিকে জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ বলেন, বৈঠকে উপস্থিত ২৩ জন নেতা আব্দুল আজিজের বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। সবার মতামতের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় বিএনপির কাছে সুপারিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
তিনি আরও বলেন, আব্দুল আজিজ জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক। তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে জেলা নেতাদের মতামত কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত থাকলেও আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ ভিন্নমত পোষণ করায় জটিলতা তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি আব্দুল আজিজের ছেলের বিরুদ্ধে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ এবং সংসদ সদস্যের কয়েকটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়।
গত ২৮ অক্টোবর সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আব্দুল আজিজের তিনটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওগুলোতে তাঁকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়। এ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।
ভিডিও ভাইরাল হওয়ার বিষয়ে সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করেও এ ধরনের ভিডিও তৈরি করা সম্ভব। তাঁর সুনাম ক্ষুণ্ন করতেই এসব করা হচ্ছে।
এদিকে ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলায় আব্দুল আজিজের ছেলে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছেলের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার অভিযোগ এবং নিজের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক, দুই ঘটনায়ই স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে জেলা বিএনপির বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।









