ডায়মন্ড লাইফের অংশীদারত্ব নিয়ে সফটলজিক লাইফের যাত্রা শুরু

ডায়মন্ড লাইফের অংশীদারত্ব নিয়ে সফটলজিক লাইফের যাত্রা শুরু
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সতেরো কোটিরও বেশি মানুষের জন্য জীবন বীমা খাতে যুক্ত হলো শ্রীলঙ্কার সফলতম স্বাস্থ্য বীমা প্রতিষ্ঠান সফটলজিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। প্রায় এক দশকের প্রমাণিত প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ৬০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে, বাংলাদেশের জীবনবীমা খাতে এটিকে প্রথম এ ধরনের অধিগ্রহণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে সফটলজিক লাইফ। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনাময় বীমাবাজারগুলোর একটি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সম্ভাবনার তুলনায় বীমার প্রসার এখনো সীমিত। তবে ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিস্তার, আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ায় জীবনবীমার চাহিদাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাময় বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে আসছে সফটলজিক লাইফ। প্রতিষ্ঠানটি শুধু মুনাফার আশায় আর্থিক বিনিয়োগকারী হিসেবে নয়, বরং সাধারণ গ্রাহকের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে এক দশকের অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পলিসিধারীদের জন্য আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর বীমাসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশের বাজারে সফটলজিক লাইফের আত্মবিশ্বাসের মূল ভিত্তি হলো নিজ দেশে গত এক দশকের সফল পথচলা। গত ১০ বছরে প্রতিষ্ঠানটি একটি দ্রুত বেড়ে ওঠা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান থেকে শ্রীলঙ্কার অন্যতম বৃহৎ জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষভাবে গ্রাহকের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবীমা সেবার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। পরিকল্পিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম, নিয়মিত নতুন পণ্য ও সেবা উদ্ভাবন এবং গ্রাহকের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে সফটলজিক লাইফ গত এক দশকে প্রায় ১০ গুণ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রবৃদ্ধির গতি আরও বেড়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি, অভিজ্ঞতা, সক্ষমতা ও বাজার পরিচালনার দক্ষতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
গত চার বছর ধরে সফটলজিক লাইফ ধারাবাহিক সফলতার ধারা বজায় রেখেছে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রস রিটেন প্রিমিয়াম (জিডাব্লিওপি), কর-পূর্ব মুনাফা (পিবিটি), কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)–সবগুলোই দ্বিগুণ হয়েছে। এই সাফল্য এসেছে পরিকল্পিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবসায়িক কার্যক্রম, বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি এবং ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক ও অংশীদারদের জন্য মূল্য তৈরি করার মাধ্যমে। দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানটি বিমা শিল্পের গড় প্রবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।
গত ১০ বছরে সফটলজিক লাইফের জিডাব্লিওপি-এর বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) ছিল ২৬ শতাংশ, যেখানে শিল্পের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ শতাংশ। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে ৩০ শতাংশের বেশি রিটার্ন অন ইক্যুইটি (আরওই) বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই অগ্রযাত্রার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি শ্রীলঙ্কায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বীমা প্রতিষ্ঠান অ্যালিয়াঞ্জের স্থানীয় কার্যক্রম অ্যালিয়াঞ্জ লাইফ ইনস্যুরেন্স লঙ্কা অধিগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মূলধন সক্ষমতা ও পরিচালন কাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান নরফান্ড এবং ওপি ফিনফান্ডের কৌশলগত বিনিয়োগ সফটলজিক লাইফের আর্থিক ভিত্তি ও করপোরেট সুশাসন আরও মজবুত করেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলছে।
জীবনবীমার ক্ষেত্রে গ্রাহকের আস্থা সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে– যখন কোনো পরিবার বিমার দাবি (ক্লেইম) নিয়ে প্রতিষ্ঠানের কাছে আসে। আর এই জায়গাতেই বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চায় সফটলজিক লাইফ। শ্রীলঙ্কায় স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বীমার দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। শুধু কত বেশি পরিমাণ দাবি পরিশোধ করছে তা নয়, বরং কত দ্রুততার সঙ্গে গ্রাহকদের দাবি মেটানো হচ্ছে– সেটিও সফটলজিক লাইফের অন্যতম শক্তি। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্লেইম প্রসেসিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আগে যেখানে দীর্ঘ সময় ও কাগজপত্রনির্ভর প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতো, সেটিকে আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করেছে। এর ফলে গ্রাহকেরা কম সময়ে বেশি কার্যকরভাবে বিমা দাবি নিষ্পত্তির সুবিধা পাচ্ছেন। এই দ্রুত, স্বচ্ছ ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার কারণেই সফটলজিক লাইফ শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে বড় গ্রাহকভিত্তির আস্থা অর্জন করেছে।
পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গেও বৈশ্বিক পর্যায়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সফটলজিক লাইফের সেবার মান ও সক্ষমতা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার সময়ও একই অভিজ্ঞতা ও সফল পদ্ধতি কাজে লাগাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি– যার মধ্যে রয়েছে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী বীমাপণ্য তৈরি, শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল বিতরণ ব্যবস্থা, দ্রুত ও কার্যকর ক্লেইম নিষ্পত্তি, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম এবং শক্তিশালী করপোরেট সুশাসন।
শ্রীলঙ্কার বাজারে নিজেদের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রবেশকে বৃহত্তর আঞ্চলিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছে সফটলজিক লাইফ। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, শ্রীলঙ্কায় তাদের সাফল্যের পেছনে থাকা শৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, দ্রুত ও কার্যকর ক্লেইম এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য বাজারেও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করতে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশের সতেরো কোটিরও বেশি মানুষের জন্য জীবন বীমা খাতে যুক্ত হলো শ্রীলঙ্কার সফলতম স্বাস্থ্য বীমা প্রতিষ্ঠান সফটলজিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। প্রায় এক দশকের প্রমাণিত প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ৬০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে, বাংলাদেশের জীবনবীমা খাতে এটিকে প্রথম এ ধরনের অধিগ্রহণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে সফটলজিক লাইফ। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনাময় বীমাবাজারগুলোর একটি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সম্ভাবনার তুলনায় বীমার প্রসার এখনো সীমিত। তবে ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিস্তার, আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ায় জীবনবীমার চাহিদাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাময় বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে আসছে সফটলজিক লাইফ। প্রতিষ্ঠানটি শুধু মুনাফার আশায় আর্থিক বিনিয়োগকারী হিসেবে নয়, বরং সাধারণ গ্রাহকের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে এক দশকের অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পলিসিধারীদের জন্য আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর বীমাসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশের বাজারে সফটলজিক লাইফের আত্মবিশ্বাসের মূল ভিত্তি হলো নিজ দেশে গত এক দশকের সফল পথচলা। গত ১০ বছরে প্রতিষ্ঠানটি একটি দ্রুত বেড়ে ওঠা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান থেকে শ্রীলঙ্কার অন্যতম বৃহৎ জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষভাবে গ্রাহকের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবীমা সেবার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। পরিকল্পিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম, নিয়মিত নতুন পণ্য ও সেবা উদ্ভাবন এবং গ্রাহকের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে সফটলজিক লাইফ গত এক দশকে প্রায় ১০ গুণ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রবৃদ্ধির গতি আরও বেড়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি, অভিজ্ঞতা, সক্ষমতা ও বাজার পরিচালনার দক্ষতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
গত চার বছর ধরে সফটলজিক লাইফ ধারাবাহিক সফলতার ধারা বজায় রেখেছে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রস রিটেন প্রিমিয়াম (জিডাব্লিওপি), কর-পূর্ব মুনাফা (পিবিটি), কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)–সবগুলোই দ্বিগুণ হয়েছে। এই সাফল্য এসেছে পরিকল্পিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবসায়িক কার্যক্রম, বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি এবং ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক ও অংশীদারদের জন্য মূল্য তৈরি করার মাধ্যমে। দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানটি বিমা শিল্পের গড় প্রবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।
গত ১০ বছরে সফটলজিক লাইফের জিডাব্লিওপি-এর বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) ছিল ২৬ শতাংশ, যেখানে শিল্পের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ শতাংশ। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে ৩০ শতাংশের বেশি রিটার্ন অন ইক্যুইটি (আরওই) বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই অগ্রযাত্রার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি শ্রীলঙ্কায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বীমা প্রতিষ্ঠান অ্যালিয়াঞ্জের স্থানীয় কার্যক্রম অ্যালিয়াঞ্জ লাইফ ইনস্যুরেন্স লঙ্কা অধিগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মূলধন সক্ষমতা ও পরিচালন কাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান নরফান্ড এবং ওপি ফিনফান্ডের কৌশলগত বিনিয়োগ সফটলজিক লাইফের আর্থিক ভিত্তি ও করপোরেট সুশাসন আরও মজবুত করেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলছে।
জীবনবীমার ক্ষেত্রে গ্রাহকের আস্থা সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে– যখন কোনো পরিবার বিমার দাবি (ক্লেইম) নিয়ে প্রতিষ্ঠানের কাছে আসে। আর এই জায়গাতেই বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চায় সফটলজিক লাইফ। শ্রীলঙ্কায় স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বীমার দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। শুধু কত বেশি পরিমাণ দাবি পরিশোধ করছে তা নয়, বরং কত দ্রুততার সঙ্গে গ্রাহকদের দাবি মেটানো হচ্ছে– সেটিও সফটলজিক লাইফের অন্যতম শক্তি। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্লেইম প্রসেসিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আগে যেখানে দীর্ঘ সময় ও কাগজপত্রনির্ভর প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতো, সেটিকে আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করেছে। এর ফলে গ্রাহকেরা কম সময়ে বেশি কার্যকরভাবে বিমা দাবি নিষ্পত্তির সুবিধা পাচ্ছেন। এই দ্রুত, স্বচ্ছ ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার কারণেই সফটলজিক লাইফ শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে বড় গ্রাহকভিত্তির আস্থা অর্জন করেছে।
পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গেও বৈশ্বিক পর্যায়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সফটলজিক লাইফের সেবার মান ও সক্ষমতা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার সময়ও একই অভিজ্ঞতা ও সফল পদ্ধতি কাজে লাগাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি– যার মধ্যে রয়েছে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী বীমাপণ্য তৈরি, শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল বিতরণ ব্যবস্থা, দ্রুত ও কার্যকর ক্লেইম নিষ্পত্তি, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম এবং শক্তিশালী করপোরেট সুশাসন।
শ্রীলঙ্কার বাজারে নিজেদের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রবেশকে বৃহত্তর আঞ্চলিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছে সফটলজিক লাইফ। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, শ্রীলঙ্কায় তাদের সাফল্যের পেছনে থাকা শৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, দ্রুত ও কার্যকর ক্লেইম এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য বাজারেও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করতে সক্ষম হবে।

ডায়মন্ড লাইফের অংশীদারত্ব নিয়ে সফটলজিক লাইফের যাত্রা শুরু
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সতেরো কোটিরও বেশি মানুষের জন্য জীবন বীমা খাতে যুক্ত হলো শ্রীলঙ্কার সফলতম স্বাস্থ্য বীমা প্রতিষ্ঠান সফটলজিক লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি। প্রায় এক দশকের প্রমাণিত প্রবৃদ্ধির অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ডায়মন্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ৬০ শতাংশ শেয়ার অধিগ্রহণ করেছে, বাংলাদেশের জীবনবীমা খাতে এটিকে প্রথম এ ধরনের অধিগ্রহণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে সফটলজিক লাইফ। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার সম্ভাবনাময় বীমাবাজারগুলোর একটি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সম্ভাবনার তুলনায় বীমার প্রসার এখনো সীমিত। তবে ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিস্তার, আর্থিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ায় জীবনবীমার চাহিদাও ধীরে ধীরে বাড়ছে। বাংলাদেশের এই সম্ভাবনাময় বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ভূমিকা রাখার লক্ষ্য নিয়ে আসছে সফটলজিক লাইফ। প্রতিষ্ঠানটি শুধু মুনাফার আশায় আর্থিক বিনিয়োগকারী হিসেবে নয়, বরং সাধারণ গ্রাহকের আস্থা অর্জন এবং সেবার মান উন্নয়নে এক দশকের অর্জিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পলিসিধারীদের জন্য আরও সহজ, স্বচ্ছ ও কার্যকর বীমাসেবা নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলাদেশের বাজারে সফটলজিক লাইফের আত্মবিশ্বাসের মূল ভিত্তি হলো নিজ দেশে গত এক দশকের সফল পথচলা। গত ১০ বছরে প্রতিষ্ঠানটি একটি দ্রুত বেড়ে ওঠা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান থেকে শ্রীলঙ্কার অন্যতম বৃহৎ জীবনবীমা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষভাবে গ্রাহকের সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যবীমা সেবার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। পরিকল্পিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম, নিয়মিত নতুন পণ্য ও সেবা উদ্ভাবন এবং গ্রাহকের প্রয়োজনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার মাধ্যমে সফটলজিক লাইফ গত এক দশকে প্রায় ১০ গুণ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই প্রবৃদ্ধির গতি আরও বেড়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির আঞ্চলিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি, অভিজ্ঞতা, সক্ষমতা ও বাজার পরিচালনার দক্ষতাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
গত চার বছর ধরে সফটলজিক লাইফ ধারাবাহিক সফলতার ধারা বজায় রেখেছে। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির গ্রস রিটেন প্রিমিয়াম (জিডাব্লিওপি), কর-পূর্ব মুনাফা (পিবিটি), কর-পরবর্তী মুনাফা (পিএটি) এবং শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস)–সবগুলোই দ্বিগুণ হয়েছে। এই সাফল্য এসেছে পরিকল্পিত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ ব্যবসায়িক কার্যক্রম, বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি এবং ধারাবাহিকভাবে গ্রাহক ও অংশীদারদের জন্য মূল্য তৈরি করার মাধ্যমে। দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানটি বিমা শিল্পের গড় প্রবৃদ্ধির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে।
গত ১০ বছরে সফটলজিক লাইফের জিডাব্লিওপি-এর বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি (সিএজিআর) ছিল ২৬ শতাংশ, যেখানে শিল্পের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ১৬ শতাংশ। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে ৩০ শতাংশের বেশি রিটার্ন অন ইক্যুইটি (আরওই) বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। এই অগ্রযাত্রার অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি শ্রীলঙ্কায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বীমা প্রতিষ্ঠান অ্যালিয়াঞ্জের স্থানীয় কার্যক্রম অ্যালিয়াঞ্জ লাইফ ইনস্যুরেন্স লঙ্কা অধিগ্রহণের মাধ্যমে নিজেদের মূলধন সক্ষমতা ও পরিচালন কাঠামো আরও শক্তিশালী করেছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান নরফান্ড এবং ওপি ফিনফান্ডের কৌশলগত বিনিয়োগ সফটলজিক লাইফের আর্থিক ভিত্তি ও করপোরেট সুশাসন আরও মজবুত করেছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং উন্নত গ্রাহক অভিজ্ঞতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে নিজেদের কার্যক্রমকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলছে।
জীবনবীমার ক্ষেত্রে গ্রাহকের আস্থা সবচেয়ে বেশি তৈরি হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে– যখন কোনো পরিবার বিমার দাবি (ক্লেইম) নিয়ে প্রতিষ্ঠানের কাছে আসে। আর এই জায়গাতেই বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে চায় সফটলজিক লাইফ। শ্রীলঙ্কায় স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা বীমার দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে অন্যতম শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। শুধু কত বেশি পরিমাণ দাবি পরিশোধ করছে তা নয়, বরং কত দ্রুততার সঙ্গে গ্রাহকদের দাবি মেটানো হচ্ছে– সেটিও সফটলজিক লাইফের অন্যতম শক্তি। প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্লেইম প্রসেসিং ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি আগে যেখানে দীর্ঘ সময় ও কাগজপত্রনির্ভর প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হতো, সেটিকে আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করেছে। এর ফলে গ্রাহকেরা কম সময়ে বেশি কার্যকরভাবে বিমা দাবি নিষ্পত্তির সুবিধা পাচ্ছেন। এই দ্রুত, স্বচ্ছ ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার কারণেই সফটলজিক লাইফ শ্রীলঙ্কায় সবচেয়ে বড় গ্রাহকভিত্তির আস্থা অর্জন করেছে।
পাশাপাশি সম্প্রতি বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গেও বৈশ্বিক পর্যায়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সফটলজিক লাইফের সেবার মান ও সক্ষমতা তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার সময়ও একই অভিজ্ঞতা ও সফল পদ্ধতি কাজে লাগাতে চায় প্রতিষ্ঠানটি– যার মধ্যে রয়েছে গ্রাহকের প্রয়োজন অনুযায়ী বীমাপণ্য তৈরি, শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল বিতরণ ব্যবস্থা, দ্রুত ও কার্যকর ক্লেইম নিষ্পত্তি, প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম এবং শক্তিশালী করপোরেট সুশাসন।
শ্রীলঙ্কার বাজারে নিজেদের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রবেশকে বৃহত্তর আঞ্চলিক সম্প্রসারণ পরিকল্পনার প্রথম ধাপ হিসেবে দেখছে সফটলজিক লাইফ। প্রতিষ্ঠানটি মনে করে, শ্রীলঙ্কায় তাদের সাফল্যের পেছনে থাকা শৃঙ্খলাপূর্ণ কার্যক্রম, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, দ্রুত ও কার্যকর ক্লেইম এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার অভিজ্ঞতা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য বাজারেও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য তৈরি করতে সক্ষম হবে।

বীমা দাবি পরিশোধে কঠোর অবস্থানে আইডিআরএ







