সিইউএফএলে গ্যাস সরবরাহ শুরু, শিগগিরই সার উৎপাদন

সিইউএফএলে গ্যাস সরবরাহ শুরু, শিগগিরই সার উৎপাদন
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা লিমিটেডে (সিইউএফএল) গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর আনোয়ারায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাটিতে গত মঙ্গলবার সকালে গ্যাস দেওয়া শুরু হয়। যন্ত্রপাতি পরীক্ষা শেষে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
সিইউএফএল সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ থেকে কারখানাটি বন্ধ ছিল। এর আগেও গত দুই বছর যান্ত্রিক ত্রুটিসহ নানা কারণে দীর্ঘ সময় কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল।
সিইউএফএল চালু থাকলে দৈনিক ১১ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন হবে।
সিইউএফএলের কর্মকর্তারা জানান, কখনো গ্যাস সংকট, কখনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কারখানাটির উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাত্র পাঁচ দিন চালু ছিল কারখানাটি।
২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কারখানার উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর পুনরায় চালু হয় ১৩ অক্টোবর। তবে ২০২৫ সালের ৩ জানুয়ারি আবার যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে কারখানাটি চালু হয়। দেড় মাস কারখানা চালু থাকলেও ১১ এপ্রিল গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। টানা ছয় মাস ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ২ নভেম্বর কারখানা চালু হলেও ওই দিনই আবার বন্ধ হয়ে পড়ে।
চলতি বছরের ২ মার্চ কারখানাটি চালু হয়েছিল। তবে দুই দিন পর ৪ মার্চ গ্যাস সংকটে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ গ্যাসনির্ভর এ কারখানায় দৈনিক ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন।
কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে বছরে ইউরিয়া সারের চাহিদা প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন। সিইউএফএলসহ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অন্যান্য কারখানায় প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন হয়। অবশিষ্ট ১৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া উচ্চ মূল্যে আমদানি করতে হয়।
জাপানের কারিগরি সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় ১৯৮৭ সালের ২৯ অক্টোবর কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করে সরকার।
সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্যাস পাওয়ার পর কারখানার যন্ত্রপাতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন পুনরায় শুরু হবে।’

চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা লিমিটেডে (সিইউএফএল) গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর আনোয়ারায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাটিতে গত মঙ্গলবার সকালে গ্যাস দেওয়া শুরু হয়। যন্ত্রপাতি পরীক্ষা শেষে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
সিইউএফএল সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ থেকে কারখানাটি বন্ধ ছিল। এর আগেও গত দুই বছর যান্ত্রিক ত্রুটিসহ নানা কারণে দীর্ঘ সময় কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল।
সিইউএফএল চালু থাকলে দৈনিক ১১ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন হবে।
সিইউএফএলের কর্মকর্তারা জানান, কখনো গ্যাস সংকট, কখনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কারখানাটির উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাত্র পাঁচ দিন চালু ছিল কারখানাটি।
২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কারখানার উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর পুনরায় চালু হয় ১৩ অক্টোবর। তবে ২০২৫ সালের ৩ জানুয়ারি আবার যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে কারখানাটি চালু হয়। দেড় মাস কারখানা চালু থাকলেও ১১ এপ্রিল গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। টানা ছয় মাস ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ২ নভেম্বর কারখানা চালু হলেও ওই দিনই আবার বন্ধ হয়ে পড়ে।
চলতি বছরের ২ মার্চ কারখানাটি চালু হয়েছিল। তবে দুই দিন পর ৪ মার্চ গ্যাস সংকটে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ গ্যাসনির্ভর এ কারখানায় দৈনিক ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন।
কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে বছরে ইউরিয়া সারের চাহিদা প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন। সিইউএফএলসহ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অন্যান্য কারখানায় প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন হয়। অবশিষ্ট ১৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া উচ্চ মূল্যে আমদানি করতে হয়।
জাপানের কারিগরি সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় ১৯৮৭ সালের ২৯ অক্টোবর কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করে সরকার।
সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্যাস পাওয়ার পর কারখানার যন্ত্রপাতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন পুনরায় শুরু হবে।’

সিইউএফএলে গ্যাস সরবরাহ শুরু, শিগগিরই সার উৎপাদন
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা লিমিটেডে (সিইউএফএল) গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর আনোয়ারায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাটিতে গত মঙ্গলবার সকালে গ্যাস দেওয়া শুরু হয়। যন্ত্রপাতি পরীক্ষা শেষে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
সিইউএফএল সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ থেকে কারখানাটি বন্ধ ছিল। এর আগেও গত দুই বছর যান্ত্রিক ত্রুটিসহ নানা কারণে দীর্ঘ সময় কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ ছিল।
সিইউএফএল চালু থাকলে দৈনিক ১১ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন হবে।
সিইউএফএলের কর্মকর্তারা জানান, কখনো গ্যাস সংকট, কখনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কারখানাটির উৎপাদন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাত্র পাঁচ দিন চালু ছিল কারখানাটি।
২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কারখানার উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর পুনরায় চালু হয় ১৩ অক্টোবর। তবে ২০২৫ সালের ৩ জানুয়ারি আবার যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। এরপর ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে কারখানাটি চালু হয়। দেড় মাস কারখানা চালু থাকলেও ১১ এপ্রিল গ্যাস সংকটে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। টানা ছয় মাস ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ২ নভেম্বর কারখানা চালু হলেও ওই দিনই আবার বন্ধ হয়ে পড়ে।
চলতি বছরের ২ মার্চ কারখানাটি চালু হয়েছিল। তবে দুই দিন পর ৪ মার্চ গ্যাস সংকটে আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পূর্ণমাত্রায় উৎপাদনের জন্য সম্পূর্ণ গ্যাসনির্ভর এ কারখানায় দৈনিক ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন।
কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে বছরে ইউরিয়া সারের চাহিদা প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন। সিইউএফএলসহ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অন্যান্য কারখানায় প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন হয়। অবশিষ্ট ১৬ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া উচ্চ মূল্যে আমদানি করতে হয়।
জাপানের কারিগরি সহায়তায় কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় ১৯৮৭ সালের ২৯ অক্টোবর কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করে সরকার।
সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, ‘গ্যাস পাওয়ার পর কারখানার যন্ত্রপাতির পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন পুনরায় শুরু হবে।’

-CznNewsLab-890cdf-256x144.webp)







