ঢাবিতে প্রথম জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড, পুরস্কৃত ৩৯ শিক্ষার্থী

ঢাবিতে প্রথম জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড, পুরস্কৃত ৩৯ শিক্ষার্থী
ঢাবি সংবাদদাতা

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রথম বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড ২০২৬’। জিরো কম্পিটিশন্স এবং সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস নেটওয়ার্ক (এসএলএসএন)-এর যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে এ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড আয়োজক কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাবির আর্থ অ্যান্ড ইনভাইরনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. বদরুদ্দোজা মিয়া, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান বি এম রাব্বী হোসেন, ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্রা এ. খেলভনয় এবং সিনিয়র সমন্বয়কারী দেলোয়ার হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশকে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়নও তীব্র হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
অলিম্পিয়াডে দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা তিনটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে– জুনিয়র ক্যাটাগরিতে ১০ জন, সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন এবং হায়ার সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। সব মিলিয়ে তিন ক্যাটাগরিতে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার লাভ করে।

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রথম বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড ২০২৬’। জিরো কম্পিটিশন্স এবং সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস নেটওয়ার্ক (এসএলএসএন)-এর যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে এ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড আয়োজক কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাবির আর্থ অ্যান্ড ইনভাইরনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. বদরুদ্দোজা মিয়া, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান বি এম রাব্বী হোসেন, ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্রা এ. খেলভনয় এবং সিনিয়র সমন্বয়কারী দেলোয়ার হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশকে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়নও তীব্র হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
অলিম্পিয়াডে দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা তিনটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে– জুনিয়র ক্যাটাগরিতে ১০ জন, সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন এবং হায়ার সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। সব মিলিয়ে তিন ক্যাটাগরিতে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার লাভ করে।

ঢাবিতে প্রথম জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড, পুরস্কৃত ৩৯ শিক্ষার্থী
ঢাবি সংবাদদাতা

জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘প্রথম বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড ২০২৬’। জিরো কম্পিটিশন্স এবং সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস নেটওয়ার্ক (এসএলএসএন)-এর যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে এ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। বাংলাদেশ জাতীয় জলবায়ু অলিম্পিয়াড আয়োজক কমিটির উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কাজী মতিন উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাবির আর্থ অ্যান্ড ইনভাইরনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর, ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. বদরুদ্দোজা মিয়া, ডিজাস্টার সায়েন্স অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স বিভাগের চেয়ারম্যান বি এম রাব্বী হোসেন, ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউসের পরিচালক আলেকজান্দ্রা এ. খেলভনয় এবং সিনিয়র সমন্বয়কারী দেলোয়ার হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম বলেন, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণে বাংলাদেশের অবদান খুবই কম। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশকে বন্যা, খরা, অতিবৃষ্টি ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলা করতে হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে সচেতন ও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে। এর ফলে বৈশ্বিক উষ্ণায়নও তীব্র হচ্ছে। তাই ভবিষ্যতে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় তরুণদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
অলিম্পিয়াডে দেশের বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীরা তিনটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ করে। এর মধ্যে– জুনিয়র ক্যাটাগরিতে ১০ জন, সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে ১৫ জন এবং হায়ার সেকেন্ডারি ক্যাটাগরিতে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। সব মিলিয়ে তিন ক্যাটাগরিতে ৩৯ জন শিক্ষার্থী পুরস্কার লাভ করে।

ঢাবির ‘সান্ধ্য আইন’ কী, কেন এটির বাতিল চান শিক্ষার্থীরা





