মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধে স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড

মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধে স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে মিথ্যা মামলা দায়েরের দায়ে মামলার বাদী রিনা আক্তার (৩৭) ও তার স্বামী সাক্ষী মাসুদ বেপারীকে (৪৪) তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারী ফরিদপুরে সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের টানচর ওয়াজ হাওলাদারের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। রায়ের পর তাদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায় বাদী রিনা আক্তার ঘরের বাইরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হলে এক আসামি ঘরের মধ্যে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওই বছর ৩ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাদীর স্বামী মাসুদ বেপারী এবং বাদীর ননদের স্বামী শাহাবুদ্দিন বেপারীর উপর হামলার অভিযোগ এনে ১২জনকে আসামি করে দুটি অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন রিনা আক্তার।
আদালতের সরকারি কৌশলী পিপি গোলাম রব্বানী ভুইয়া বলেন, ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি দায়েরের অভিযোগ দেওয়া হয়। আদালত-এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সদরপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামকে নির্দেশ দেন। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা গত ২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর প্রতিবেদনে মামলাটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই আদালত মামলাটি আমলে নেন। চার্জ গঠনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অতিক্রম করে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের নির্ধারিত দিন ছিল আজ। আজ আদালত এ মামলা বাদী রিনা আক্তার ও মামলার প্রধান সাক্ষী রিনার স্বামী মাসুদ বেপারীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী বশীর চৌধুরী সওয়াল জবাবের সময় আদালত অনুধাবন করতে পারেন এটি একটি সাজানো মিথ্যা মামলা।
সাক্ষ্য ও জেরায় পাওয়া বক্তব্য পর্যালোচনা করে আদালত মামলাটিকে মিথ্যা মামলা হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মামলার বাদী রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারীকে কারাদণ্ডের আদেশ দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন।

ফরিদপুরে মিথ্যা মামলা দায়েরের দায়ে মামলার বাদী রিনা আক্তার (৩৭) ও তার স্বামী সাক্ষী মাসুদ বেপারীকে (৪৪) তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারী ফরিদপুরে সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের টানচর ওয়াজ হাওলাদারের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। রায়ের পর তাদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায় বাদী রিনা আক্তার ঘরের বাইরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হলে এক আসামি ঘরের মধ্যে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওই বছর ৩ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাদীর স্বামী মাসুদ বেপারী এবং বাদীর ননদের স্বামী শাহাবুদ্দিন বেপারীর উপর হামলার অভিযোগ এনে ১২জনকে আসামি করে দুটি অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন রিনা আক্তার।
আদালতের সরকারি কৌশলী পিপি গোলাম রব্বানী ভুইয়া বলেন, ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি দায়েরের অভিযোগ দেওয়া হয়। আদালত-এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সদরপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামকে নির্দেশ দেন। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা গত ২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর প্রতিবেদনে মামলাটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই আদালত মামলাটি আমলে নেন। চার্জ গঠনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অতিক্রম করে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের নির্ধারিত দিন ছিল আজ। আজ আদালত এ মামলা বাদী রিনা আক্তার ও মামলার প্রধান সাক্ষী রিনার স্বামী মাসুদ বেপারীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী বশীর চৌধুরী সওয়াল জবাবের সময় আদালত অনুধাবন করতে পারেন এটি একটি সাজানো মিথ্যা মামলা।
সাক্ষ্য ও জেরায় পাওয়া বক্তব্য পর্যালোচনা করে আদালত মামলাটিকে মিথ্যা মামলা হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মামলার বাদী রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারীকে কারাদণ্ডের আদেশ দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন।

মিথ্যা মামলা দায়েরের অপরাধে স্বামী-স্ত্রীর কারাদণ্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে মিথ্যা মামলা দায়েরের দায়ে মামলার বাদী রিনা আক্তার (৩৭) ও তার স্বামী সাক্ষী মাসুদ বেপারীকে (৪৪) তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারী ফরিদপুরে সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের টানচর ওয়াজ হাওলাদারের ডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। রায়ের পর তাদের পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট রাত সাড়ে ১১টায় বাদী রিনা আক্তার ঘরের বাইরে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে বের হলে এক আসামি ঘরের মধ্যে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ওই বছর ৩ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাদীর স্বামী মাসুদ বেপারী এবং বাদীর ননদের স্বামী শাহাবুদ্দিন বেপারীর উপর হামলার অভিযোগ এনে ১২জনকে আসামি করে দুটি অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন রিনা আক্তার।
আদালতের সরকারি কৌশলী পিপি গোলাম রব্বানী ভুইয়া বলেন, ২০২৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি দায়েরের অভিযোগ দেওয়া হয়। আদালত-এ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য সদরপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলামকে নির্দেশ দেন। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা গত ২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর প্রতিবেদনে মামলাটির প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে মর্মে প্রতিবেদন দেন। ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ৩০ জুলাই আদালত মামলাটি আমলে নেন। চার্জ গঠনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে অতিক্রম করে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের নির্ধারিত দিন ছিল আজ। আজ আদালত এ মামলা বাদী রিনা আক্তার ও মামলার প্রধান সাক্ষী রিনার স্বামী মাসুদ বেপারীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী বশীর চৌধুরী সওয়াল জবাবের সময় আদালত অনুধাবন করতে পারেন এটি একটি সাজানো মিথ্যা মামলা।
সাক্ষ্য ও জেরায় পাওয়া বক্তব্য পর্যালোচনা করে আদালত মামলাটিকে মিথ্যা মামলা হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে মিথ্যা মামলা করার অভিযোগে মামলার বাদী রিনা আক্তার ও তার স্বামী মাসুদ বেপারীকে কারাদণ্ডের আদেশ দেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের জেলা ও দায়রা জজ শামীমা পারভীন।

পিস্তল ও বোমাসহ ফরিদপুর জেলা আ.লীগ সভাপতির সহযোগী গ্রেপ্তার







