যুবদল নেতা সাকেরকে হত্যায় ২০ লাখ টাকা দেন মারুফ

যুবদল নেতা সাকেরকে হত্যায় ২০ লাখ টাকা দেন মারুফ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যার পেছনে ১৫০ ভরি স্বর্ণ লুটের ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ ও পৌর কমিটির আহ্বায়ক মারুফ হোসেন জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাকেরকে হত্যার জন্য গোলাম জাহিদকে ২০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন মারুফ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মাগুরা পুলিশ লাইনের ড্রিল শেডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।
পুলিশ সুপার জানান, গত ৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে গোল্ডেন পরিবহণের একটি বাসে করে ১৫০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে ঝিনাইদহে যাচ্ছিলেন মজিবর রহমান নামের এক ব্যক্তি। দুপুর ১টার দিকে মাগুরার রামনগর এলাকায় মারুফের নেতৃত্বে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল বাসটি থামিয়ে স্বর্ণের চালানটি লুট করে। এ সময় মজিবরকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, লুট করা স্বর্ণের চালানে ১৪টি বার ছিল। এর মধ্যে আটটি বার নিজের কাছে সরিয়ে রাখেন মারুফ। বাকি ছয়টি বারের মধ্যে তিনটি স্বর্ণ বহনের তথ্যদাতাদের দেওয়া হয়েছে বলে অন্যদের জানান তিনি। এভাবে লুটের স্বর্ণের বড় অংশ গোপন করে সহযোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করেন মারুফ।
এ নিয়ে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। স্বর্ণ লুটের পরদিন সন্ধ্যা ৭টায় মাগুরার পরিত্যক্ত ট্রাক টার্মিনালে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বৈঠক হয়। সেখানে লুটের স্বর্ণের ন্যায্য ভাগ দাবি করেন সাকের। এ সময় মারুফের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
পরদিন মারুফ সাকেরকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে বিরোধ মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। তবে তাতে রাজি হননি সাকের। এরপর গোলাম জাহিদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মারুফ। হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে দুই ব্যক্তিকে ভাড়া করা হয়। তাঁদের একজনের মাধ্যমে নয়, বরং দুজন মিলে ২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল কাউন্টারে সাকেরকে গুলি করে হত্যা করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
নিহত সাকের ওই কাউন্টারের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন। তাঁর জবানবন্দি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে।
সাকের হত্যার ঘটনায় ২১ অক্টোবর রাতে তাঁর স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। অন্যদিকে, স্বর্ণ লুটের ঘটনায় ভুক্তভোগী মজিবর রহমান ২৮ অক্টোবর একই থানায় পৃথক মামলা করেন। ওই মামলায় ১৫০ ভরি স্বর্ণ ও ৬০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘটনায় পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত গোলাম জাহিদ ও মারুফ ছাড়াও স্বর্ণ লুটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জুয়েল, তৌকির, ফরিদ মণ্ডল, মিল্টন ও তাঁর স্ত্রী মারুফাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাকের হত্যা মামলায় রনি শিকদার, শামীমা তাবাস্সুম লুবনা, অনিমেষ মজুমদার ও বশির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, লুট হওয়া ১৪টি স্বর্ণের বারের মধ্যে ছয়টি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি স্বর্ণ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডে ভাড়া করা দুই ব্যক্তিকেও দ্রুত গ্রেপ্তারের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খাইরুল হাসান ও নিশাত আল নাহিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যার পেছনে ১৫০ ভরি স্বর্ণ লুটের ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ ও পৌর কমিটির আহ্বায়ক মারুফ হোসেন জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাকেরকে হত্যার জন্য গোলাম জাহিদকে ২০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন মারুফ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মাগুরা পুলিশ লাইনের ড্রিল শেডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।
পুলিশ সুপার জানান, গত ৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে গোল্ডেন পরিবহণের একটি বাসে করে ১৫০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে ঝিনাইদহে যাচ্ছিলেন মজিবর রহমান নামের এক ব্যক্তি। দুপুর ১টার দিকে মাগুরার রামনগর এলাকায় মারুফের নেতৃত্বে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল বাসটি থামিয়ে স্বর্ণের চালানটি লুট করে। এ সময় মজিবরকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, লুট করা স্বর্ণের চালানে ১৪টি বার ছিল। এর মধ্যে আটটি বার নিজের কাছে সরিয়ে রাখেন মারুফ। বাকি ছয়টি বারের মধ্যে তিনটি স্বর্ণ বহনের তথ্যদাতাদের দেওয়া হয়েছে বলে অন্যদের জানান তিনি। এভাবে লুটের স্বর্ণের বড় অংশ গোপন করে সহযোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করেন মারুফ।
এ নিয়ে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। স্বর্ণ লুটের পরদিন সন্ধ্যা ৭টায় মাগুরার পরিত্যক্ত ট্রাক টার্মিনালে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বৈঠক হয়। সেখানে লুটের স্বর্ণের ন্যায্য ভাগ দাবি করেন সাকের। এ সময় মারুফের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
পরদিন মারুফ সাকেরকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে বিরোধ মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। তবে তাতে রাজি হননি সাকের। এরপর গোলাম জাহিদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মারুফ। হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে দুই ব্যক্তিকে ভাড়া করা হয়। তাঁদের একজনের মাধ্যমে নয়, বরং দুজন মিলে ২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল কাউন্টারে সাকেরকে গুলি করে হত্যা করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
নিহত সাকের ওই কাউন্টারের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন। তাঁর জবানবন্দি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে।
সাকের হত্যার ঘটনায় ২১ অক্টোবর রাতে তাঁর স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। অন্যদিকে, স্বর্ণ লুটের ঘটনায় ভুক্তভোগী মজিবর রহমান ২৮ অক্টোবর একই থানায় পৃথক মামলা করেন। ওই মামলায় ১৫০ ভরি স্বর্ণ ও ৬০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘটনায় পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত গোলাম জাহিদ ও মারুফ ছাড়াও স্বর্ণ লুটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জুয়েল, তৌকির, ফরিদ মণ্ডল, মিল্টন ও তাঁর স্ত্রী মারুফাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাকের হত্যা মামলায় রনি শিকদার, শামীমা তাবাস্সুম লুবনা, অনিমেষ মজুমদার ও বশির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, লুট হওয়া ১৪টি স্বর্ণের বারের মধ্যে ছয়টি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি স্বর্ণ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডে ভাড়া করা দুই ব্যক্তিকেও দ্রুত গ্রেপ্তারের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খাইরুল হাসান ও নিশাত আল নাহিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যুবদল নেতা সাকেরকে হত্যায় ২০ লাখ টাকা দেন মারুফ
সিটিজেন জার্নাল ডেস্ক

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যার পেছনে ১৫০ ভরি স্বর্ণ লুটের ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে বিরোধের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ ও পৌর কমিটির আহ্বায়ক মারুফ হোসেন জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। সাকেরকে হত্যার জন্য গোলাম জাহিদকে ২০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন মারুফ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে মাগুরা পুলিশ লাইনের ড্রিল শেডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন।
পুলিশ সুপার জানান, গত ৬ অক্টোবর ঢাকা থেকে গোল্ডেন পরিবহণের একটি বাসে করে ১৫০ ভরি স্বর্ণ নিয়ে ঝিনাইদহে যাচ্ছিলেন মজিবর রহমান নামের এক ব্যক্তি। দুপুর ১টার দিকে মাগুরার রামনগর এলাকায় মারুফের নেতৃত্বে ১২ থেকে ১৫ জনের একটি দল বাসটি থামিয়ে স্বর্ণের চালানটি লুট করে। এ সময় মজিবরকে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, লুট করা স্বর্ণের চালানে ১৪টি বার ছিল। এর মধ্যে আটটি বার নিজের কাছে সরিয়ে রাখেন মারুফ। বাকি ছয়টি বারের মধ্যে তিনটি স্বর্ণ বহনের তথ্যদাতাদের দেওয়া হয়েছে বলে অন্যদের জানান তিনি। এভাবে লুটের স্বর্ণের বড় অংশ গোপন করে সহযোগীদের সঙ্গে প্রতারণা করেন মারুফ।
এ নিয়ে পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। স্বর্ণ লুটের পরদিন সন্ধ্যা ৭টায় মাগুরার পরিত্যক্ত ট্রাক টার্মিনালে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বৈঠক হয়। সেখানে লুটের স্বর্ণের ন্যায্য ভাগ দাবি করেন সাকের। এ সময় মারুফের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
পরদিন মারুফ সাকেরকে পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে বিরোধ মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করেন। তবে তাতে রাজি হননি সাকের। এরপর গোলাম জাহিদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁকে হত্যার পরিকল্পনা করেন মারুফ। হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়নে দুই ব্যক্তিকে ভাড়া করা হয়। তাঁদের একজনের মাধ্যমে নয়, বরং দুজন মিলে ২১ অক্টোবর ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মাগুরা বাস টার্মিনালের রয়েল কাউন্টারে সাকেরকে গুলি করে হত্যা করেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
নিহত সাকের ওই কাউন্টারের ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মাগুরা শহরের পারনান্দুয়ালি গ্রামের মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ সুপার আরও জানান, মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকার বিমানবন্দর থানা এলাকা থেকে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন। তাঁর জবানবন্দি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ড করা হয়েছে।
সাকের হত্যার ঘটনায় ২১ অক্টোবর রাতে তাঁর স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। অন্যদিকে, স্বর্ণ লুটের ঘটনায় ভুক্তভোগী মজিবর রহমান ২৮ অক্টোবর একই থানায় পৃথক মামলা করেন। ওই মামলায় ১৫০ ভরি স্বর্ণ ও ৬০ হাজার টাকা লুটের অভিযোগ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুই ঘটনায় পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত গোলাম জাহিদ ও মারুফ ছাড়াও স্বর্ণ লুটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জুয়েল, তৌকির, ফরিদ মণ্ডল, মিল্টন ও তাঁর স্ত্রী মারুফাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া সাকের হত্যা মামলায় রনি শিকদার, শামীমা তাবাস্সুম লুবনা, অনিমেষ মজুমদার ও বশির আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, লুট হওয়া ১৪টি স্বর্ণের বারের মধ্যে ছয়টি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি স্বর্ণ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। হত্যাকাণ্ডে ভাড়া করা দুই ব্যক্তিকেও দ্রুত গ্রেপ্তারের আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খাইরুল হাসান ও নিশাত আল নাহিয়ানসহ সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।









