শিরোনাম

জামালপুর থেকে ট্রেনে ঢাকায় ১২০০ কোরবানির পশু

জামালপুর সংবাদদাতা
জামালপুর সংবাদদাতা
জামালপুর থেকে ট্রেনে ঢাকায় ১২০০ কোরবানির পশু
ক্যাটল ট্রেনে উঠানো হচ্ছে কোরবানির পশু। ছবি: সংবাদদাতা

জামালপুর থেকে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনে এক হাজার ২০০ কোরবানির পশু ঢাকায় যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইসলামপুর বাজার রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া। তিন বলেন, শনিবার বিকাল ৬টায় শেষ ও তৃতীয় ক্যাটল ট্রেন ঢাকার উদ্দেশ্যে কোরবানির পশু নিয়ে ছেড়ে আসে। এর আগে, শুক্রবার বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে ইসলামপুর বাজার রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রথম ট্রেন ছেড়ে যায়।

স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া বলেন, কোরবানির ঈদ উপলক্ষে খামারি ও পাইকারদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ২০২০ সালে পশু পরিবহনের জন্য প্রথম ক্যাটল ট্রেন চালু করে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এরপর থেকে এ অঞ্চলের খামারি ও পাইকাররা কোরবানির পশু বিক্রির জন্য ট্রেনে করে ঢাকায় নিয়ে যান। এ বছর জামালপুর থেকে ঢাকায় পশু নেওয়ার জন্য তিনটি ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন বরাদ্দ দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। প্রতিটি ট্রেনে ২৫টি করে মোট ৭৫টি ওয়াগন রয়েছে। প্রতিটি ওয়াগনে ১৬টি পশু পরিবহন করা যায়; যার ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার টাকা

 ট্রেন গরু (2)
ট্রেনে উঠানোর জন্য ইসলামপুর স্টেশনে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয় গরু।

তিনি আরও বলেন, ট্রেনে থাকা পশুগুলো ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট, তেজগাঁও ও কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে নামাবেন খামারি ও পাইকাররা। এরপর ঢাকার বিভিন্ন হাটে এসব পশু নেওয়া হবে। এতে তিনটি ট্রেন থেকে রেলওয়ে ভাড়া পাবে মোট ৬ লাখ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলেন, ট্রেনে পশু পরিবহন খরচ কম। যানজটের কোনো ভোগান্তি নেই।

গরু ব্যবসায়ী জহুর আলী বলেন, ট্রাকে গরু পরিবহনে খরচ ও ঝুঁকি বেশি। পথে চাঁদার ঝামেলায় পড়তে হয়। প্রতি গরুতে খরচ হয় কমপক্ষে দুই হাজার টাকা । ট্রেনে ঝামেলা কম। গরুর শারিরীক অবস্থাও ভালো থাকে। পরিবহন খরচ পড়ে গরু প্রতি মাত্র ৫০০ টাকা।

 ট্রেন গরু (1)

খামার মালিক হোসেন আলী বলেন, অনেক সময় সব গরু বিক্রি হয় না। অবিক্রিত গরু ঢাকা থেকে ফেরত আনতেও ট্রেন ব্যবস্থা চালু রাখা প্রয়োজন।

ভেটেরিনারি সার্জন আব্দুল আলিম বলেন, গরুগুলোকে চিকিৎসা দিতে স্টেশনে একটি টিম কাজ করছে। ট্রেনে উঠানোর আগে গরুগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।

ইসলামপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া বলেন, ট্রেনে গরু নেওয়ার জন্য খামারি ও ব্যবসায়ীদের আগ্রহ বেশি। তাই সব ওয়াগন আগাম বুকিং হয়ে যায়। ট্রেনের সংখ্যা বাড়ালে আরও অধিক সংখ্যক ব্যবসায়ী সুবিধা পাবেন।

/এসআর/