এক মাসের ব্যবধানে মা-বাবার মৃত্যু, অনিশ্চিত পাঁচ মেয়ের ভবিষ্যৎ

এক মাসের ব্যবধানে মা-বাবার মৃত্যু, অনিশ্চিত পাঁচ মেয়ের ভবিষ্যৎ
সিজেডএন ডেস্ক

সংসারে অভাব-অনটন ছিল। সেই কষ্টের মধ্যেই গত ২৮ আগস্ট নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল ফরিদা বেগমের মরদেহ। স্ত্রীর মৃত্যুর এক মাসের মাথায় আজ মঙ্গলবার একইভাবে মারা গেলেন তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ (৫০)। দুপুরে ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আবুল কালাম কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। স্ত্রীকে হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়েছে। বাকি চার মেয়ের মধ্যে একজনের বয়স মাত্র পাঁচ বছর। মা-বাবাকে হারিয়ে এখন তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আবুল কালাম রাধানগর গ্রামের ওয়াহাব মাতবরের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বজনেরা বাড়ির একটি কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দোহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রসাদ কুমার চাকী বলেন, স্বজনেরা আজাদের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। পরে মরদেহ থানায় আনা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, কৃষিকাজ করে কোনোভাবে সংসার চালাতেন আবুল কালাম। আর্থিক সংকটের কারণে পরিবারটিতে দীর্ঘদিন ধরেই অভাব ছিল। গত ২৮ আগস্ট একই বাড়িতে তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে কালাম অনেকটা চুপচাপ থাকতেন। তাকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া অবস্থায় দেখা গেছে।
আবুল কালামের ভাই শুকুর আলী বলেন, ‘অভাবের কারণে এক মাস আগে কালামের স্ত্রীও এভাবে চলে গেলেন। এবার আমার ভাইও একই পথে গেল। তাদের পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়েছে। এখন মেয়েগুলোর কী হবে, আল্লাহই জানেন।’
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, স্ত্রীর মৃত্যুর ৩১ দিন পর স্বামীও একইভাবে মারা গেলেন। তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

সংসারে অভাব-অনটন ছিল। সেই কষ্টের মধ্যেই গত ২৮ আগস্ট নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল ফরিদা বেগমের মরদেহ। স্ত্রীর মৃত্যুর এক মাসের মাথায় আজ মঙ্গলবার একইভাবে মারা গেলেন তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ (৫০)। দুপুরে ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আবুল কালাম কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। স্ত্রীকে হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়েছে। বাকি চার মেয়ের মধ্যে একজনের বয়স মাত্র পাঁচ বছর। মা-বাবাকে হারিয়ে এখন তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আবুল কালাম রাধানগর গ্রামের ওয়াহাব মাতবরের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বজনেরা বাড়ির একটি কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দোহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রসাদ কুমার চাকী বলেন, স্বজনেরা আজাদের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। পরে মরদেহ থানায় আনা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, কৃষিকাজ করে কোনোভাবে সংসার চালাতেন আবুল কালাম। আর্থিক সংকটের কারণে পরিবারটিতে দীর্ঘদিন ধরেই অভাব ছিল। গত ২৮ আগস্ট একই বাড়িতে তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে কালাম অনেকটা চুপচাপ থাকতেন। তাকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া অবস্থায় দেখা গেছে।
আবুল কালামের ভাই শুকুর আলী বলেন, ‘অভাবের কারণে এক মাস আগে কালামের স্ত্রীও এভাবে চলে গেলেন। এবার আমার ভাইও একই পথে গেল। তাদের পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়েছে। এখন মেয়েগুলোর কী হবে, আল্লাহই জানেন।’
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, স্ত্রীর মৃত্যুর ৩১ দিন পর স্বামীও একইভাবে মারা গেলেন। তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

এক মাসের ব্যবধানে মা-বাবার মৃত্যু, অনিশ্চিত পাঁচ মেয়ের ভবিষ্যৎ
সিজেডএন ডেস্ক

সংসারে অভাব-অনটন ছিল। সেই কষ্টের মধ্যেই গত ২৮ আগস্ট নিজ ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল ফরিদা বেগমের মরদেহ। স্ত্রীর মৃত্যুর এক মাসের মাথায় আজ মঙ্গলবার একইভাবে মারা গেলেন তার স্বামী আবুল কালাম আজাদ (৫০)। দুপুরে ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আবুল কালাম কৃষিকাজ করে সংসার চালাতেন। স্ত্রীকে হারানোর পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়েছে। বাকি চার মেয়ের মধ্যে একজনের বয়স মাত্র পাঁচ বছর। মা-বাবাকে হারিয়ে এখন তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
আবুল কালাম রাধানগর গ্রামের ওয়াহাব মাতবরের ছেলে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বজনেরা বাড়ির একটি কক্ষে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দোহার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) প্রসাদ কুমার চাকী বলেন, স্বজনেরা আজাদের মরদেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করার পর মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। পরে মরদেহ থানায় আনা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, কৃষিকাজ করে কোনোভাবে সংসার চালাতেন আবুল কালাম। আর্থিক সংকটের কারণে পরিবারটিতে দীর্ঘদিন ধরেই অভাব ছিল। গত ২৮ আগস্ট একই বাড়িতে তার স্ত্রী ফরিদা বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্ত্রীর মৃত্যুর পর থেকে কালাম অনেকটা চুপচাপ থাকতেন। তাকে মানসিকভাবে ভেঙে পড়া অবস্থায় দেখা গেছে।
আবুল কালামের ভাই শুকুর আলী বলেন, ‘অভাবের কারণে এক মাস আগে কালামের স্ত্রীও এভাবে চলে গেলেন। এবার আমার ভাইও একই পথে গেল। তাদের পাঁচ মেয়ের মধ্যে একজনের বিয়ে হয়েছে। এখন মেয়েগুলোর কী হবে, আল্লাহই জানেন।’
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, স্ত্রীর মৃত্যুর ৩১ দিন পর স্বামীও একইভাবে মারা গেলেন। তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।









