সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা

সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা চিকিৎসা ব্যয় বাবদ উল্লেখযোগ্য পরিমান বিল নিয়েছেন। সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন একাই নিয়েছেন প্রায় ৮২ লাখ টাকা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্যমতে, হৃদরোগে আক্রান্ত খালিদ হোসেন থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ জন্য তিনি ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৮ টাকার বিল নিয়েছেন। সরকারের অনুমোদন নিয়ে ২০২৫ সালের শেষ দিকে এবং চলতি ২০২৬ সালের প্রথম দিকে তিনি থাইল্যান্ডে যান। সেখানে অপারেশন করান। প্রথমবার তার সঙ্গে চিকিৎসক ছিলেন। পরের দফায় ছিলেন মেয়ে ও তার স্বামী।
খালিদ হোসেনের দাবি, তখন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট বলেছিল, তার হার্টে যে সমস্যা, সেই চিকিৎসা দেশে নেই। বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত অপারেশনের ঝুঁকি রয়েছে। তারা থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
হেফাজতে ইসলামের সাবেক নায়েবে আমির খালিদ হোসেন জানান, তার এখনো সমস্যা হয়। কিন্তু খরচ বেশি বলে যেতে পারছেন না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রমতে, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে আরও বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় হিসাবে সরকারি কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ নিয়েছেন।
খালিদ হোসেনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৯ লাখ ৩৮ হাজার ২২৯ টাকার বিল নিয়েছেন সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ নিয়েছেন ।
এছাড়া সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন নিয়েছেন ৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৪৪ টাকা, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিয়েছেন ৭ লাখ ১৫ হাজার ৬৪৯ টাকা, সাবেক বিদ্যুৎ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান নিয়েছেন ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩৫ টাকা, সাবেক ভূমি উপদেষ্টা হাসান আরিফ নিয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ২১৬ টাকা, সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ড. এম আমিনুল ইসলাম নিয়েছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৯ টাকা এবং সাবেক খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার নিয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ১৩৪ টাকা।

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা চিকিৎসা ব্যয় বাবদ উল্লেখযোগ্য পরিমান বিল নিয়েছেন। সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন একাই নিয়েছেন প্রায় ৮২ লাখ টাকা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্যমতে, হৃদরোগে আক্রান্ত খালিদ হোসেন থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ জন্য তিনি ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৮ টাকার বিল নিয়েছেন। সরকারের অনুমোদন নিয়ে ২০২৫ সালের শেষ দিকে এবং চলতি ২০২৬ সালের প্রথম দিকে তিনি থাইল্যান্ডে যান। সেখানে অপারেশন করান। প্রথমবার তার সঙ্গে চিকিৎসক ছিলেন। পরের দফায় ছিলেন মেয়ে ও তার স্বামী।
খালিদ হোসেনের দাবি, তখন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট বলেছিল, তার হার্টে যে সমস্যা, সেই চিকিৎসা দেশে নেই। বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত অপারেশনের ঝুঁকি রয়েছে। তারা থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
হেফাজতে ইসলামের সাবেক নায়েবে আমির খালিদ হোসেন জানান, তার এখনো সমস্যা হয়। কিন্তু খরচ বেশি বলে যেতে পারছেন না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রমতে, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে আরও বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় হিসাবে সরকারি কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ নিয়েছেন।
খালিদ হোসেনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৯ লাখ ৩৮ হাজার ২২৯ টাকার বিল নিয়েছেন সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ নিয়েছেন ।
এছাড়া সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন নিয়েছেন ৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৪৪ টাকা, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিয়েছেন ৭ লাখ ১৫ হাজার ৬৪৯ টাকা, সাবেক বিদ্যুৎ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান নিয়েছেন ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩৫ টাকা, সাবেক ভূমি উপদেষ্টা হাসান আরিফ নিয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ২১৬ টাকা, সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ড. এম আমিনুল ইসলাম নিয়েছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৯ টাকা এবং সাবেক খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার নিয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ১৩৪ টাকা।

সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা খালিদ একাই চিকিৎসা বিল নিয়েছেন ৮২ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসে বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা চিকিৎসা ব্যয় বাবদ উল্লেখযোগ্য পরিমান বিল নিয়েছেন। সাবেক ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন একাই নিয়েছেন প্রায় ৮২ লাখ টাকা।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্যমতে, হৃদরোগে আক্রান্ত খালিদ হোসেন থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ জন্য তিনি ৮১ লাখ ৯১ হাজার ৪৮৮ টাকার বিল নিয়েছেন। সরকারের অনুমোদন নিয়ে ২০২৫ সালের শেষ দিকে এবং চলতি ২০২৬ সালের প্রথম দিকে তিনি থাইল্যান্ডে যান। সেখানে অপারেশন করান। প্রথমবার তার সঙ্গে চিকিৎসক ছিলেন। পরের দফায় ছিলেন মেয়ে ও তার স্বামী।
খালিদ হোসেনের দাবি, তখন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট বলেছিল, তার হার্টে যে সমস্যা, সেই চিকিৎসা দেশে নেই। বাংলাদেশে এ সংক্রান্ত অপারেশনের ঝুঁকি রয়েছে। তারা থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দেন।
হেফাজতে ইসলামের সাবেক নায়েবে আমির খালিদ হোসেন জানান, তার এখনো সমস্যা হয়। কিন্তু খরচ বেশি বলে যেতে পারছেন না।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্রমতে, অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে আরও বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা বিদেশে চিকিৎসা ব্যয় হিসাবে সরকারি কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ নিয়েছেন।
খালিদ হোসেনের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৯ লাখ ৩৮ হাজার ২২৯ টাকার বিল নিয়েছেন সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ নিয়েছেন ।
এছাড়া সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন নিয়েছেন ৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৪৪ টাকা, সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী নিয়েছেন ৭ লাখ ১৫ হাজার ৬৪৯ টাকা, সাবেক বিদ্যুৎ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান নিয়েছেন ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৩৫ টাকা, সাবেক ভূমি উপদেষ্টা হাসান আরিফ নিয়েছেন ২ লাখ ৬৭ হাজার ২১৬ টাকা, সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ড. এম আমিনুল ইসলাম নিয়েছেন ২ লাখ ৩৫ হাজার ৭২৯ টাকা এবং সাবেক খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার নিয়েছেন ১ লাখ ৭০ হাজার ১৩৪ টাকা।

অন্তর্বর্তী সরকারের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট


