শিরোনাম

ভাড়া বাসায় মিললো নানি ও দুই নাতির মরদেহ

খুলনা প্রতিনিধি
ভাড়া বাসায় মিললো নানি ও দুই নাতির মরদেহ
গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল

খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে নানি ও দুই নাতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (৩১ মে) সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এর আগে, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় সোনাডাঙ্গা এলাকার সুজুকি কর্নার সংলগ্ন দারুল আমান মহল্লার একটি ভাড়া বাসা থেকে মরদেহ তিনটি উদ্ধার হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

নিহতরা হলো– বেবি বেগম (৫৫), তার নাতি শামীম ব্যাপারী (১৩) ও মুস্তাকিম (৪)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকালে ওই বাসার একটি কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা সোনাডাঙ্গা থানা পুলিশের কাছে খবর দেন। খবর পেয়ে সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রথমে বেবি বেগম ও শামীম ব্যাপারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন মুস্তাকিমকে নিখোঁজ মনে করা হচ্ছিল। পরে কক্ষের একটি ওয়ারড্রোবের তালা ভেঙে মুস্তাকিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক বিরোধের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘নিহত বেবি বেগমের মেয়ে ফাতেমা বেগমের প্রথম পক্ষের সন্তান শামীম ও মুস্তাকিম। পারিবারিক কলহের জেরে ফাতেমা বেগমের দ্বিতীয় স্বামী রফিকুল ইসলাম এ হত্যাকাণ্ড ঘটায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়। ঘটনার পর থেকে রফিকুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তবে ফাতেমা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, ৪ বছর আগে ফাতেমা বেগমের সঙ্গে তার প্রথম স্বামী মাসুম ব্যাপারীর (৪৫) ডিভোর্স হয়। ডিভোর্সের পর তাদের সন্তান শামীম এবং মুস্তাকিম ফাতেমা বেগমের সঙ্গে বসবাস করে আসছিল।

/এফআর/