পিস্তল ও বোমাসহ ফরিদপুর জেলা আ.লীগ সভাপতির সহযোগী গ্রেপ্তার

পিস্তল ও বোমাসহ ফরিদপুর জেলা আ.লীগ সভাপতির সহযোগী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল, ককটেল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরঞ্জামসহ সাফায়েত আহমেদ (৪০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এছাড়া, অন্য আরেকটি অভিযানে হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবন থেকে বিদেশি পিস্তল ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১০ এর ফরিদপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার রিফাত অভি।
গ্রেপ্তারকৃত সাফায়েত আহমেদ ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার মৃত বশির আহমেদের ছেলে। সে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি শামীম হকের নিকটাত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বলে একাধিক সূত্র জানা গেছে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শামীম হকের ছত্রছায়ায় ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িত’ ছিলেন সাফায়েত আহমেদ।
এসআরবি জানায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে শহরের নিলটুলী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানকালে পালানোর চেষ্টাকালে সাফায়েত আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী ও কেপিবিএনের সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
যার মধ্যে রয়েছে– দুইটি ককটেল, একটি রিভলভার (খেলনা), চাইনিজ কুড়াল, রামদা, ছুরি, সুইচ গিয়ার, ওয়াকিটকি, ট্রেজার গান, ২৫ রাউন্ড গুলির খোসা, ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, সেনাবাহিনীর ক্যাপ ২টি, এপিবিএন-এর ক্যাপ ১টি ও সেনাবাহিনীর ১টি কোমর বন্ধনী।
সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি কর্মকর্তা শাহারিয়ার রিফাত বলেন, গ্রেপ্তার যুবক সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয়ে দেশের বিভিন্ন এলালায় প্রতারণা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী ও মাদক আইনে দুটি মামলা রয়েছে।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটাতে এসব অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল কি-না সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান। তার সঙ্গে জড়িতদের তথ্য পেলে অভিযান চালিয়ে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অপরদিকে, সকাল সাড়ে ৬টায় শহরের কালীবাড়ি এলাকার মাদকবিরোধী অভিযানকালে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের পরিত্যক্ত একটি ভবনে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে মাদকসেবীরা পালিয়ে যায় বলে এসআরবি কর্মকর্তা জানান।
এসআরবি কর্মকর্তা আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ, ককটেল ও অন্যান্য সরঞ্জামসহ আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফরিদপুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল, ককটেল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরঞ্জামসহ সাফায়েত আহমেদ (৪০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এছাড়া, অন্য আরেকটি অভিযানে হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবন থেকে বিদেশি পিস্তল ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১০ এর ফরিদপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার রিফাত অভি।
গ্রেপ্তারকৃত সাফায়েত আহমেদ ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার মৃত বশির আহমেদের ছেলে। সে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি শামীম হকের নিকটাত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বলে একাধিক সূত্র জানা গেছে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শামীম হকের ছত্রছায়ায় ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িত’ ছিলেন সাফায়েত আহমেদ।
এসআরবি জানায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে শহরের নিলটুলী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানকালে পালানোর চেষ্টাকালে সাফায়েত আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী ও কেপিবিএনের সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
যার মধ্যে রয়েছে– দুইটি ককটেল, একটি রিভলভার (খেলনা), চাইনিজ কুড়াল, রামদা, ছুরি, সুইচ গিয়ার, ওয়াকিটকি, ট্রেজার গান, ২৫ রাউন্ড গুলির খোসা, ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, সেনাবাহিনীর ক্যাপ ২টি, এপিবিএন-এর ক্যাপ ১টি ও সেনাবাহিনীর ১টি কোমর বন্ধনী।
সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি কর্মকর্তা শাহারিয়ার রিফাত বলেন, গ্রেপ্তার যুবক সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয়ে দেশের বিভিন্ন এলালায় প্রতারণা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী ও মাদক আইনে দুটি মামলা রয়েছে।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটাতে এসব অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল কি-না সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান। তার সঙ্গে জড়িতদের তথ্য পেলে অভিযান চালিয়ে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অপরদিকে, সকাল সাড়ে ৬টায় শহরের কালীবাড়ি এলাকার মাদকবিরোধী অভিযানকালে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের পরিত্যক্ত একটি ভবনে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে মাদকসেবীরা পালিয়ে যায় বলে এসআরবি কর্মকর্তা জানান।
এসআরবি কর্মকর্তা আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ, ককটেল ও অন্যান্য সরঞ্জামসহ আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পিস্তল ও বোমাসহ ফরিদপুর জেলা আ.লীগ সভাপতির সহযোগী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর

ফরিদপুরে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, পিস্তল, ককটেল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সরঞ্জামসহ সাফায়েত আহমেদ (৪০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এছাড়া, অন্য আরেকটি অভিযানে হাসপাতালের পরিত্যক্ত ভবন থেকে বিদেশি পিস্তল ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১০ এর ফরিদপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. শাহরিয়ার রিফাত অভি।
গ্রেপ্তারকৃত সাফায়েত আহমেদ ফরিদপুর শহরের চরকমলাপুর এলাকার মৃত বশির আহমেদের ছেলে। সে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি শামীম হকের নিকটাত্মীয় এবং ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বলে একাধিক সূত্র জানা গেছে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শামীম হকের ছত্রছায়ায় ‘সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িত’ ছিলেন সাফায়েত আহমেদ।
এসআরবি জানায়, মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে শহরের নিলটুলী এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানকালে পালানোর চেষ্টাকালে সাফায়েত আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে সেনাবাহিনী ও কেপিবিএনের সরঞ্জামসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
যার মধ্যে রয়েছে– দুইটি ককটেল, একটি রিভলভার (খেলনা), চাইনিজ কুড়াল, রামদা, ছুরি, সুইচ গিয়ার, ওয়াকিটকি, ট্রেজার গান, ২৫ রাউন্ড গুলির খোসা, ১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, সেনাবাহিনীর ক্যাপ ২টি, এপিবিএন-এর ক্যাপ ১টি ও সেনাবাহিনীর ১টি কোমর বন্ধনী।
সংবাদ সম্মেলনে এসআরবি কর্মকর্তা শাহারিয়ার রিফাত বলেন, গ্রেপ্তার যুবক সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা পরিচয়ে দেশের বিভিন্ন এলালায় প্রতারণা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তার বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী ও মাদক আইনে দুটি মামলা রয়েছে।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিঘ্ন ঘটাতে এসব অস্ত্র মজুত করা হয়েছিল কি-না সে বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানান। তার সঙ্গে জড়িতদের তথ্য পেলে অভিযান চালিয়ে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অপরদিকে, সকাল সাড়ে ৬টায় শহরের কালীবাড়ি এলাকার মাদকবিরোধী অভিযানকালে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের পরিত্যক্ত একটি ভবনে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও ৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে মাদকসেবীরা পালিয়ে যায় বলে এসআরবি কর্মকর্তা জানান।
এসআরবি কর্মকর্তা আরও জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ, ককটেল ও অন্যান্য সরঞ্জামসহ আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।









