ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা সাবেক এমপির স্ত্রীর

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা সাবেক এমপির স্ত্রীর
দিনাজপুর সংবাদদাতা

সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শিবলী সাদিকের স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু ওরফে শিমলা। তিনি এখন দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে বাবার বাড়ি হাকিমপুর শহরে অবস্থানকালে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে রাত ৮টায় দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন।
শিবলী সাদিক দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন শিবলী সাদিক। এরপর থেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী খাদিজা মল্লিক হাকিমপুর উপজেলা শহরের সিপি রোড এলাকায় বাবা বাবু মল্লিকের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
আত্মহত্যার চেষ্টার আগে সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুকে খাদিজা মল্লিক তার ‘খাদিজা সীমু’ পেজে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমি যথেষ্ট স্ট্রং ছিলাম। আল্লাহর প্রতি আমার অনেক ভরসা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্রামের প্রয়োজন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় জুলুম আমি আর নিতে পারছি না। এই জীবন এভাবে চলতে পারে না। বিয়ের ২ থেকে ৩ মাস পর থেকে এসব সহ্য করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত, আমি শান্তিতে ঘুমাতে চাই।’
ফেসবুকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে খাদিজা মল্লিক লিখেছেন, ‘আমি যদি হেরে যাই, আমার হয়ে তোমরা তো সব জানো, সব প্রমাণ তোমাদের কাছেও আছে। তোমরা শিবলী সাদিক...ছেড়ো না, আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় আমি আর মানতে পারছি না। কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, আমি সেই ধরনের মেয়েই না যে তার কাছে ভালোবাসা ভিক্ষে চাইব, কিন্তু আমার ৭ বছরের এফোর্টকে ঐ...শিবলী বলে, আমি মন থেকে করিনি বা যা করেছি এটা আমার দায়িত্ব।’
মেয়ের জন্য দোয়া করে শিবলী সাদিকের স্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘স্নেহা, তোমার জন্য আমার দোয়া মা, তুমি ভালো থেকো। তুমি আমার জন্য যথেষ্ট লড়েছো, আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ। আম্মু-আব্বু তোমরা আমাকে মাফ করে দিয়ো, আমি তোমাদের অনেক ভালোবাসি। আমার এই মৃত্যুর জন্য শিবলী সাদিক ও তার রক্ষিতা শামীম দায়ী। আমার এই সিদ্ধান্ত একদম ভুল আমি জানি, বাট উনাদের অনেক টাকা আছে এসব ধামাচাপা পড়ে যাবে।’
খাদিজার পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিগত কিছুদিন ধরে খাদিজা শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন চলছিল। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রাতে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবন করতেন। তবে গতকাল মাত্রাতিরিক্তভাবে ওষুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসা আল আশারী গণমাধ্যমকে বলেন, রাত সোয়া ৮টায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন। চিকিৎসা চলছে।

সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শিবলী সাদিকের স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু ওরফে শিমলা। তিনি এখন দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে বাবার বাড়ি হাকিমপুর শহরে অবস্থানকালে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে রাত ৮টায় দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন।
শিবলী সাদিক দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন শিবলী সাদিক। এরপর থেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী খাদিজা মল্লিক হাকিমপুর উপজেলা শহরের সিপি রোড এলাকায় বাবা বাবু মল্লিকের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
আত্মহত্যার চেষ্টার আগে সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুকে খাদিজা মল্লিক তার ‘খাদিজা সীমু’ পেজে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমি যথেষ্ট স্ট্রং ছিলাম। আল্লাহর প্রতি আমার অনেক ভরসা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্রামের প্রয়োজন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় জুলুম আমি আর নিতে পারছি না। এই জীবন এভাবে চলতে পারে না। বিয়ের ২ থেকে ৩ মাস পর থেকে এসব সহ্য করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত, আমি শান্তিতে ঘুমাতে চাই।’
ফেসবুকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে খাদিজা মল্লিক লিখেছেন, ‘আমি যদি হেরে যাই, আমার হয়ে তোমরা তো সব জানো, সব প্রমাণ তোমাদের কাছেও আছে। তোমরা শিবলী সাদিক...ছেড়ো না, আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় আমি আর মানতে পারছি না। কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, আমি সেই ধরনের মেয়েই না যে তার কাছে ভালোবাসা ভিক্ষে চাইব, কিন্তু আমার ৭ বছরের এফোর্টকে ঐ...শিবলী বলে, আমি মন থেকে করিনি বা যা করেছি এটা আমার দায়িত্ব।’
মেয়ের জন্য দোয়া করে শিবলী সাদিকের স্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘স্নেহা, তোমার জন্য আমার দোয়া মা, তুমি ভালো থেকো। তুমি আমার জন্য যথেষ্ট লড়েছো, আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ। আম্মু-আব্বু তোমরা আমাকে মাফ করে দিয়ো, আমি তোমাদের অনেক ভালোবাসি। আমার এই মৃত্যুর জন্য শিবলী সাদিক ও তার রক্ষিতা শামীম দায়ী। আমার এই সিদ্ধান্ত একদম ভুল আমি জানি, বাট উনাদের অনেক টাকা আছে এসব ধামাচাপা পড়ে যাবে।’
খাদিজার পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিগত কিছুদিন ধরে খাদিজা শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন চলছিল। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রাতে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবন করতেন। তবে গতকাল মাত্রাতিরিক্তভাবে ওষুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসা আল আশারী গণমাধ্যমকে বলেন, রাত সোয়া ৮টায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন। চিকিৎসা চলছে।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা সাবেক এমপির স্ত্রীর
দিনাজপুর সংবাদদাতা

সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শিবলী সাদিকের স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু ওরফে শিমলা। তিনি এখন দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে বাবার বাড়ি হাকিমপুর শহরে অবস্থানকালে মাত্রাতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে স্বজনরা তাকে রাত ৮টায় দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন।
শিবলী সাদিক দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন শিবলী সাদিক। এরপর থেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী খাদিজা মল্লিক হাকিমপুর উপজেলা শহরের সিপি রোড এলাকায় বাবা বাবু মল্লিকের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।
আত্মহত্যার চেষ্টার আগে সামাজিক যোগাযোগামাধ্যম ফেসবুকে খাদিজা মল্লিক তার ‘খাদিজা সীমু’ পেজে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আমি যথেষ্ট স্ট্রং ছিলাম। আল্লাহর প্রতি আমার অনেক ভরসা রয়েছে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্রামের প্রয়োজন। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় জুলুম আমি আর নিতে পারছি না। এই জীবন এভাবে চলতে পারে না। বিয়ের ২ থেকে ৩ মাস পর থেকে এসব সহ্য করতে করতে আমি আজ ক্লান্ত, আমি শান্তিতে ঘুমাতে চাই।’
ফেসবুকে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে খাদিজা মল্লিক লিখেছেন, ‘আমি যদি হেরে যাই, আমার হয়ে তোমরা তো সব জানো, সব প্রমাণ তোমাদের কাছেও আছে। তোমরা শিবলী সাদিক...ছেড়ো না, আমার সঙ্গে হওয়া অন্যায় আমি আর মানতে পারছি না। কেউ যদি আমাকে ভালো না বাসে, আমি সেই ধরনের মেয়েই না যে তার কাছে ভালোবাসা ভিক্ষে চাইব, কিন্তু আমার ৭ বছরের এফোর্টকে ঐ...শিবলী বলে, আমি মন থেকে করিনি বা যা করেছি এটা আমার দায়িত্ব।’
মেয়ের জন্য দোয়া করে শিবলী সাদিকের স্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘স্নেহা, তোমার জন্য আমার দোয়া মা, তুমি ভালো থেকো। তুমি আমার জন্য যথেষ্ট লড়েছো, আমি তোমার কাছে কৃতজ্ঞ। আম্মু-আব্বু তোমরা আমাকে মাফ করে দিয়ো, আমি তোমাদের অনেক ভালোবাসি। আমার এই মৃত্যুর জন্য শিবলী সাদিক ও তার রক্ষিতা শামীম দায়ী। আমার এই সিদ্ধান্ত একদম ভুল আমি জানি, বাট উনাদের অনেক টাকা আছে এসব ধামাচাপা পড়ে যাবে।’
খাদিজার পরিবার সূত্রে জানা যায়, বিগত কিছুদিন ধরে খাদিজা শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন চলছিল। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রাতে নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবন করতেন। তবে গতকাল মাত্রাতিরিক্তভাবে ওষুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুসা আল আশারী গণমাধ্যমকে বলেন, রাত সোয়া ৮টায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আছেন। চিকিৎসা চলছে।




