শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্যোগ
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের (ওটিটিআই) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সমন্বয় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কনফারেন্স হলে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মালেকা পারভীন মোলি এতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা গেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ আরও জোরদার করবে। এর মাধ্যমে আধুনিক ও বাজারমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের সক্ষমতা তৈরির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সমঝোতার আওতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বাজারের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন পেশাগত ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি শিল্পখাতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অ্যাকাডেমিক কারিকুলাম উন্নয়ন ও হালনাগাদে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।
এ সহযোগিতার আওতায় জাপানি ভাষা, কেয়ার গিভিং, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ডিজিটাল মার্কেটিং, বিউটিফিকেশন ও হসপিটালিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে পরিচিত করতে ইন্টার্নশিপ ও অ্যাপ্রেন্টিসশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও দুই প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে। ফলে শিক্ষার্থীরা অ্যাকাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সমঝোতার আওতায় শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদা, দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা ও কর্মসংস্থান নিয়ে যৌথ গবেষণা, সেমিনার, কর্মশালা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমও আয়োজন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তুলতেও এ অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক ও কর্মকর্তারা এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক তামান্না রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের (ওটিটিআই) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সমন্বয় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কনফারেন্স হলে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মালেকা পারভীন মোলি এতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা গেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ আরও জোরদার করবে। এর মাধ্যমে আধুনিক ও বাজারমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের সক্ষমতা তৈরির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সমঝোতার আওতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বাজারের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন পেশাগত ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি শিল্পখাতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অ্যাকাডেমিক কারিকুলাম উন্নয়ন ও হালনাগাদে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।
এ সহযোগিতার আওতায় জাপানি ভাষা, কেয়ার গিভিং, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ডিজিটাল মার্কেটিং, বিউটিফিকেশন ও হসপিটালিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে পরিচিত করতে ইন্টার্নশিপ ও অ্যাপ্রেন্টিসশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও দুই প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে। ফলে শিক্ষার্থীরা অ্যাকাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সমঝোতার আওতায় শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদা, দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা ও কর্মসংস্থান নিয়ে যৌথ গবেষণা, সেমিনার, কর্মশালা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমও আয়োজন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তুলতেও এ অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক ও কর্মকর্তারা এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক তামান্না রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী করতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উদ্যোগ
ঢাকা কলেজ সংবাদদাতা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের (ওটিটিআই) মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পেশাগত ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্পখাতের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সমন্বয় এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর কার্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের কনফারেন্স হলে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মালেকা পারভীন মোলি এতে স্বাক্ষর করেন।
এ সময় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করা গেলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশীয় শ্রমবাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারেও নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবেন।
তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সংযোগ আরও জোরদার করবে। এর মাধ্যমে আধুনিক ও বাজারমুখী দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে প্রবেশের সক্ষমতা তৈরির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সমঝোতার আওতায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বাজারের চাহিদাভিত্তিক বিভিন্ন পেশাগত ও কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি শিল্পখাতের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অ্যাকাডেমিক কারিকুলাম উন্নয়ন ও হালনাগাদে দুই প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।
এ সহযোগিতার আওতায় জাপানি ভাষা, কেয়ার গিভিং, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি), ডিজিটাল মার্কেটিং, বিউটিফিকেশন ও হসপিটালিটিসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে। প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বাস্তব কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে পরিচিত করতে ইন্টার্নশিপ ও অ্যাপ্রেন্টিসশিপ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। সম্ভাব্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতেও দুই প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে। ফলে শিক্ষার্থীরা অ্যাকাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।
সমঝোতার আওতায় শ্রমবাজারের পরিবর্তিত চাহিদা, দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা ও কর্মসংস্থান নিয়ে যৌথ গবেষণা, সেমিনার, কর্মশালা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমও আয়োজন করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ ও সহযোগিতা গড়ে তুলতেও এ অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক ও কর্মকর্তারা এবং অভিবাস টেকনিক্যাল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক তামান্না রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্যের বক্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিল ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি





