ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: আরও ২ সন্দেহভাজন আটক

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: আরও ২ সন্দেহভাজন আটক
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ধারাবাড়িষা গ্রামের আলামিন হোসেন (২৬) ও আনিসুর রহমান (২৫)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আটককৃত দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজার থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাকে রাজশাহী ও পরে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল রাত সোয়া আটটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাকিল ইসলাম গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় কাচারিপাড়া মহল্লার রবিউল করিম মিস্ত্রির ছেলে।
এ ঘটনায় গত ১৯ অক্টোবর শাকিলের বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পরে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গত ২৬ অক্টোবর নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে আটক করা হয়। পরদিন মিন্টুকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। রিমান্ডে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মামলাটি তদন্ত করছে ডিবি।
এ ঘটনায় মিন্টুকে যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ধারাবাড়িষা গ্রামের আলামিন হোসেন (২৬) ও আনিসুর রহমান (২৫)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আটককৃত দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজার থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাকে রাজশাহী ও পরে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল রাত সোয়া আটটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাকিল ইসলাম গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় কাচারিপাড়া মহল্লার রবিউল করিম মিস্ত্রির ছেলে।
এ ঘটনায় গত ১৯ অক্টোবর শাকিলের বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পরে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গত ২৬ অক্টোবর নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে আটক করা হয়। পরদিন মিন্টুকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। রিমান্ডে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মামলাটি তদন্ত করছে ডিবি।
এ ঘটনায় মিন্টুকে যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা: আরও ২ সন্দেহভাজন আটক
নাটোর সংবাদদাতা

নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শাকিল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আরও দুই সন্দেহভাজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন– উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ধারাবাড়িষা গ্রামের আলামিন হোসেন (২৬) ও আনিসুর রহমান (২৫)। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত তিনটার দিকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদের আটক করা হয়।
ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আটককৃত দুই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।
জানা গেছে, গত ১৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজার থেকে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাকে রাজশাহী ও পরে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গতকাল রাত সোয়া আটটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত শাকিল ইসলাম গুরুদাসপুর পৌর সদরের চাঁচকৈড় কাচারিপাড়া মহল্লার রবিউল করিম মিস্ত্রির ছেলে।
এ ঘটনায় গত ১৯ অক্টোবর শাকিলের বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ৮-১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পরে হত্যার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গত ২৬ অক্টোবর নাটোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল আজিজের ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে আটক করা হয়। পরদিন মিন্টুকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়। রিমান্ডে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মামলাটি তদন্ত করছে ডিবি।
এ ঘটনায় মিন্টুকে যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

ছাত্রদল নেতা হত্যা: বিএনপির এমপিপুত্র ৩ দিনের রিমান্ডে






