উচ্ছেদের পর রাত পোহাতেই আগের চেহারায় বাদামতলী

উচ্ছেদের পর রাত পোহাতেই আগের চেহারায় বাদামতলী
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

পুরান ঢাকার বাদামতলী ও বাবুবাজার এলাকায় সড়ক-ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও পার্কিং উচ্ছেদে টানা দুই দিন অভিযান চালানো হলেও স্থায়ী হয়নি এর প্রভাব। উচ্ছেদের একদিন পরই আবার আগের জায়গায় বসতে শুরু করেছে দোকানপাট। সড়কের পাশে ও ফুটপাত দখল করে ফের ব্যবসা পরিচালনা করতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। এতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাদামতলী মার্কেটসংলগ্ন এলাকা, বাদামতলী থেকে বাবুবাজার পর্যন্ত সড়ক এবং আশপাশের এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কয়েক দিন আগেও যেসব জায়গা অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনায় দখল ছিল, অভিযান চালিয়ে সেগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু একদিন না যেতেই অনেক জায়গায় ফের দোকান বসানো হয়েছে। কোথাও ফুটপাতের ওপর, আবার কোথাও সড়কের একাংশ দখল করে ফলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে দেখা যায়। অবৈধ এসব দোকানপাটের ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন লোক বাধা দেন। এ সময় তারা ভিডিও না করার জন্য প্রতিবেদককে চাপ দেন এবং তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নগর ভবনে এক সভায় বাদামতলী এলাকার অবৈধ পার্কিং ও স্থাপনা উচ্ছেদে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বাদামতলী এলাকার দীর্ঘদিনের অবৈধ পার্কিং ও স্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এরপর মঙ্গলবার ও বুধবার টানা দুই দিন অভিযান চালায় ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ২টা পর্যন্ত চলা অভিযানে অবৈধ পার্কিং ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি ২১টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হোটেল পরিচালনার অভিযোগে একজনকে আটক করে পুলিশ।
অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ডিএসসিসির ইজারা বাতিল করা চারটি ব্লকের অবৈধ স্থাপনা ও পার্কিংও উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে বাদামতলী থেকে ওয়াচঘাট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে থাকা অবৈধ পার্কিং, ফলের দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের সময় লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, অবৈধ দখল, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে সিটি করপোরেশনকে ভবিষ্যতে এসব জায়গা ইজারা না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। রাস্তার ওপর কোনো দোকান বসতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। রাস্তার ওপর ট্রাক রেখে পণ্য বিক্রি বা ব্যবসা পরিচালনার বিরুদ্ধেও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তবে শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, উচ্ছেদের পরও সেই নির্দেশনা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। আগের মতোই সড়ক ও ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে দোকান বসতে শুরু করেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, শুধু অভিযান ও উচ্ছেদ করে এসব অবৈধ দখল কতটা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানি বলেন, আমরা জানি রাস্তার ওপর দোকান বসানো ঠিক না। কিন্তু এখানে অনেক বছর ধরে ব্যবসা করে আসছি। উচ্ছেদ করে দিলে আমাদের আয় বন্ধ হয়ে যায়। কোথায় ব্যবসা করব, সেই ব্যবস্থা করে দিলে আমরা রাস্তার ওপর বসবো না।
আরেক দোকানি বলেন, বুধবার অভিযান চালিয়ে দোকান সরিয়ে দিয়েছিল। পরে আবার দোকান বসেছে। আমরা নিজেরাও বুঝতে পারছি, এভাবে বারবার উচ্ছেদ হলে ব্যবসা করা কঠিন। তবে বিকল্প জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়েই এখানে বসতে হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, উচ্ছেদের পর নিয়মিত নজরদারি না থাকলে কয়েক ঘণ্টা বা একদিনের মধ্যেই দখলদাররা আবার ফিরে আসে। এতে সরকারি অর্থ ও জনবল ব্যয় করে পরিচালিত অভিযানও কার্যত সাময়িক উদ্যোগে পরিণত হয়।
তাদের দাবি, উচ্ছেদের পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি, পুনরায় দখল ঠেকাতে ব্যবস্থা এবং সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে স্থায়ী পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মফিজুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

পুরান ঢাকার বাদামতলী ও বাবুবাজার এলাকায় সড়ক-ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও পার্কিং উচ্ছেদে টানা দুই দিন অভিযান চালানো হলেও স্থায়ী হয়নি এর প্রভাব। উচ্ছেদের একদিন পরই আবার আগের জায়গায় বসতে শুরু করেছে দোকানপাট। সড়কের পাশে ও ফুটপাত দখল করে ফের ব্যবসা পরিচালনা করতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। এতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাদামতলী মার্কেটসংলগ্ন এলাকা, বাদামতলী থেকে বাবুবাজার পর্যন্ত সড়ক এবং আশপাশের এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কয়েক দিন আগেও যেসব জায়গা অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনায় দখল ছিল, অভিযান চালিয়ে সেগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু একদিন না যেতেই অনেক জায়গায় ফের দোকান বসানো হয়েছে। কোথাও ফুটপাতের ওপর, আবার কোথাও সড়কের একাংশ দখল করে ফলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে দেখা যায়। অবৈধ এসব দোকানপাটের ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন লোক বাধা দেন। এ সময় তারা ভিডিও না করার জন্য প্রতিবেদককে চাপ দেন এবং তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নগর ভবনে এক সভায় বাদামতলী এলাকার অবৈধ পার্কিং ও স্থাপনা উচ্ছেদে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বাদামতলী এলাকার দীর্ঘদিনের অবৈধ পার্কিং ও স্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এরপর মঙ্গলবার ও বুধবার টানা দুই দিন অভিযান চালায় ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ২টা পর্যন্ত চলা অভিযানে অবৈধ পার্কিং ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি ২১টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হোটেল পরিচালনার অভিযোগে একজনকে আটক করে পুলিশ।
অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ডিএসসিসির ইজারা বাতিল করা চারটি ব্লকের অবৈধ স্থাপনা ও পার্কিংও উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে বাদামতলী থেকে ওয়াচঘাট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে থাকা অবৈধ পার্কিং, ফলের দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের সময় লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, অবৈধ দখল, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে সিটি করপোরেশনকে ভবিষ্যতে এসব জায়গা ইজারা না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। রাস্তার ওপর কোনো দোকান বসতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। রাস্তার ওপর ট্রাক রেখে পণ্য বিক্রি বা ব্যবসা পরিচালনার বিরুদ্ধেও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তবে শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, উচ্ছেদের পরও সেই নির্দেশনা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। আগের মতোই সড়ক ও ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে দোকান বসতে শুরু করেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, শুধু অভিযান ও উচ্ছেদ করে এসব অবৈধ দখল কতটা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানি বলেন, আমরা জানি রাস্তার ওপর দোকান বসানো ঠিক না। কিন্তু এখানে অনেক বছর ধরে ব্যবসা করে আসছি। উচ্ছেদ করে দিলে আমাদের আয় বন্ধ হয়ে যায়। কোথায় ব্যবসা করব, সেই ব্যবস্থা করে দিলে আমরা রাস্তার ওপর বসবো না।
আরেক দোকানি বলেন, বুধবার অভিযান চালিয়ে দোকান সরিয়ে দিয়েছিল। পরে আবার দোকান বসেছে। আমরা নিজেরাও বুঝতে পারছি, এভাবে বারবার উচ্ছেদ হলে ব্যবসা করা কঠিন। তবে বিকল্প জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়েই এখানে বসতে হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, উচ্ছেদের পর নিয়মিত নজরদারি না থাকলে কয়েক ঘণ্টা বা একদিনের মধ্যেই দখলদাররা আবার ফিরে আসে। এতে সরকারি অর্থ ও জনবল ব্যয় করে পরিচালিত অভিযানও কার্যত সাময়িক উদ্যোগে পরিণত হয়।
তাদের দাবি, উচ্ছেদের পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি, পুনরায় দখল ঠেকাতে ব্যবস্থা এবং সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে স্থায়ী পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মফিজুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

উচ্ছেদের পর রাত পোহাতেই আগের চেহারায় বাদামতলী
শেখ শাহরিয়ার হোসেন

পুরান ঢাকার বাদামতলী ও বাবুবাজার এলাকায় সড়ক-ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও পার্কিং উচ্ছেদে টানা দুই দিন অভিযান চালানো হলেও স্থায়ী হয়নি এর প্রভাব। উচ্ছেদের একদিন পরই আবার আগের জায়গায় বসতে শুরু করেছে দোকানপাট। সড়কের পাশে ও ফুটপাত দখল করে ফের ব্যবসা পরিচালনা করতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। এতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বাদামতলী মার্কেটসংলগ্ন এলাকা, বাদামতলী থেকে বাবুবাজার পর্যন্ত সড়ক এবং আশপাশের এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, কয়েক দিন আগেও যেসব জায়গা অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনায় দখল ছিল, অভিযান চালিয়ে সেগুলো সরিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু একদিন না যেতেই অনেক জায়গায় ফের দোকান বসানো হয়েছে। কোথাও ফুটপাতের ওপর, আবার কোথাও সড়কের একাংশ দখল করে ফলসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করতে দেখা যায়। অবৈধ এসব দোকানপাটের ভিডিও ধারণ করতে গেলে কয়েকজন লোক বাধা দেন। এ সময় তারা ভিডিও না করার জন্য প্রতিবেদককে চাপ দেন এবং তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) নগর ভবনে এক সভায় বাদামতলী এলাকার অবৈধ পার্কিং ও স্থাপনা উচ্ছেদে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। সভায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান বাদামতলী এলাকার দীর্ঘদিনের অবৈধ পার্কিং ও স্থাপনার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এরপর মঙ্গলবার ও বুধবার টানা দুই দিন অভিযান চালায় ট্রাফিক লালবাগ বিভাগ। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ২টা পর্যন্ত চলা অভিযানে অবৈধ পার্কিং ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদের পাশাপাশি ২১টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে হোটেল পরিচালনার অভিযোগে একজনকে আটক করে পুলিশ।
অভিযানে বাবুবাজার ব্রিজের নিচে ডিএসসিসির ইজারা বাতিল করা চারটি ব্লকের অবৈধ স্থাপনা ও পার্কিংও উচ্ছেদ করা হয়। একই সঙ্গে বাদামতলী থেকে ওয়াচঘাট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশে থাকা অবৈধ পার্কিং, ফলের দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।
অভিযানের সময় লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, অবৈধ দখল, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে সিটি করপোরেশনকে ভবিষ্যতে এসব জায়গা ইজারা না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। রাস্তার ওপর কোনো দোকান বসতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। রাস্তার ওপর ট্রাক রেখে পণ্য বিক্রি বা ব্যবসা পরিচালনার বিরুদ্ধেও অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
তবে শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, উচ্ছেদের পরও সেই নির্দেশনা পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। আগের মতোই সড়ক ও ফুটপাতের বিভিন্ন অংশে দোকান বসতে শুরু করেছে। ফলে প্রশ্ন উঠেছে, শুধু অভিযান ও উচ্ছেদ করে এসব অবৈধ দখল কতটা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা সম্ভব হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক দোকানি বলেন, আমরা জানি রাস্তার ওপর দোকান বসানো ঠিক না। কিন্তু এখানে অনেক বছর ধরে ব্যবসা করে আসছি। উচ্ছেদ করে দিলে আমাদের আয় বন্ধ হয়ে যায়। কোথায় ব্যবসা করব, সেই ব্যবস্থা করে দিলে আমরা রাস্তার ওপর বসবো না।
আরেক দোকানি বলেন, বুধবার অভিযান চালিয়ে দোকান সরিয়ে দিয়েছিল। পরে আবার দোকান বসেছে। আমরা নিজেরাও বুঝতে পারছি, এভাবে বারবার উচ্ছেদ হলে ব্যবসা করা কঠিন। তবে বিকল্প জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়েই এখানে বসতে হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, উচ্ছেদের পর নিয়মিত নজরদারি না থাকলে কয়েক ঘণ্টা বা একদিনের মধ্যেই দখলদাররা আবার ফিরে আসে। এতে সরকারি অর্থ ও জনবল ব্যয় করে পরিচালিত অভিযানও কার্যত সাময়িক উদ্যোগে পরিণত হয়।
তাদের দাবি, উচ্ছেদের পাশাপাশি নিয়মিত তদারকি, পুনরায় দখল ঠেকাতে ব্যবস্থা এবং সড়ক-ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে স্থায়ী পরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে লালবাগ ট্রাফিক বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মফিজুল ইসলামকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেন নি।

বাদামতলীর দুই শতাধিক অবৈধ পার্কিং-দোকান উচ্ছেদ করলো ডিএসসিসি-CznNewsLab-297090.jpg)






