১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ট্রাস্ট গোল্ডের মালিক গ্রেপ্তার

১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ট্রাস্ট গোল্ডের মালিক গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এলাকায় যৌথ ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক সৌমেন সাহাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ।
এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, ২০২০ সালে ধানমন্ডির মেট্রো শপিং মলে ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীর সঙ্গে ব্যবসায়িক কারণে পরিচিত হয় অভিযুক্ত সৌমেন সাহার। করোনাকালীন সময়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক ও বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ২০২৩ সালের সৌমেন সাহা দুবাই থেকে স্বর্ণ ক্রয়ের কথা বলে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা হাওলাত নেন। পরে গুলশানের পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিং মলে ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ নামে একটি নতুন দোকান চালুর প্রস্তাব দিয়ে ব্যবসায় পার্টনার বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা নেন।
এতে আরও বলা হয়, সৌমেন সাহা এভাবে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা ও চেকের মাধ্যমে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। বিনিয়োগের পর সৌমেন সাহা ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীকে ব্যবসার কোনো লভ্যাংশ বা হিসাব না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে টালবাহানা করে। ভুক্তভোগী পুনরায় হিসাব দাবি করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাতিরঝিল এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাজধানীর গুলশান এলাকায় যৌথ ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক সৌমেন সাহাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ।
এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, ২০২০ সালে ধানমন্ডির মেট্রো শপিং মলে ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীর সঙ্গে ব্যবসায়িক কারণে পরিচিত হয় অভিযুক্ত সৌমেন সাহার। করোনাকালীন সময়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক ও বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ২০২৩ সালের সৌমেন সাহা দুবাই থেকে স্বর্ণ ক্রয়ের কথা বলে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা হাওলাত নেন। পরে গুলশানের পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিং মলে ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ নামে একটি নতুন দোকান চালুর প্রস্তাব দিয়ে ব্যবসায় পার্টনার বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা নেন।
এতে আরও বলা হয়, সৌমেন সাহা এভাবে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা ও চেকের মাধ্যমে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। বিনিয়োগের পর সৌমেন সাহা ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীকে ব্যবসার কোনো লভ্যাংশ বা হিসাব না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে টালবাহানা করে। ভুক্তভোগী পুনরায় হিসাব দাবি করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাতিরঝিল এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, ট্রাস্ট গোল্ডের মালিক গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর গুলশান এলাকায় যৌথ ব্যবসায় বিনিয়োগের নামে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ নামক প্রতিষ্ঠানের মালিক সৌমেন সাহাকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ।
এক বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানায়, ২০২০ সালে ধানমন্ডির মেট্রো শপিং মলে ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীর সঙ্গে ব্যবসায়িক কারণে পরিচিত হয় অভিযুক্ত সৌমেন সাহার। করোনাকালীন সময়ে তাদের মধ্যে পারিবারিক সম্পর্ক ও বিশ্বাসের ভিত্তি গড়ে ওঠে। ২০২৩ সালের সৌমেন সাহা দুবাই থেকে স্বর্ণ ক্রয়ের কথা বলে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা হাওলাত নেন। পরে গুলশানের পুলিশ প্লাজা কনকর্ড শপিং মলে ‘ট্রাস্ট গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ড লিমিটেড’ নামে একটি নতুন দোকান চালুর প্রস্তাব দিয়ে ব্যবসায় পার্টনার বানানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা নেন।
এতে আরও বলা হয়, সৌমেন সাহা এভাবে বিভিন্ন সময়ে নগদ টাকা ও চেকের মাধ্যমে ১৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। বিনিয়োগের পর সৌমেন সাহা ভুক্তভোগী বিপ্লব চক্রবর্তীকে ব্যবসার কোনো লভ্যাংশ বা হিসাব না দিয়ে বিভিন্ন অজুহাতে টালবাহানা করে। ভুক্তভোগী পুনরায় হিসাব দাবি করলে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
মামলার পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে হাতিরঝিল এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে গুলশান থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

রাজধানীজুড়ে পুলিশের বিশেষ অভিযান, গ্রেপ্তার ৪২৪


