গুলশান লেকে দূষণ, দুর্গন্ধে টেকা দায়

গুলশান লেকে দূষণ, দুর্গন্ধে টেকা দায়
মেহেদী হাছান মাহীম

রাজধানীর অভিজাত আবাসিক এলাকা গুলশান। এই এলাকার একসময়ের সৌন্দর্যের প্রতীক গুলশান লেক এখন দুর্গন্ধের উৎসে পরিণত হয়েছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলে এবং পয়ঃবর্জ্যের কারণে লেকের কিছু অংশের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। এতে তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এই এলাকার মানুষ।
পরিবেশ ও নগরপরিকল্পনাবিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পয়ঃবর্জ্য ও ময়লা ফেলার কারণে লেকের পানি ভয়াবহ মাত্রায় দূষিত হয়ে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে লেকের জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে হবে।
নগরপরিকল্পনাবিদের বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই লেকের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ একাধিক সংস্থা। তবে তাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে লেকটির অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লেকটি বনানী, গুলশান, বারিধারা, নিকেতন, শাহজাদপুর ও বাড্ডা এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
পানির রং কালচে হয়ে গেছে
সরেজমিনে দেখা যায়, লেকের তীর ঘেঁষে জমে থাকা প্লাস্টিক, গাছের ডালপালা ও বিভিন্ন ধরনের কঠিন বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে অপসারণ না করায় সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। লেকের বেশ কিছু স্থানে পানির রং কালচে হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গরমের সময় এসব স্থান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে আশপাশের বাসিন্দা ও পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকার মো. নিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি প্রায় সময়ই লেকের এখানে এসে আড্ডা দেই। তবে বর্তমানে লেকের পানি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এখন লেকের পাশে বসাতো দূরের কথা, হাঁটাও কষ্টকর।’
নিয়াজ উদ্দিনের অভিযোগ, লেক ঘেঁষে থাকা বাসাবাড়িগুলো থেকেও অনেক সময় ময়লা ফেলা হয়। এছাড়া গুলশান, বারিধারা, বনানীর এলাকার ভবনগুলোর পয়ঃবর্জ্য ফেলার কারণে লেকের পানি দূষিত হচ্ছে।

নগরপরিকল্পনাবিদদের বক্তব্য
নগরপরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় লেকের এই ভয়াবহ অবস্থা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এতগুলো সংস্থা লেকের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও এই জলাধার পরিষ্কার রাখতে পারছে না। গুলশান লেকের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা না হলে পরিবেশের ক্ষতিসহ মানুষের ভোগান্তি দিনের পর দিন বাড়তেই থাকবে।
লেকের পানির দূষণরোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
লেকের পানির দূষণরোধ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং সৌন্দর্যবর্ধনে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে ২ জুন গুলশান-বনানী লেক পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘লেকে বিভিন্ন স্যুয়ারেজ লাইনের বর্জ্য পানি প্রবেশ করায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), সেপটিক ট্যাংকসহ প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
গুলশান লেক যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর পানির দূষণরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে কথা বলার জন্য ২৭ জুন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।

রাজধানীর অভিজাত আবাসিক এলাকা গুলশান। এই এলাকার একসময়ের সৌন্দর্যের প্রতীক গুলশান লেক এখন দুর্গন্ধের উৎসে পরিণত হয়েছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলে এবং পয়ঃবর্জ্যের কারণে লেকের কিছু অংশের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। এতে তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এই এলাকার মানুষ।
পরিবেশ ও নগরপরিকল্পনাবিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পয়ঃবর্জ্য ও ময়লা ফেলার কারণে লেকের পানি ভয়াবহ মাত্রায় দূষিত হয়ে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে লেকের জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে হবে।
নগরপরিকল্পনাবিদের বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই লেকের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ একাধিক সংস্থা। তবে তাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে লেকটির অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লেকটি বনানী, গুলশান, বারিধারা, নিকেতন, শাহজাদপুর ও বাড্ডা এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
পানির রং কালচে হয়ে গেছে
সরেজমিনে দেখা যায়, লেকের তীর ঘেঁষে জমে থাকা প্লাস্টিক, গাছের ডালপালা ও বিভিন্ন ধরনের কঠিন বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে অপসারণ না করায় সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। লেকের বেশ কিছু স্থানে পানির রং কালচে হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গরমের সময় এসব স্থান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে আশপাশের বাসিন্দা ও পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকার মো. নিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি প্রায় সময়ই লেকের এখানে এসে আড্ডা দেই। তবে বর্তমানে লেকের পানি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এখন লেকের পাশে বসাতো দূরের কথা, হাঁটাও কষ্টকর।’
নিয়াজ উদ্দিনের অভিযোগ, লেক ঘেঁষে থাকা বাসাবাড়িগুলো থেকেও অনেক সময় ময়লা ফেলা হয়। এছাড়া গুলশান, বারিধারা, বনানীর এলাকার ভবনগুলোর পয়ঃবর্জ্য ফেলার কারণে লেকের পানি দূষিত হচ্ছে।

নগরপরিকল্পনাবিদদের বক্তব্য
নগরপরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় লেকের এই ভয়াবহ অবস্থা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এতগুলো সংস্থা লেকের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও এই জলাধার পরিষ্কার রাখতে পারছে না। গুলশান লেকের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা না হলে পরিবেশের ক্ষতিসহ মানুষের ভোগান্তি দিনের পর দিন বাড়তেই থাকবে।
লেকের পানির দূষণরোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
লেকের পানির দূষণরোধ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং সৌন্দর্যবর্ধনে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে ২ জুন গুলশান-বনানী লেক পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘লেকে বিভিন্ন স্যুয়ারেজ লাইনের বর্জ্য পানি প্রবেশ করায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), সেপটিক ট্যাংকসহ প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
গুলশান লেক যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর পানির দূষণরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে কথা বলার জন্য ২৭ জুন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।

গুলশান লেকে দূষণ, দুর্গন্ধে টেকা দায়
মেহেদী হাছান মাহীম

রাজধানীর অভিজাত আবাসিক এলাকা গুলশান। এই এলাকার একসময়ের সৌন্দর্যের প্রতীক গুলশান লেক এখন দুর্গন্ধের উৎসে পরিণত হয়েছে। ময়লা-আবর্জনা ফেলে এবং পয়ঃবর্জ্যের কারণে লেকের কিছু অংশের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। এতে তীব্র দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এই এলাকার মানুষ।
পরিবেশ ও নগরপরিকল্পনাবিদদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে পয়ঃবর্জ্য ও ময়লা ফেলার কারণে লেকের পানি ভয়াবহ মাত্রায় দূষিত হয়ে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে লেকের জীববৈচিত্র্য, পরিবেশগত ভারসাম্য এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে হবে।
নগরপরিকল্পনাবিদের বলেন, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই লেকের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে রাজউক, সিটি করপোরেশনসহ একাধিক সংস্থা। তবে তাদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা ও কার্যকর উদ্যোগের অভাবে লেকটির অবস্থা দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে।
স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লেকটি বনানী, গুলশান, বারিধারা, নিকেতন, শাহজাদপুর ও বাড্ডা এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
পানির রং কালচে হয়ে গেছে
সরেজমিনে দেখা যায়, লেকের তীর ঘেঁষে জমে থাকা প্লাস্টিক, গাছের ডালপালা ও বিভিন্ন ধরনের কঠিন বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে অপসারণ না করায় সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। লেকের বেশ কিছু স্থানে পানির রং কালচে হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গরমের সময় এসব স্থান থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে আশপাশের বাসিন্দা ও পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
গুলশানের কালাচাঁদপুর এলাকার মো. নিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি প্রায় সময়ই লেকের এখানে এসে আড্ডা দেই। তবে বর্তমানে লেকের পানি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে। এখন লেকের পাশে বসাতো দূরের কথা, হাঁটাও কষ্টকর।’
নিয়াজ উদ্দিনের অভিযোগ, লেক ঘেঁষে থাকা বাসাবাড়িগুলো থেকেও অনেক সময় ময়লা ফেলা হয়। এছাড়া গুলশান, বারিধারা, বনানীর এলাকার ভবনগুলোর পয়ঃবর্জ্য ফেলার কারণে লেকের পানি দূষিত হচ্ছে।

নগরপরিকল্পনাবিদদের বক্তব্য
নগরপরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় লেকের এই ভয়াবহ অবস্থা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। এতগুলো সংস্থা লেকের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও এই জলাধার পরিষ্কার রাখতে পারছে না। গুলশান লেকের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা না হলে পরিবেশের ক্ষতিসহ মানুষের ভোগান্তি দিনের পর দিন বাড়তেই থাকবে।
লেকের পানির দূষণরোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
লেকের পানির দূষণরোধ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং সৌন্দর্যবর্ধনে গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ লক্ষ্যে ২ জুন গুলশান-বনানী লেক পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘লেকে বিভিন্ন স্যুয়ারেজ লাইনের বর্জ্য পানি প্রবেশ করায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি), সেপটিক ট্যাংকসহ প্রয়োজনীয় স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।’
গুলশান লেক যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর পানির দূষণরোধে ব্যবস্থা না নেওয়ার বিষয়ে কথা বলার জন্য ২৭ জুন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামানের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।




