বাগেরহাটে কুপিয়ে যুবকের হাত-পা বিচ্ছিন্ন

বাগেরহাটে কুপিয়ে যুবকের হাত-পা বিচ্ছিন্ন
বাগেরহাট সংবাদদাতা

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় কুপিয়ে এক যুবকের হাত–পা বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মঘিয়া ইউনিয়নের সম্মানকাঠি গ্রামের একটি বাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় পুলিশ।
অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়।
ওই যুবকের নাম মো. রহমতউল্লাহ শেখ (২৭)। তিনি কচুয়া উপজেলার চর সোনাকুর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে থাকা অবস্থায় রহমতউল্লাহ পানি চেয়ে চিৎকার করছিলেন। এ সময় হামলাকারীদের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চর সোনাকুর গ্রামের একরাম শেখের ছেলে ইসরাফিল ও ইয়াসিন এবং তাদের সহযোগী ইব্রাহিম আমাকে মেরেছে ও কুপিয়েছে।’
রহমতউল্লাহর বাবা আবদুল মতিন জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে কামরুল, ইসরাফিল, ইয়াসিনসহ কয়েকজন তার ছেলেকে মেরেছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছেলের দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেছে ফেলেছে। দুই পা ও প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার অবস্থায় রয়েছে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, দুই হাত ও দুই পা গুরুত্বর জখম অবস্থায় রহমতউল্লাহ নামের এক যুবককে এখানে আনা হয়। তার একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অন্য একটি পাও বেশ বিচ্ছিন্ন। এ ছাড়া মাথা, হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কারা কী করেছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি ওই গ্রামে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে ব্ল্যাকমেলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে রহমতউল্লাহর বিরুদ্ধে। এর পরিপ্রেক্ষিতেও হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় কুপিয়ে এক যুবকের হাত–পা বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মঘিয়া ইউনিয়নের সম্মানকাঠি গ্রামের একটি বাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় পুলিশ।
অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়।
ওই যুবকের নাম মো. রহমতউল্লাহ শেখ (২৭)। তিনি কচুয়া উপজেলার চর সোনাকুর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে থাকা অবস্থায় রহমতউল্লাহ পানি চেয়ে চিৎকার করছিলেন। এ সময় হামলাকারীদের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চর সোনাকুর গ্রামের একরাম শেখের ছেলে ইসরাফিল ও ইয়াসিন এবং তাদের সহযোগী ইব্রাহিম আমাকে মেরেছে ও কুপিয়েছে।’
রহমতউল্লাহর বাবা আবদুল মতিন জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে কামরুল, ইসরাফিল, ইয়াসিনসহ কয়েকজন তার ছেলেকে মেরেছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছেলের দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেছে ফেলেছে। দুই পা ও প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার অবস্থায় রয়েছে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, দুই হাত ও দুই পা গুরুত্বর জখম অবস্থায় রহমতউল্লাহ নামের এক যুবককে এখানে আনা হয়। তার একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অন্য একটি পাও বেশ বিচ্ছিন্ন। এ ছাড়া মাথা, হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কারা কী করেছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি ওই গ্রামে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে ব্ল্যাকমেলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে রহমতউল্লাহর বিরুদ্ধে। এর পরিপ্রেক্ষিতেও হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।

বাগেরহাটে কুপিয়ে যুবকের হাত-পা বিচ্ছিন্ন
বাগেরহাট সংবাদদাতা

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় কুপিয়ে এক যুবকের হাত–পা বিচ্ছিন্ন করার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) মঘিয়া ইউনিয়নের সম্মানকাঠি গ্রামের একটি বাগান থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই যুবককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয় পুলিশ।
অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়।
ওই যুবকের নাম মো. রহমতউল্লাহ শেখ (২৭)। তিনি কচুয়া উপজেলার চর সোনাকুর গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে থাকা অবস্থায় রহমতউল্লাহ পানি চেয়ে চিৎকার করছিলেন। এ সময় হামলাকারীদের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘চর সোনাকুর গ্রামের একরাম শেখের ছেলে ইসরাফিল ও ইয়াসিন এবং তাদের সহযোগী ইব্রাহিম আমাকে মেরেছে ও কুপিয়েছে।’
রহমতউল্লাহর বাবা আবদুল মতিন জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে কামরুল, ইসরাফিল, ইয়াসিনসহ কয়েকজন তার ছেলেকে মেরেছে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ছেলের দুই হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন করেছে ফেলেছে। দুই পা ও প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার অবস্থায় রয়েছে।
কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, দুই হাত ও দুই পা গুরুত্বর জখম অবস্থায় রহমতউল্লাহ নামের এক যুবককে এখানে আনা হয়। তার একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অন্য একটি পাও বেশ বিচ্ছিন্ন। এ ছাড়া মাথা, হাঁটুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে।
কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কারা কী করেছে, এ বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি ওই গ্রামে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে ব্ল্যাকমেলের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে রহমতউল্লাহর বিরুদ্ধে। এর পরিপ্রেক্ষিতেও হামলার ঘটনা ঘটতে পারে।




