ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূ নিহত

ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূ নিহত
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় প্রাইভেটকার থেকে ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে মুক্তা আক্তার নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
মুমূর্ষু অবস্থায় ওই গৃহবধূকে স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক দুপুর ২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মুক্তার স্বামী লিমন হোসেন জানান, তারা দক্ষিণখান ফায়দাবাদ এলাকায় ভাড়া থাকেন। তিনি নিজে পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার স্ত্রী মুক্তা গৃহিণী। সকালে তার স্ত্রী ঈদ মার্কেট করতে ব্যাটারিচালিত রিকশায় পল্লবীর একটি মার্কেটে যাচ্ছিলো। উত্তরা দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি প্রাইভেটকার থেকে হাত বাড়িয়ে তার স্ত্রীর ব্যাগ হ্যাঁচকা টান মারে। এতে তার স্ত্রী রিকশা থেকে রাস্তায় পরে গুরুতর আহত হয়।
পথচারীরা তার স্ত্রীকে প্রথমে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে গিয়ে তার স্ত্রীকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পায়। সেখানে চিকিৎসা সেবা বিলম্বিত হওয়ায় টঙ্গী আহসানউল্লাহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পঙ্গ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী মুক্তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার সোনাপাড়া গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল জলিল। দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, দুপুরের দিকে ওই গৃহবধুকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছন। ওই গৃহবধূর মাথাও কপালে আঘাত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তুরাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

রাজধানীর উত্তরায় প্রাইভেটকার থেকে ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে মুক্তা আক্তার নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
মুমূর্ষু অবস্থায় ওই গৃহবধূকে স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক দুপুর ২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মুক্তার স্বামী লিমন হোসেন জানান, তারা দক্ষিণখান ফায়দাবাদ এলাকায় ভাড়া থাকেন। তিনি নিজে পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার স্ত্রী মুক্তা গৃহিণী। সকালে তার স্ত্রী ঈদ মার্কেট করতে ব্যাটারিচালিত রিকশায় পল্লবীর একটি মার্কেটে যাচ্ছিলো। উত্তরা দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি প্রাইভেটকার থেকে হাত বাড়িয়ে তার স্ত্রীর ব্যাগ হ্যাঁচকা টান মারে। এতে তার স্ত্রী রিকশা থেকে রাস্তায় পরে গুরুতর আহত হয়।
পথচারীরা তার স্ত্রীকে প্রথমে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে গিয়ে তার স্ত্রীকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পায়। সেখানে চিকিৎসা সেবা বিলম্বিত হওয়ায় টঙ্গী আহসানউল্লাহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পঙ্গ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী মুক্তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার সোনাপাড়া গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল জলিল। দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, দুপুরের দিকে ওই গৃহবধুকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছন। ওই গৃহবধূর মাথাও কপালে আঘাত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তুরাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।

ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে গৃহবধূ নিহত
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর উত্তরায় প্রাইভেটকার থেকে ছিনতাইকারীর হ্যাঁচকা টানে রিকশা থেকে পড়ে মুক্তা আক্তার নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে এ ঘটনা ঘটে।
মুমূর্ষু অবস্থায় ওই গৃহবধূকে স্বজনরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক দুপুর ২টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মুক্তার স্বামী লিমন হোসেন জানান, তারা দক্ষিণখান ফায়দাবাদ এলাকায় ভাড়া থাকেন। তিনি নিজে পোশাক কারখানায় কাজ করেন। তার স্ত্রী মুক্তা গৃহিণী। সকালে তার স্ত্রী ঈদ মার্কেট করতে ব্যাটারিচালিত রিকশায় পল্লবীর একটি মার্কেটে যাচ্ছিলো। উত্তরা দক্ষিণ মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি প্রাইভেটকার থেকে হাত বাড়িয়ে তার স্ত্রীর ব্যাগ হ্যাঁচকা টান মারে। এতে তার স্ত্রী রিকশা থেকে রাস্তায় পরে গুরুতর আহত হয়।
পথচারীরা তার স্ত্রীকে প্রথমে উত্তরা আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে গিয়ে তার স্ত্রীকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পায়। সেখানে চিকিৎসা সেবা বিলম্বিত হওয়ায় টঙ্গী আহসানউল্লাহ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পঙ্গু হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। পঙ্গ হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, তার স্ত্রী মুক্তার গ্রামের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার সোনাপাড়া গ্রামে। বাবার নাম আব্দুল জলিল। দুই বছর আগে তাদের বিয়ে হয়।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক বলেন, দুপুরের দিকে ওই গৃহবধুকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছন। ওই গৃহবধূর মাথাও কপালে আঘাত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তুরাগ থানা পুলিশ তদন্ত করছে।




