সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ আটক ৪

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ আটক ৪
বাগেরহাট সংবাদদাতা

পূর্ব সুন্দরবনের মৃগামারী খাল থেকে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ চার শিকারিকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা। এ সময় একটি নৌকা, আড়াই মণ কাঁকড়া এবং কাঁকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারু জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে আটক ব্যক্তিদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস জানান, চাঁদপাই ফরেস্ট স্টেশন ও আন্ধারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রের বনরক্ষীরা শনিবার ভোর রাতে মৃগামারী খালে যৌথ অভিযান চালান। এ সময় একটি নৌকাসহ ৪ শিকারিকে আটক করা হয়।
অভিযানকালে নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ৩০০ ফুট হরিণ ধরার মালা ফাঁদ, ৭টি ঝুড়িতে রাখা আড়াই মণ কাঁকড়া, কাঁকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারুসহ অন্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন–মোংলা উপজেলার দক্ষিণ চিলা গ্রামের ফরিদ হাওলাদার , আতাউর খান, মোজাম জোমাদ্দার ও রুহুল জোমাদ্দার।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ আহরণে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আটক ব্যক্তিরা সুন্দরবনে প্রবেশ করে হরিণ শিকারের চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি কাঁকড়া আহরণ করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবনের মৃগামারী খাল থেকে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ চার শিকারিকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা। এ সময় একটি নৌকা, আড়াই মণ কাঁকড়া এবং কাঁকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারু জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে আটক ব্যক্তিদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস জানান, চাঁদপাই ফরেস্ট স্টেশন ও আন্ধারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রের বনরক্ষীরা শনিবার ভোর রাতে মৃগামারী খালে যৌথ অভিযান চালান। এ সময় একটি নৌকাসহ ৪ শিকারিকে আটক করা হয়।
অভিযানকালে নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ৩০০ ফুট হরিণ ধরার মালা ফাঁদ, ৭টি ঝুড়িতে রাখা আড়াই মণ কাঁকড়া, কাঁকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারুসহ অন্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন–মোংলা উপজেলার দক্ষিণ চিলা গ্রামের ফরিদ হাওলাদার , আতাউর খান, মোজাম জোমাদ্দার ও রুহুল জোমাদ্দার।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ আহরণে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আটক ব্যক্তিরা সুন্দরবনে প্রবেশ করে হরিণ শিকারের চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি কাঁকড়া আহরণ করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে।

সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ আটক ৪
বাগেরহাট সংবাদদাতা

পূর্ব সুন্দরবনের মৃগামারী খাল থেকে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ চার শিকারিকে আটক করেছেন বনরক্ষীরা। এ সময় একটি নৌকা, আড়াই মণ কাঁকড়া এবং কাঁকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারু জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে আটক ব্যক্তিদের বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা (এসিএফ) দ্বীপন চন্দ্র দাস জানান, চাঁদপাই ফরেস্ট স্টেশন ও আন্ধারমানিক ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্রের বনরক্ষীরা শনিবার ভোর রাতে মৃগামারী খালে যৌথ অভিযান চালান। এ সময় একটি নৌকাসহ ৪ শিকারিকে আটক করা হয়।
অভিযানকালে নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে ৩০০ ফুট হরিণ ধরার মালা ফাঁদ, ৭টি ঝুড়িতে রাখা আড়াই মণ কাঁকড়া, কাঁকড়া ধরার ৫০টি নিষিদ্ধ চারুসহ অন্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন–মোংলা উপজেলার দক্ষিণ চিলা গ্রামের ফরিদ হাওলাদার , আতাউর খান, মোজাম জোমাদ্দার ও রুহুল জোমাদ্দার।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করীম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সুন্দরবনে মাছ আহরণে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আটক ব্যক্তিরা সুন্দরবনে প্রবেশ করে হরিণ শিকারের চেষ্টা চালানোর পাশাপাশি কাঁকড়া আহরণ করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হয়েছে।




