ইউএস-বাংলার বিমানের ইঞ্জিনে ত্রুটি, দরজা ভেঙে নামানো হলো যাত্রীদের

ইউএস-বাংলার বিমানের ইঞ্জিনে ত্রুটি, দরজা ভেঙে নামানো হলো যাত্রীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের প্রস্তুতিকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের জরুরি ভিত্তিতে বিমানের দরজা ভেঙে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় বিমানের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা হুড়োহুড়ির ঘটনাও ঘটে।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রামগামী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে। বিমানটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন।
এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, উড্ডয়নের প্রস্তুতি হিসেবে বিমানটি রানওয়ের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় ককপিটের মনিটরিং সিস্টেমে একটি অগ্নি-সতর্ক সংকেত (ফায়ার ওয়ার্নিং) প্রদর্শিত হয়। বিষয়টি টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাইলট বিমানটি থামিয়ে দেন এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে অবহিত করেন।
হঠাৎ এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় বিমানের ভেতরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের দ্রুত বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় অনেক যাত্রী নিজেদের লাগেজ সংগ্রহের চেষ্টা করলে কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ককপিটে অগ্নি-সতর্ক সংকেত দেখা দেওয়ার পর পাইলট আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কারিগরি ত্রুটি শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফ্লাইটটি পুনরায় যাত্রার অনুমতি পায়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৭টায় ফ্লাইটটির ঢাকা ছাড়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এটি সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে উড্ডয়নের আগে নিরাপত্তা সতর্কতা কার্যকর হওয়ায় সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের প্রস্তুতিকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের জরুরি ভিত্তিতে বিমানের দরজা ভেঙে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় বিমানের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা হুড়োহুড়ির ঘটনাও ঘটে।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রামগামী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে। বিমানটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন।
এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, উড্ডয়নের প্রস্তুতি হিসেবে বিমানটি রানওয়ের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় ককপিটের মনিটরিং সিস্টেমে একটি অগ্নি-সতর্ক সংকেত (ফায়ার ওয়ার্নিং) প্রদর্শিত হয়। বিষয়টি টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাইলট বিমানটি থামিয়ে দেন এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে অবহিত করেন।
হঠাৎ এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় বিমানের ভেতরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের দ্রুত বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় অনেক যাত্রী নিজেদের লাগেজ সংগ্রহের চেষ্টা করলে কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ককপিটে অগ্নি-সতর্ক সংকেত দেখা দেওয়ার পর পাইলট আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কারিগরি ত্রুটি শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফ্লাইটটি পুনরায় যাত্রার অনুমতি পায়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৭টায় ফ্লাইটটির ঢাকা ছাড়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এটি সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে উড্ডয়নের আগে নিরাপত্তা সতর্কতা কার্যকর হওয়ায় সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ইউএস-বাংলার বিমানের ইঞ্জিনে ত্রুটি, দরজা ভেঙে নামানো হলো যাত্রীদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড্ডয়নের প্রস্তুতিকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের জরুরি ভিত্তিতে বিমানের দরজা ভেঙে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় বিমানের ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা হুড়োহুড়ির ঘটনাও ঘটে।
বুধবার (২৪ জুন) সকালে চট্টগ্রামগামী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে এ ঘটনা ঘটে। বিমানটিতে প্রায় ৭০ জন যাত্রী ছিলেন।
এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, উড্ডয়নের প্রস্তুতি হিসেবে বিমানটি রানওয়ের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় ককপিটের মনিটরিং সিস্টেমে একটি অগ্নি-সতর্ক সংকেত (ফায়ার ওয়ার্নিং) প্রদর্শিত হয়। বিষয়টি টের পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাইলট বিমানটি থামিয়ে দেন এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে অবহিত করেন।
হঠাৎ এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হওয়ায় বিমানের ভেতরে থাকা যাত্রীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের দ্রুত বিমান থেকে নামিয়ে আনা হয়। এ সময় অনেক যাত্রী নিজেদের লাগেজ সংগ্রহের চেষ্টা করলে কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়।
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম বলেন, ককপিটে অগ্নি-সতর্ক সংকেত দেখা দেওয়ার পর পাইলট আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কারিগরি ত্রুটি শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ফ্লাইটটি পুনরায় যাত্রার অনুমতি পায়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৭টায় ফ্লাইটটির ঢাকা ছাড়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত এটি সকাল ৮টার দিকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।
ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে উড্ডয়নের আগে নিরাপত্তা সতর্কতা কার্যকর হওয়ায় সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।




