মরিচ খেতে ১০ ফুট উঁচু গাঁজা গাছ

মরিচ খেতে ১০ ফুট উঁচু গাঁজা গাছ
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মরিচ খেত থেকে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাছটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, দুধকুমার নদীবেষ্টিত দক্ষিণ তিলাই এলাকার কৃষক ইউসুফ মিয়ার মরিচ খেতে একটি গাঁজা গাছ লাগানো হয়েছিল। গাছটি প্রায় দুই বছর ধরে বেড়েে উঠে। এর উচ্চতা প্রায় ১০ ফুটে পৌঁছে যায়। কিছুদিন পর গাছটিতে ফুল আসত।
সেখানে অভিযান চালায় ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্গম এলাকা হওয়ায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৃষক ভারতের দিকে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, চরাঞ্চলের কিছু কৃষক মাদক কারবারিদের প্ররোচনায় অধিক লাভের আশায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে আরও গাঁজাগাছ আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মরিচ খেত থেকে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাছটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, দুধকুমার নদীবেষ্টিত দক্ষিণ তিলাই এলাকার কৃষক ইউসুফ মিয়ার মরিচ খেতে একটি গাঁজা গাছ লাগানো হয়েছিল। গাছটি প্রায় দুই বছর ধরে বেড়েে উঠে। এর উচ্চতা প্রায় ১০ ফুটে পৌঁছে যায়। কিছুদিন পর গাছটিতে ফুল আসত।
সেখানে অভিযান চালায় ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্গম এলাকা হওয়ায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৃষক ভারতের দিকে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, চরাঞ্চলের কিছু কৃষক মাদক কারবারিদের প্ররোচনায় অধিক লাভের আশায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে আরও গাঁজাগাছ আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মরিচ খেতে ১০ ফুট উঁচু গাঁজা গাছ
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় মরিচ খেত থেকে একটি গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২১ জুন) দুপুরে উপজেলার তিলাই ইউনিয়নের বটতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গাছটি জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, দুধকুমার নদীবেষ্টিত দক্ষিণ তিলাই এলাকার কৃষক ইউসুফ মিয়ার মরিচ খেতে একটি গাঁজা গাছ লাগানো হয়েছিল। গাছটি প্রায় দুই বছর ধরে বেড়েে উঠে। এর উচ্চতা প্রায় ১০ ফুটে পৌঁছে যায়। কিছুদিন পর গাছটিতে ফুল আসত।
সেখানে অভিযান চালায় ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মুনতাসির মামুন মুনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্গম এলাকা হওয়ায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কৃষক ভারতের দিকে পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে এএসপি মুনতাসির মামুন মুন বলেন, চরাঞ্চলের কিছু কৃষক মাদক কারবারিদের প্ররোচনায় অধিক লাভের আশায় এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে আরও গাঁজাগাছ আছে কি-না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




