আশুলিয়ায় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত, কাভার্ড ভ্যানে আগুন

আশুলিয়ায় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত, কাভার্ড ভ্যানে আগুন
সাভার সংবাদদাতা

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলনের ৫ম দিনে আবারও উত্তপ্ত সাভার ও আশুলিয়ার তৈরি পোশাকশিল্প এলাকা। শতাধিক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা। পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ অক্টোবর) সকালে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর এবং সাভারের হেমায়েতপুরে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।
সংঘর্ষের কারণে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত কয়েকদিনের আন্দোলনে সাভার ও আশুলিয়ায় ২৩০টি গার্মেন্টস কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে।
শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। তা পরিদর্শন করতে আসেন সাভারের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। এসময় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পতিত সরকারের দোসররা সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করে আন্দোলন করার চেষ্টা করছে। বহিরাগতরা শ্রমিকদের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে নাশকতা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে।
সাভার শিল্প পুলিশ থেকে অভিযোগ করা হয়, বহিরাগতরা কারখানা বন্ধ করে শ্রমিকদের মহাসড়কে আসতে বাধ্য করছে। শান্তিপ্রিয় শ্রমিকরাও কারখানা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
এদিন সকাল ১০টার পর আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের নরসিংহপুর ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ শুরু হয়। এর পর সাভারজুড়ে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এসে যান চলাচলে অবরোধ সৃষ্টি করেন। শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরাতে দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকরা প্রথমে অনন্ত গ্রুপের কারখানা এবং পরে হা-মীম গ্রুপের কারখানার সামনে জড়ো হন। বিভিন্ন দাবিতে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।
বেলা ১২টায় নরসিংহপুরের নদী ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি পোশাক কারখানার কাভার্ডভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সড়কের পাশের অধিকাংশ চালু পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নরসিংহপুরের নিউএজ কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি শেষে কারখানা থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে শিল্প পুলিশ-১-এর এএসপি (অপারেশনস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স) শোয়েব আহমেদ সামান্য আহত হন। তিনি জানান, অনেক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এলাকা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় দুজনকে দুপুর দেড়টার দিকে বাইপাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তারা শ্রমিক না কি বহিরাগত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলনের ৫ম দিনে আবারও উত্তপ্ত সাভার ও আশুলিয়ার তৈরি পোশাকশিল্প এলাকা। শতাধিক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা। পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ অক্টোবর) সকালে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর এবং সাভারের হেমায়েতপুরে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।
সংঘর্ষের কারণে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত কয়েকদিনের আন্দোলনে সাভার ও আশুলিয়ায় ২৩০টি গার্মেন্টস কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে।
শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। তা পরিদর্শন করতে আসেন সাভারের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। এসময় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পতিত সরকারের দোসররা সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করে আন্দোলন করার চেষ্টা করছে। বহিরাগতরা শ্রমিকদের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে নাশকতা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে।
সাভার শিল্প পুলিশ থেকে অভিযোগ করা হয়, বহিরাগতরা কারখানা বন্ধ করে শ্রমিকদের মহাসড়কে আসতে বাধ্য করছে। শান্তিপ্রিয় শ্রমিকরাও কারখানা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
এদিন সকাল ১০টার পর আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের নরসিংহপুর ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ শুরু হয়। এর পর সাভারজুড়ে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এসে যান চলাচলে অবরোধ সৃষ্টি করেন। শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরাতে দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকরা প্রথমে অনন্ত গ্রুপের কারখানা এবং পরে হা-মীম গ্রুপের কারখানার সামনে জড়ো হন। বিভিন্ন দাবিতে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।
বেলা ১২টায় নরসিংহপুরের নদী ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি পোশাক কারখানার কাভার্ডভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সড়কের পাশের অধিকাংশ চালু পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নরসিংহপুরের নিউএজ কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি শেষে কারখানা থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে শিল্প পুলিশ-১-এর এএসপি (অপারেশনস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স) শোয়েব আহমেদ সামান্য আহত হন। তিনি জানান, অনেক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এলাকা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় দুজনকে দুপুর দেড়টার দিকে বাইপাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তারা শ্রমিক না কি বহিরাগত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আশুলিয়ায় পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত, কাভার্ড ভ্যানে আগুন
সাভার সংবাদদাতা

পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ কয়েক দফা দাবিতে আন্দোলনের ৫ম দিনে আবারও উত্তপ্ত সাভার ও আশুলিয়ার তৈরি পোশাকশিল্প এলাকা। শতাধিক কারখানার শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা। পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষে দেড় শতাধিক আহত হয়েছেন।
সোমবার (২ অক্টোবর) সকালে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর এবং সাভারের হেমায়েতপুরে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।
সংঘর্ষের কারণে শিল্পাঞ্চলের অধিকাংশ কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত কয়েকদিনের আন্দোলনে সাভার ও আশুলিয়ায় ২৩০টি গার্মেন্টস কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে।
শ্রমিকদের সড়ক অবরোধে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। তা পরিদর্শন করতে আসেন সাভারের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। এসময় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পতিত সরকারের দোসররা সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাক খাতকে অস্থিতিশীল করে আন্দোলন করার চেষ্টা করছে। বহিরাগতরা শ্রমিকদের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে নাশকতা সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করছে।
সাভার শিল্প পুলিশ থেকে অভিযোগ করা হয়, বহিরাগতরা কারখানা বন্ধ করে শ্রমিকদের মহাসড়কে আসতে বাধ্য করছে। শান্তিপ্রিয় শ্রমিকরাও কারখানা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
এদিন সকাল ১০টার পর আবদুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের নরসিংহপুর ও নিশ্চিন্তপুর এলাকায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ শুরু হয়। এর পর সাভারজুড়ে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এসে যান চলাচলে অবরোধ সৃষ্টি করেন। শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরাতে দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শ্রমিকরা প্রথমে অনন্ত গ্রুপের কারখানা এবং পরে হা-মীম গ্রুপের কারখানার সামনে জড়ো হন। বিভিন্ন দাবিতে সড়ক অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ সময় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে।
বেলা ১২টায় নরসিংহপুরের নদী ফিলিং স্টেশনের সামনে একটি পোশাক কারখানার কাভার্ডভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সড়কের পাশের অধিকাংশ চালু পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নরসিংহপুরের নিউএজ কারখানার শ্রমিকরা কর্মবিরতি শেষে কারখানা থেকে বেরিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সময় ইট-পাটকেলের আঘাতে শিল্প পুলিশ-১-এর এএসপি (অপারেশনস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স) শোয়েব আহমেদ সামান্য আহত হন। তিনি জানান, অনেক পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এলাকা জুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনায় দুজনকে দুপুর দেড়টার দিকে বাইপাইল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তারা শ্রমিক না কি বহিরাগত তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গাজীপুরে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের গাড়িতে আগুন, সংঘর্ষে সাংবাদিক-বিজিবি সদস্য আহত







