মৃত ৪ আ.লীগ নেতা অস্ত্র মামলার আসামি

মৃত ৪ আ.লীগ নেতা অস্ত্র মামলার আসামি
বরিশাল সংবাদদাতা

আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ২৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বরিশালে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার আসামির তালিকায় মৃত ৪ জন আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে আসায় ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা পরিচয়দানকারী মারজুক আব্দুল্লাহ এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক এস এম শরীয়ত উল্লাহ অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার প্রসিকিউশন পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সাবেক প্যানেল মেয়র জিয়াউর রহমান বিপ্লব, রফিকুল ইসলাম খোকনসহ মোট ২৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তবে মামলাটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ৪ জন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়। তারা হলেন– সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল ফারুক হুমায়ুন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাফিজুর রশিদ শিবলী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী হাওলাদার।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করেছেন। তাদের প্রতিহত করতে গেলে ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু মামলার ২১২ নম্বর আসামি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি মারা যান। ১৯৮ নম্বর আসামি আবুল ফারুক হুমায়ুন মারা যান ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ। ২২৫ নম্বর আসামি এইচ এম হাফিজুর রশিদ শিবলী মারা যান ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর এবং ১৯৫ নম্বর আসামি মোহাম্মদ আলী হাওলাদার মারা যান ২০২১ সালের ২৬ জুলাই। অথচ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তারা ২০২৬ সালের ১০ জুন নগরীর গড়িয়ারপাড় এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিলে অংশ নিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বরিশাল সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজীব হোসেন খান বলেন, মারজুক নামের যে ব্যক্তি মামলাটি করেছেন, তাকে বরিশালের অনেকেই মামলা ব্যবসায়ী হিসেবে চেনেন। এই মামলাটি যে ভুয়া, তার বড় প্রমাণ হলো মৃত ৪ জনকে আসামি করা। যারা মারা গেছেন, তাদের প্রত্যেকের জানাজায় আমি উপস্থিত ছিলাম। তারা কী কবর থেকে উঠে এসে ককটেল নিক্ষেপ করেছেন।
মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহ দাবি করেন, নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে মিছিল এবং সড়ক অবরোধ করেছেন। এতে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়েছে। এসব ঘটনার বিচার চেয়েই আমি মামলা করেছি।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার বলেন, আদালত সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য উপ-পুলিশ কমিশনার প্রসিকিউশন পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ২৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বরিশালে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার আসামির তালিকায় মৃত ৪ জন আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে আসায় ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা পরিচয়দানকারী মারজুক আব্দুল্লাহ এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক এস এম শরীয়ত উল্লাহ অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার প্রসিকিউশন পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সাবেক প্যানেল মেয়র জিয়াউর রহমান বিপ্লব, রফিকুল ইসলাম খোকনসহ মোট ২৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তবে মামলাটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ৪ জন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়। তারা হলেন– সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল ফারুক হুমায়ুন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাফিজুর রশিদ শিবলী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী হাওলাদার।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করেছেন। তাদের প্রতিহত করতে গেলে ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু মামলার ২১২ নম্বর আসামি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি মারা যান। ১৯৮ নম্বর আসামি আবুল ফারুক হুমায়ুন মারা যান ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ। ২২৫ নম্বর আসামি এইচ এম হাফিজুর রশিদ শিবলী মারা যান ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর এবং ১৯৫ নম্বর আসামি মোহাম্মদ আলী হাওলাদার মারা যান ২০২১ সালের ২৬ জুলাই। অথচ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তারা ২০২৬ সালের ১০ জুন নগরীর গড়িয়ারপাড় এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিলে অংশ নিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বরিশাল সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজীব হোসেন খান বলেন, মারজুক নামের যে ব্যক্তি মামলাটি করেছেন, তাকে বরিশালের অনেকেই মামলা ব্যবসায়ী হিসেবে চেনেন। এই মামলাটি যে ভুয়া, তার বড় প্রমাণ হলো মৃত ৪ জনকে আসামি করা। যারা মারা গেছেন, তাদের প্রত্যেকের জানাজায় আমি উপস্থিত ছিলাম। তারা কী কবর থেকে উঠে এসে ককটেল নিক্ষেপ করেছেন।
মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহ দাবি করেন, নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে মিছিল এবং সড়ক অবরোধ করেছেন। এতে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়েছে। এসব ঘটনার বিচার চেয়েই আমি মামলা করেছি।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার বলেন, আদালত সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য উপ-পুলিশ কমিশনার প্রসিকিউশন পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মৃত ৪ আ.লীগ নেতা অস্ত্র মামলার আসামি
বরিশাল সংবাদদাতা

আগ্নেয়াস্ত্র, ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করার অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ২৪৮ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বরিশালে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে মামলার আসামির তালিকায় মৃত ৪ জন আওয়ামী লীগ নেতার নাম উঠে আসায় ঘটনাটি ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশালের অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা পরিচয়দানকারী মারজুক আব্দুল্লাহ এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক এস এম শরীয়ত উল্লাহ অভিযোগ আমলে নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার প্রসিকিউশন পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে। এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, বরিশাল জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টু, সাবেক প্যানেল মেয়র জিয়াউর রহমান বিপ্লব, রফিকুল ইসলাম খোকনসহ মোট ২৪৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
তবে মামলাটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে ৪ জন প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতার নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়। তারা হলেন– সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা, ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আবুল ফারুক হুমায়ুন, ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হাফিজুর রশিদ শিবলী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী হাওলাদার।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরও নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে সড়ক অবরোধ ও মিছিল করেছেন। তাদের প্রতিহত করতে গেলে ককটেল ও পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করা হয়। একই সঙ্গে জুলাই আন্দোলনের কর্মীদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু মামলার ২১২ নম্বর আসামি খন্দকার রেজাউর রহমান রেজা ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি মারা যান। ১৯৮ নম্বর আসামি আবুল ফারুক হুমায়ুন মারা যান ২০২৩ সালের ২৫ মার্চ। ২২৫ নম্বর আসামি এইচ এম হাফিজুর রশিদ শিবলী মারা যান ২০২১ সালের ১৯ অক্টোবর এবং ১৯৫ নম্বর আসামি মোহাম্মদ আলী হাওলাদার মারা যান ২০২১ সালের ২৬ জুলাই। অথচ মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, তারা ২০২৬ সালের ১০ জুন নগরীর গড়িয়ারপাড় এলাকায় আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিলে অংশ নিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন।
বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বরিশাল সিটির ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রাজীব হোসেন খান বলেন, মারজুক নামের যে ব্যক্তি মামলাটি করেছেন, তাকে বরিশালের অনেকেই মামলা ব্যবসায়ী হিসেবে চেনেন। এই মামলাটি যে ভুয়া, তার বড় প্রমাণ হলো মৃত ৪ জনকে আসামি করা। যারা মারা গেছেন, তাদের প্রত্যেকের জানাজায় আমি উপস্থিত ছিলাম। তারা কী কবর থেকে উঠে এসে ককটেল নিক্ষেপ করেছেন।
মামলার বাদী মারজুক আব্দুল্লাহ দাবি করেন, নিষিদ্ধ ঘোষণার পরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন সময়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে মিছিল এবং সড়ক অবরোধ করেছেন। এতে দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয়েছে। এসব ঘটনার বিচার চেয়েই আমি মামলা করেছি।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী রাজিব মজুমদার বলেন, আদালত সরাসরি কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে অভিযোগের বিষয়টি তদন্তের জন্য উপ-পুলিশ কমিশনার প্রসিকিউশন পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




