অসুস্থ হয়ে মিড সেমিস্টারে অনুপস্থিত থাকলেও জরিমানা

অসুস্থ হয়ে মিড সেমিস্টারে অনুপস্থিত থাকলেও জরিমানা
বেরোবি সংবাদদাতা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) অসুস্থতাজনিত কারণে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে জরিমানা ধার্যের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীবিরোধী ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে বলা হয়, অসুস্থতার কারণে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরীক্ষা দিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। তবে এক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ওই অর্থ জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে।
অফিস আদেশটি প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বেরোবি ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন লিখেছেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষকদের সময়মতো ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত না করে শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া বৈষম্যমূলক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেরোবি শাখা শিবিরের সভাপতি আব্দুর রাকিব মুরাদ এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, অসুস্থতার মতো অনিয়ন্ত্রিত কারণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা নেওয়া শিক্ষার্থীবিরোধী সিদ্ধান্ত। তিনি অবিলম্বে আদেশটি বাতিলের দাবি জানান।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, ৬০ নম্বরের ফাইনাল পরীক্ষার ইমপ্রুভমেন্ট ফি যেখানে ৭২৫ টাকা, সেখানে মাত্র ১৫ নম্বরের মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিতির জন্য ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা নেওয়ার যৌক্তিকতা কী? একাডেমিক ক্যালেন্ডার যথাযথভাবে অনুসরণ না করে শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের আর্থিক চাপ দেওয়াও অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগীয় প্রধান ও ডিনদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেখা যায়, অনেক শিক্ষার্থী কোনো কারণ ছাড়াই মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নেন না, অথচ পরে ঠিকই ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। একজন বা দুজন শিক্ষার্থীর জন্যও শিক্ষকদের আলাদাভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হয়।
তিনি বলেন, জরিমানা নেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে অংশগ্রহণমূলক পরীক্ষা নেওয়া এবং মিড সেমিস্টার পরীক্ষাকে ফাইনাল পরীক্ষার মতোই গুরুত্ব দেওয়া।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) অসুস্থতাজনিত কারণে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে জরিমানা ধার্যের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীবিরোধী ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে বলা হয়, অসুস্থতার কারণে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরীক্ষা দিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। তবে এক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ওই অর্থ জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে।
অফিস আদেশটি প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বেরোবি ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন লিখেছেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষকদের সময়মতো ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত না করে শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া বৈষম্যমূলক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেরোবি শাখা শিবিরের সভাপতি আব্দুর রাকিব মুরাদ এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, অসুস্থতার মতো অনিয়ন্ত্রিত কারণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা নেওয়া শিক্ষার্থীবিরোধী সিদ্ধান্ত। তিনি অবিলম্বে আদেশটি বাতিলের দাবি জানান।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, ৬০ নম্বরের ফাইনাল পরীক্ষার ইমপ্রুভমেন্ট ফি যেখানে ৭২৫ টাকা, সেখানে মাত্র ১৫ নম্বরের মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিতির জন্য ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা নেওয়ার যৌক্তিকতা কী? একাডেমিক ক্যালেন্ডার যথাযথভাবে অনুসরণ না করে শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের আর্থিক চাপ দেওয়াও অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগীয় প্রধান ও ডিনদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেখা যায়, অনেক শিক্ষার্থী কোনো কারণ ছাড়াই মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নেন না, অথচ পরে ঠিকই ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। একজন বা দুজন শিক্ষার্থীর জন্যও শিক্ষকদের আলাদাভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হয়।
তিনি বলেন, জরিমানা নেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে অংশগ্রহণমূলক পরীক্ষা নেওয়া এবং মিড সেমিস্টার পরীক্ষাকে ফাইনাল পরীক্ষার মতোই গুরুত্ব দেওয়া।

অসুস্থ হয়ে মিড সেমিস্টারে অনুপস্থিত থাকলেও জরিমানা
বেরোবি সংবাদদাতা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) অসুস্থতাজনিত কারণে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে জরিমানা ধার্যের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এ সিদ্ধান্তকে শিক্ষার্থীবিরোধী ও অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অফিস আদেশে বলা হয়, অসুস্থতার কারণে মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে বিভাগীয় একাডেমিক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে পরীক্ষা দিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। তবে এক্ষেত্রে স্নাতক পর্যায়ে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে ওই অর্থ জমা দেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হবে।
অফিস আদেশটি প্রকাশের পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
বেরোবি ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন লিখেছেন, মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের জরিমানা চাপিয়ে দেওয়া মেনে নেওয়া যায় না। শিক্ষকদের সময়মতো ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত না করে শুধু শিক্ষার্থীদের ওপর নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া বৈষম্যমূলক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বেরোবি শাখা শিবিরের সভাপতি আব্দুর রাকিব মুরাদ এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, অসুস্থতার মতো অনিয়ন্ত্রিত কারণে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জরিমানা নেওয়া শিক্ষার্থীবিরোধী সিদ্ধান্ত। তিনি অবিলম্বে আদেশটি বাতিলের দাবি জানান।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, ৬০ নম্বরের ফাইনাল পরীক্ষার ইমপ্রুভমেন্ট ফি যেখানে ৭২৫ টাকা, সেখানে মাত্র ১৫ নম্বরের মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অনুপস্থিতির জন্য ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা নেওয়ার যৌক্তিকতা কী? একাডেমিক ক্যালেন্ডার যথাযথভাবে অনুসরণ না করে শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের আর্থিক চাপ দেওয়াও অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগীয় প্রধান ও ডিনদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেখা যায়, অনেক শিক্ষার্থী কোনো কারণ ছাড়াই মিড সেমিস্টার পরীক্ষায় অংশ নেন না, অথচ পরে ঠিকই ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। একজন বা দুজন শিক্ষার্থীর জন্যও শিক্ষকদের আলাদাভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে হয়।
তিনি বলেন, জরিমানা নেওয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমাদের উদ্দেশ্য হলো সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে অংশগ্রহণমূলক পরীক্ষা নেওয়া এবং মিড সেমিস্টার পরীক্ষাকে ফাইনাল পরীক্ষার মতোই গুরুত্ব দেওয়া।

আড়াই বছর ধরে উপ-উপাচার্যহীন বেরোবি, নিয়োগ পেয়েও যোগ দেননি ট্রেজারার







