মসজিদে এসি স্থাপন নিয়ে মুখোমুখি ঢাবি প্রশাসন ও ডাকসু

মসজিদে এসি স্থাপন নিয়ে মুখোমুখি ঢাবি প্রশাসন ও ডাকসু
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি স্থাপন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ছাত্র সংসদ নেতাদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি লঙ্ঘন করে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই মসজিদে ৫ টন ক্ষমতার মোট ২১টি এসি স্থাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
প্রশাসনের দাবি, যে সাব-স্টেশন থেকে মসজিদে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া আছে, সেটির ২১টি এসি একসাথে চালানোর মতো বৈদ্যুতিক সক্ষমতা নেই। এই অবস্থায় জোড়াতালি দিয়ে সংযোগ দিলে অগ্নিকাণ্ডসহ ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং সামাজিক বিজ্ঞান ভবনসহ আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।
এছাড়া মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব দাখিল করা হয়নি এবং তুরস্কের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে মসজিদ পুনর্নির্মাণের জন্য ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তাও সঠিক নয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও নোংরা রাজনীতি’ আখ্যা দিয়ে এর কড়া জবাব দিয়েছেন ডাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস বিন মুনির।
এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানান, মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশাসনের লিখিত অনুমতি এবং প্রকৌশল দপ্তরের প্রত্যক্ষ সুপারিশেই সম্পন্ন হয়েছে। তাদের দাবি, ডোনারদের সাথে নিয়ে তৎকালীন উপাচার্যের মৌখিক সম্মতির পর লিখিত আবেদন করা হলে প্রথমে ট্রেজারার স্যার তা খারিজ করেন। পরবর্তীতে উপাচার্যের হস্তক্ষেপে আবেদনটি অনুমোদিত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ট্রেজারার অফিসে পাঠানো হয়। এরপর ট্রেজারার স্যারের নির্দেশেই প্রধান প্রকৌশলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) দপ্তরের সমন্বয়ে একটি সামগ্রিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে কোষাধ্যক্ষ বরাবর বাজেট পেশ করা হয়, যেখানে প্রকৌশল বিভাগ নিজেই মসজিদে ১০৫ টন এসি স্থাপনের সুপারিশ করেছিল।
বিদ্যুৎ সংযোগের জটিলতা নিয়ে ডাকসু নেতারা আরও খোলাসা করেছেন যে, তারা স্পন্সরের ফান্ড থেকে আলাদা সাব-স্টেশন বসাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের পরামর্শেই সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের দীর্ঘ ৬-৭ বছর ধরে অকেজো পড়ে থাকা ১৮০০ কিলোওয়াটের সাব-স্টেশনটি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মসজিদের জন্য মাত্র ২০০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হওয়ায় বাকি ১৬০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ আশেপাশের অনুষদে ব্যবহার করা সম্ভব। উপাচার্যের অনুমোদন সাপেক্ষে আজ থেকে প্রায় দুই মাস আগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এই সাব-স্টেশন চালুর জন্য ৩০ লাখ টাকা জমা দিলেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসন বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে না।
ডাকসু নেতারা প্রশাসনের অনুমতি না নেওয়ার দাবিকে নাকচ করে দিয়ে বলেন, সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন তৎকালীন উপাচার্য নিজে করেছেন এবং কাজ শেষে বর্তমান উপাচার্য নিয়াজ স্যারের আমন্ত্রণে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ. ফ. ম খালিদ হাসান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবিরের উপস্থিতিতে এর চূড়ান্ত উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। এত সব দালিলিক প্রমাণ এবং স্বয়ং উপাচার্য ও সরকারের দুজন উপদেষ্টার উপস্থিতিতে উদ্বোধনের পরও অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, তাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাংশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘নগ্ন রাজনীতি’ বলে উল্লেখ করেছেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি স্থাপন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ছাত্র সংসদ নেতাদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি লঙ্ঘন করে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই মসজিদে ৫ টন ক্ষমতার মোট ২১টি এসি স্থাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
প্রশাসনের দাবি, যে সাব-স্টেশন থেকে মসজিদে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া আছে, সেটির ২১টি এসি একসাথে চালানোর মতো বৈদ্যুতিক সক্ষমতা নেই। এই অবস্থায় জোড়াতালি দিয়ে সংযোগ দিলে অগ্নিকাণ্ডসহ ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং সামাজিক বিজ্ঞান ভবনসহ আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।
এছাড়া মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব দাখিল করা হয়নি এবং তুরস্কের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে মসজিদ পুনর্নির্মাণের জন্য ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তাও সঠিক নয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও নোংরা রাজনীতি’ আখ্যা দিয়ে এর কড়া জবাব দিয়েছেন ডাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস বিন মুনির।
এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানান, মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশাসনের লিখিত অনুমতি এবং প্রকৌশল দপ্তরের প্রত্যক্ষ সুপারিশেই সম্পন্ন হয়েছে। তাদের দাবি, ডোনারদের সাথে নিয়ে তৎকালীন উপাচার্যের মৌখিক সম্মতির পর লিখিত আবেদন করা হলে প্রথমে ট্রেজারার স্যার তা খারিজ করেন। পরবর্তীতে উপাচার্যের হস্তক্ষেপে আবেদনটি অনুমোদিত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ট্রেজারার অফিসে পাঠানো হয়। এরপর ট্রেজারার স্যারের নির্দেশেই প্রধান প্রকৌশলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) দপ্তরের সমন্বয়ে একটি সামগ্রিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে কোষাধ্যক্ষ বরাবর বাজেট পেশ করা হয়, যেখানে প্রকৌশল বিভাগ নিজেই মসজিদে ১০৫ টন এসি স্থাপনের সুপারিশ করেছিল।
বিদ্যুৎ সংযোগের জটিলতা নিয়ে ডাকসু নেতারা আরও খোলাসা করেছেন যে, তারা স্পন্সরের ফান্ড থেকে আলাদা সাব-স্টেশন বসাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের পরামর্শেই সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের দীর্ঘ ৬-৭ বছর ধরে অকেজো পড়ে থাকা ১৮০০ কিলোওয়াটের সাব-স্টেশনটি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মসজিদের জন্য মাত্র ২০০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হওয়ায় বাকি ১৬০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ আশেপাশের অনুষদে ব্যবহার করা সম্ভব। উপাচার্যের অনুমোদন সাপেক্ষে আজ থেকে প্রায় দুই মাস আগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এই সাব-স্টেশন চালুর জন্য ৩০ লাখ টাকা জমা দিলেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসন বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে না।
ডাকসু নেতারা প্রশাসনের অনুমতি না নেওয়ার দাবিকে নাকচ করে দিয়ে বলেন, সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন তৎকালীন উপাচার্য নিজে করেছেন এবং কাজ শেষে বর্তমান উপাচার্য নিয়াজ স্যারের আমন্ত্রণে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ. ফ. ম খালিদ হাসান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবিরের উপস্থিতিতে এর চূড়ান্ত উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। এত সব দালিলিক প্রমাণ এবং স্বয়ং উপাচার্য ও সরকারের দুজন উপদেষ্টার উপস্থিতিতে উদ্বোধনের পরও অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, তাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাংশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘নগ্ন রাজনীতি’ বলে উল্লেখ করেছেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।

মসজিদে এসি স্থাপন নিয়ে মুখোমুখি ঢাবি প্রশাসন ও ডাকসু
ঢাবি সংবাদদাতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে এসি স্থাপন এবং বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে ছাত্র সংসদ নেতাদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি লঙ্ঘন করে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই মসজিদে ৫ টন ক্ষমতার মোট ২১টি এসি স্থাপন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)।
প্রশাসনের দাবি, যে সাব-স্টেশন থেকে মসজিদে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া আছে, সেটির ২১টি এসি একসাথে চালানোর মতো বৈদ্যুতিক সক্ষমতা নেই। এই অবস্থায় জোড়াতালি দিয়ে সংযোগ দিলে অগ্নিকাণ্ডসহ ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে, যার ফলে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং সামাজিক বিজ্ঞান ভবনসহ আশেপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।
এছাড়া মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের আয়-ব্যয়ের কোনো হিসাব দাখিল করা হয়নি এবং তুরস্কের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে মসজিদ পুনর্নির্মাণের জন্য ৪৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের যে তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, তাও সঠিক নয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন জনসংযোগ দফতরের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই বক্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যাচার ও নোংরা রাজনীতি’ আখ্যা দিয়ে এর কড়া জবাব দিয়েছেন ডাকসুর ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম এবং কার্যনির্বাহী সদস্য আনাস বিন মুনির।
এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানান, মসজিদ সংস্কার ও এসি স্থাপনের পুরো প্রক্রিয়াটি প্রশাসনের লিখিত অনুমতি এবং প্রকৌশল দপ্তরের প্রত্যক্ষ সুপারিশেই সম্পন্ন হয়েছে। তাদের দাবি, ডোনারদের সাথে নিয়ে তৎকালীন উপাচার্যের মৌখিক সম্মতির পর লিখিত আবেদন করা হলে প্রথমে ট্রেজারার স্যার তা খারিজ করেন। পরবর্তীতে উপাচার্যের হস্তক্ষেপে আবেদনটি অনুমোদিত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ট্রেজারার অফিসে পাঠানো হয়। এরপর ট্রেজারার স্যারের নির্দেশেই প্রধান প্রকৌশলী এবং নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) দপ্তরের সমন্বয়ে একটি সামগ্রিক সম্ভাব্যতা যাচাই করে কোষাধ্যক্ষ বরাবর বাজেট পেশ করা হয়, যেখানে প্রকৌশল বিভাগ নিজেই মসজিদে ১০৫ টন এসি স্থাপনের সুপারিশ করেছিল।
বিদ্যুৎ সংযোগের জটিলতা নিয়ে ডাকসু নেতারা আরও খোলাসা করেছেন যে, তারা স্পন্সরের ফান্ড থেকে আলাদা সাব-স্টেশন বসাতে চেয়েছিলেন, কিন্তু প্রকৌশল বিভাগের পরামর্শেই সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের দীর্ঘ ৬-৭ বছর ধরে অকেজো পড়ে থাকা ১৮০০ কিলোওয়াটের সাব-স্টেশনটি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মসজিদের জন্য মাত্র ২০০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হওয়ায় বাকি ১৬০০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ আশেপাশের অনুষদে ব্যবহার করা সম্ভব। উপাচার্যের অনুমোদন সাপেক্ষে আজ থেকে প্রায় দুই মাস আগে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এই সাব-স্টেশন চালুর জন্য ৩০ লাখ টাকা জমা দিলেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসন বিদ্যুৎ সংযোগ দিচ্ছে না।
ডাকসু নেতারা প্রশাসনের অনুমতি না নেওয়ার দাবিকে নাকচ করে দিয়ে বলেন, সংস্কার কাজের শুভ উদ্বোধন তৎকালীন উপাচার্য নিজে করেছেন এবং কাজ শেষে বর্তমান উপাচার্য নিয়াজ স্যারের আমন্ত্রণে ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ. ফ. ম খালিদ হাসান এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবিরের উপস্থিতিতে এর চূড়ান্ত উদ্বোধন সম্পন্ন হয়। এত সব দালিলিক প্রমাণ এবং স্বয়ং উপাচার্য ও সরকারের দুজন উপদেষ্টার উপস্থিতিতে উদ্বোধনের পরও অনুমতি নেওয়া হয়নি বলে যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, তাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একাংশের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ‘নগ্ন রাজনীতি’ বলে উল্লেখ করেছেন ছাত্র প্রতিনিধিরা।

দায়িত্ব গ্রহণের চার মাসে ডাকসুর নানা উদ্যোগ


