শিরোনাম

শিশু মোহনাকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিমান উপদেষ্টা

গাজীপুর সংবাদদাতা
শিশু মোহনাকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন বিমান উপদেষ্টা
হাসপাতালে মোহনাকে দেখতে যান বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। ছবি: সংবাদদাতা

গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নির্যাতিত শিশু মোহনার (১১) চিকিৎসার খোঁজখবর নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে টেলিফোনে মোহনার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন মোহনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকদের কাছে খোঁজ নেন।

উপদেষ্টা শিশুটিকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই আমাকে তোমার খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। তোমার ভয়ের কোনো কারণ নেই, আমরা তোমার পাশে আছি।

সাফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
সাফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও উপদেষ্টা কথা বলেন। শিশুটির চিকিৎসার সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস টেলিফোনে বাণিজ্য উপদেষ্টার কাছে মোহনার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। মোহনার সঙ্গে আচরণ জাতির জন্য লজ্জাজনক বলে মনে করেন প্রধান উপদেষ্টা। মোহনার চিকিৎসার ব্যয়সহ তার সব দায়িত্ব সরকার বহন করবে বলেও তিনি জানান।

উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, শিশুর প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। অপরাধীরা ইহকাল ও পরকালে উপযুক্ত শাস্তি পাবে।

এছাড়া তিনি মোহনার বাবা মোস্তফাকে একটি চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন।

এসময় উপদেষ্টার সঙ্গে ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বিমানের এমডি ডা. হুমায়রা সুলতানা, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. আমিনুল ইসলাম।

১১ বছরের এক শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী বিথিকে গত ২ ফেব্রুয়ারি গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি গুরুতর জখম অবস্থায় মোহনাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

/এসআর/