বগুড়ায় আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়েছে আসামি

বগুড়ায় আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়েছে আসামি

বগুড়ায় আদালত চত্বর থেকে শাহীন ওরফে মিরপুর (২০) নামে এক আসামি হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
পলাতক শাহীন বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম চাঁনপাড়া এলাকার নুর আলমের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর রাত ৮টা দিকে আকবরিয়া হোটেল সংলগ্ন এলাকায় ঘোরাফেরার সময় আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় শাহীনকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাজিরা শেষে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় শাহীন হাতকড়া খুলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর শহীদুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ১৬১ ধারায় আদালতে চালান দেয়া হয়েছিল। অন্য আসামিদের সঙ্গে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যেতে তাকে প্রিজনভ্যানেও তোলা হয়েছিল। হাতকড়া হয়তো লুজ বা নষ্ট ছিল। এক হাতে হাতকড়া থাকায় সে সেটা খুলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।

বগুড়ায় আদালত চত্বর থেকে শাহীন ওরফে মিরপুর (২০) নামে এক আসামি হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
পলাতক শাহীন বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম চাঁনপাড়া এলাকার নুর আলমের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর রাত ৮টা দিকে আকবরিয়া হোটেল সংলগ্ন এলাকায় ঘোরাফেরার সময় আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় শাহীনকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাজিরা শেষে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় শাহীন হাতকড়া খুলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর শহীদুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ১৬১ ধারায় আদালতে চালান দেয়া হয়েছিল। অন্য আসামিদের সঙ্গে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যেতে তাকে প্রিজনভ্যানেও তোলা হয়েছিল। হাতকড়া হয়তো লুজ বা নষ্ট ছিল। এক হাতে হাতকড়া থাকায় সে সেটা খুলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।

বগুড়ায় আদালত থেকে হাতকড়া খুলে পালিয়েছে আসামি

বগুড়ায় আদালত চত্বর থেকে শাহীন ওরফে মিরপুর (২০) নামে এক আসামি হাতকড়া খুলে পালিয়ে গেছেন। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বগুড়া চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ ঘটনা ঘটে।
পলাতক শাহীন বগুড়া সদর উপজেলার সাবগ্রাম চাঁনপাড়া এলাকার নুর আলমের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ ডিসেম্বর রাত ৮টা দিকে আকবরিয়া হোটেল সংলগ্ন এলাকায় ঘোরাফেরার সময় আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় শাহীনকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার দুপুরে হাজিরা শেষে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় শাহীন হাতকড়া খুলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
বগুড়ার কোর্ট ইন্সপেক্টর শহীদুল ইসলাম বলেন, ওই ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ১৬১ ধারায় আদালতে চালান দেয়া হয়েছিল। অন্য আসামিদের সঙ্গে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যেতে তাকে প্রিজনভ্যানেও তোলা হয়েছিল। হাতকড়া হয়তো লুজ বা নষ্ট ছিল। এক হাতে হাতকড়া থাকায় সে সেটা খুলে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।




