ফুটপাতে নান্দনিক রূপ, স্বস্তি মিলেছে পথচারীদের

ফুটপাতে নান্দনিক রূপ, স্বস্তি মিলেছে পথচারীদের
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে সেখানে এক নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পথচারীদের বিশ্রামের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে বেঞ্চ, স্থাপন করা হয়েছে নতুন ডাস্টবিন। সীমানা প্রাচীর সংস্কারের পর সেখানে স্থান পেয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ ১০ জন গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি।
ফুটপাতের এমন রূপ দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পথচারী ও এলাকাবাসী। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সৌন্দর্যবর্ধন করলেই হবে না, হকাররা যেন ফেরত আসতে না পারে সে বিষয়েও নজরদারি রাখতে হবে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় ফুটপাতের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
ডিএনসিসি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নগরবাসী। স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, অত্যন্ত ভালো কাজ হয়েছে। এখন নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণে মনোযোগ দেওয়া।
ফুটপাতের বেঞ্চে বিশ্রাম নেওয়া কয়েকজন বলেন, সিটি করপোরেশন খুব সুন্দর উদ্যোগ নিয়েছে।

একজন রিকশাচালক বলেন, কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে এখানে বসে বিশ্রাম নেওয়া যাবে। আগে এই জায়গায় দোকানপাট ছিল। ময়লা-আবর্জনার কারণে পরিবেশ অনেক নোংরা ছিল। এখন খুব সুন্দর। তবে কতদিন ভালো থাকে তা-ই দেখার বিষয়।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আমিন বলেন, জায়গাটা এখন খুব সুন্দর ও পরিপাটি লাগছে। সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর উদ্যাোগ নেওয়ার জন্য। এখন আমাদের সবার লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আগের অবস্থায় ফিরে না যায়।
নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ফুটপাতে হকার উচ্ছেদের পর সেখানে সৌন্দর্যবর্ধনের এই কাজ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। তবে সিটি কর্পোরেশনকে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে যেন ফুটপাতে হকাররা ফেরত না আসতে পারে।
তিনি সতর্ক করেন, হকারদের ফুটপাতে বসানোর পেছনের যে চক্রটা কাজ করে, তারা সবসময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। তাই সিটি কর্পোরেশনকে অবশ্যই সবসময় মনিটরিং করতে হবে। স্থানীয়রাও নাগরিক কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারে।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না। হকারদের জন্য নির্ধারিত বিকল্প স্থান রয়েছে, তাদের সেখানেই ব্যবসা করতে হবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় নিষিদ্ধ স্থানে বসলে মালামাল ক্রোকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে সেখানে এক নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পথচারীদের বিশ্রামের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে বেঞ্চ, স্থাপন করা হয়েছে নতুন ডাস্টবিন। সীমানা প্রাচীর সংস্কারের পর সেখানে স্থান পেয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ ১০ জন গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি।
ফুটপাতের এমন রূপ দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পথচারী ও এলাকাবাসী। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সৌন্দর্যবর্ধন করলেই হবে না, হকাররা যেন ফেরত আসতে না পারে সে বিষয়েও নজরদারি রাখতে হবে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় ফুটপাতের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
ডিএনসিসি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নগরবাসী। স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, অত্যন্ত ভালো কাজ হয়েছে। এখন নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণে মনোযোগ দেওয়া।
ফুটপাতের বেঞ্চে বিশ্রাম নেওয়া কয়েকজন বলেন, সিটি করপোরেশন খুব সুন্দর উদ্যোগ নিয়েছে।

একজন রিকশাচালক বলেন, কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে এখানে বসে বিশ্রাম নেওয়া যাবে। আগে এই জায়গায় দোকানপাট ছিল। ময়লা-আবর্জনার কারণে পরিবেশ অনেক নোংরা ছিল। এখন খুব সুন্দর। তবে কতদিন ভালো থাকে তা-ই দেখার বিষয়।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আমিন বলেন, জায়গাটা এখন খুব সুন্দর ও পরিপাটি লাগছে। সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর উদ্যাোগ নেওয়ার জন্য। এখন আমাদের সবার লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আগের অবস্থায় ফিরে না যায়।
নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ফুটপাতে হকার উচ্ছেদের পর সেখানে সৌন্দর্যবর্ধনের এই কাজ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। তবে সিটি কর্পোরেশনকে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে যেন ফুটপাতে হকাররা ফেরত না আসতে পারে।
তিনি সতর্ক করেন, হকারদের ফুটপাতে বসানোর পেছনের যে চক্রটা কাজ করে, তারা সবসময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। তাই সিটি কর্পোরেশনকে অবশ্যই সবসময় মনিটরিং করতে হবে। স্থানীয়রাও নাগরিক কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারে।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না। হকারদের জন্য নির্ধারিত বিকল্প স্থান রয়েছে, তাদের সেখানেই ব্যবসা করতে হবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় নিষিদ্ধ স্থানে বসলে মালামাল ক্রোকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফুটপাতে নান্দনিক রূপ, স্বস্তি মিলেছে পথচারীদের
মো. ইমরান হোসেন

রাজধানীর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে সেখানে এক নান্দনিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। পথচারীদের বিশ্রামের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে বেঞ্চ, স্থাপন করা হয়েছে নতুন ডাস্টবিন। সীমানা প্রাচীর সংস্কারের পর সেখানে স্থান পেয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, সত্যজিৎ রায়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামসহ ১০ জন গুণী ব্যক্তিত্বের গ্রাফিতি।
ফুটপাতের এমন রূপ দেখে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন পথচারী ও এলাকাবাসী। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সৌন্দর্যবর্ধন করলেই হবে না, হকাররা যেন ফেরত আসতে না পারে সে বিষয়েও নজরদারি রাখতে হবে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় ফুটপাতের সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
ডিএনসিসি এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন নগরবাসী। স্থানীয় একজন বাসিন্দা বলেন, অত্যন্ত ভালো কাজ হয়েছে। এখন নাগরিক হিসেবে আমাদের উচিত এর যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণে মনোযোগ দেওয়া।
ফুটপাতের বেঞ্চে বিশ্রাম নেওয়া কয়েকজন বলেন, সিটি করপোরেশন খুব সুন্দর উদ্যোগ নিয়েছে।

একজন রিকশাচালক বলেন, কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে এখানে বসে বিশ্রাম নেওয়া যাবে। আগে এই জায়গায় দোকানপাট ছিল। ময়লা-আবর্জনার কারণে পরিবেশ অনেক নোংরা ছিল। এখন খুব সুন্দর। তবে কতদিন ভালো থাকে তা-ই দেখার বিষয়।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আমিন বলেন, জায়গাটা এখন খুব সুন্দর ও পরিপাটি লাগছে। সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ এতো সুন্দর উদ্যাোগ নেওয়ার জন্য। এখন আমাদের সবার লক্ষ্য রাখতে হবে যেন আগের অবস্থায় ফিরে না যায়।
নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ফুটপাতে হকার উচ্ছেদের পর সেখানে সৌন্দর্যবর্ধনের এই কাজ সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। তবে সিটি কর্পোরেশনকে নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে যেন ফুটপাতে হকাররা ফেরত না আসতে পারে।
তিনি সতর্ক করেন, হকারদের ফুটপাতে বসানোর পেছনের যে চক্রটা কাজ করে, তারা সবসময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে। তাই সিটি কর্পোরেশনকে অবশ্যই সবসময় মনিটরিং করতে হবে। স্থানীয়রাও নাগরিক কমিটি গঠনের মাধ্যমে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে পারে।
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেছেন, রাজধানীর সড়ক ও ফুটপাত দখল করে কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না। হকারদের জন্য নির্ধারিত বিকল্প স্থান রয়েছে, তাদের সেখানেই ব্যবসা করতে হবে। উচ্ছেদের পর কেউ পুনরায় নিষিদ্ধ স্থানে বসলে মালামাল ক্রোকসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দখলমুক্ত হওয়ার পর নতুন রূপে সেগুনবাগিচার ফুটপাত







