রামকে ‘অবমাননার’ প্রতিবাদে শাহবাগে মশাল মিছিল

রামকে ‘অবমাননার’ প্রতিবাদে শাহবাগে মশাল মিছিল
সিটিজেন ডেস্ক

গাইবান্ধায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দেবতা শ্রী রামচন্দ্রের ছবি অবমাননার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছে ‘ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ’।
শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহবাগ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। এ সময় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মিছিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, শ্রী রামচন্দ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পূজনীয় দেবতা। সম্প্রতি একটি গোষ্ঠী তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর পর আরেকটি গোষ্ঠী তার ছবি অবমাননা করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা দাবি করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সনাতন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। তারা বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে চায়। কিন্তু একটি চক্র সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করছে। এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, গত কয়েক বছরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বহু হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং বিভিন্ন মামলা দায়ের হলেও অধিকাংশ ঘটনার বিচার হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে সেসব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যায় না। বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশ থেকে দ্রুত বিচার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

গাইবান্ধায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দেবতা শ্রী রামচন্দ্রের ছবি অবমাননার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছে ‘ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ’।
শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহবাগ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। এ সময় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মিছিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, শ্রী রামচন্দ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পূজনীয় দেবতা। সম্প্রতি একটি গোষ্ঠী তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর পর আরেকটি গোষ্ঠী তার ছবি অবমাননা করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা দাবি করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সনাতন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। তারা বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে চায়। কিন্তু একটি চক্র সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করছে। এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, গত কয়েক বছরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বহু হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং বিভিন্ন মামলা দায়ের হলেও অধিকাংশ ঘটনার বিচার হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে সেসব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যায় না। বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশ থেকে দ্রুত বিচার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।

রামকে ‘অবমাননার’ প্রতিবাদে শাহবাগে মশাল মিছিল
সিটিজেন ডেস্ক

গাইবান্ধায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দেবতা শ্রী রামচন্দ্রের ছবি অবমাননার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছে ‘ঐক্যবদ্ধ সনাতনী সমাজ’।
শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে শাহবাগ চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা। এ সময় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়।
মিছিল শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, শ্রী রামচন্দ্র সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পূজনীয় দেবতা। সম্প্রতি একটি গোষ্ঠী তাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানোর পর আরেকটি গোষ্ঠী তার ছবি অবমাননা করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা দাবি করেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সনাতন সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। তারা বলেন, বাংলাদেশে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করতে চায়। কিন্তু একটি চক্র সাম্প্রদায়িক বিভাজন সৃষ্টি করে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করছে। এ ধরনের অপতৎপরতা প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, গত কয়েক বছরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর বহু হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং বিভিন্ন মামলা দায়ের হলেও অধিকাংশ ঘটনার বিচার হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের ঘটনায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি এখনও অব্যাহত রয়েছে।
বক্তারা বলেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সরকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে সেসব প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখা যায় না। বর্তমান সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সমাবেশ থেকে দ্রুত বিচার না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণারও হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।




