শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের ২ নেতা বহিষ্কার

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের ২ নেতা বহিষ্কার
শাবিপ্রবি সংবাদদাতা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ করায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের দুই নেতাকে চার সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আগামী দুই বছর তাদের ক্যাম্পাসে অবস্থান ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান এবং পরিসংখ্যান বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তারেক রহমানকে চার সেমিস্টারের জন্য অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারকালীন সময়ে তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবেন না।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে হাসিবুর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক এবং তারেক শাখা ছাত্রদলের সহদপ্তর সম্পাদক।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম জানান, তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য উভয় অভিযুক্তকে সতর্ক করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তারেক রহমানের শাহপরান হলের আবাসিক আসন (সিট) বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে তিনি শিক্ষার্থী হিসেবে হলের আবাসিক সিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তার চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে।
উল্লেখ্য, হল ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে হলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিযোগ করায় গত ১৮ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে শাখা ছাত্রদলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পরদিন ১৯ জুলাই তাদের দুজনকে দলীয় পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ করায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের দুই নেতাকে চার সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আগামী দুই বছর তাদের ক্যাম্পাসে অবস্থান ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান এবং পরিসংখ্যান বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তারেক রহমানকে চার সেমিস্টারের জন্য অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারকালীন সময়ে তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবেন না।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে হাসিবুর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক এবং তারেক শাখা ছাত্রদলের সহদপ্তর সম্পাদক।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম জানান, তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য উভয় অভিযুক্তকে সতর্ক করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তারেক রহমানের শাহপরান হলের আবাসিক আসন (সিট) বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে তিনি শিক্ষার্থী হিসেবে হলের আবাসিক সিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তার চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে।
উল্লেখ্য, হল ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে হলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিযোগ করায় গত ১৮ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে শাখা ছাত্রদলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পরদিন ১৯ জুলাই তাদের দুজনকে দলীয় পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের ২ নেতা বহিষ্কার
শাবিপ্রবি সংবাদদাতা

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আবাসিক হলের ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ করায় এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের দুই নেতাকে চার সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে আগামী দুই বছর তাদের ক্যাম্পাসে অবস্থান ও প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২২ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. খায়রুল ইসলাম।
সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাসিবুর রহমান এবং পরিসংখ্যান বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তারেক রহমানকে চার সেমিস্টারের জন্য অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারকালীন সময়ে তারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ বা অবস্থান করতে পারবেন না।
বহিষ্কৃতদের মধ্যে হাসিবুর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ সম্পাদক এবং তারেক শাখা ছাত্রদলের সহদপ্তর সম্পাদক।
সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক জহির বিন আলম জানান, তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলাবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার জন্য উভয় অভিযুক্তকে সতর্ক করার সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তারেক রহমানের শাহপরান হলের আবাসিক আসন (সিট) বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে তিনি শিক্ষার্থী হিসেবে হলের আবাসিক সিটের জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তার চিকিৎসার সমস্ত ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করবে।
উল্লেখ্য, হল ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে হলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অভিযোগ করায় গত ১৮ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে শাখা ছাত্রদলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে পরদিন ১৯ জুলাই তাদের দুজনকে দলীয় পদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

জাবিতে র্যাগিংয়ের অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার





