শিরোনাম

মসলা ও খেজুরে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
মসলা ও খেজুরে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব
মসলা ও খেজুর। কোলাজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স

জিরা, দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গ, গোলমরিচ, ধনিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের মসলা ও খেজুর আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম কমিয়ে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপনকালে এ কথা জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জনসাধারণের প্রাত্যহিক খাদ্যতালিকায় এবং দৈনন্দিন রান্নায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বিভিন্ন ধরনের মসলা ব্যবহার করা হয়। এ বিবেচনায় সব প্রকার মসলার ওপর ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।

এছাড়াও খেজুর আমদানিতে রেগুলেটরি শুল্ক প্রত্যাহার নিয়ে তিনি বলেন, খেজুর আমদানিতে ৫ শতাংশ রেগুলেটরি শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার প্রস্তাব করছি।

জানা গেছে, বাংলাদেশ প্রতি বছর পেঁয়াজ বাদে (আদা, রসুন, জিরা, মরিচ, হলুদ, দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, গোলমরিচসহ বিভিন্ন মসলা) আমদানি হয়। যার পরিমাণ সাধারণত সাড়ে চার থেকে ৮ লাখ টন।

বাংলাদেশের বার্ষিক মসলার চাহিদা প্রায় ২৪–২৫ লাখ টন এবং এর ঘাটতি পূরণে ৭-৮ লাখ টন মসলা আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট চাহিদার তুলনায় প্রায় ৯ থেকে সাড়ে ১৩ লাখ টন ঘাটতি থাকে, যা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হয়।

এছাড়া প্রতি বছর বাংলাদেশে খেজুর আমদানি বাড়ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বার্ষিক আমদানি বেড়ে প্রায় ১ লাখ টন-এ পৌঁছেছে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে (রমজানকে কেন্দ্র করে) আমদানির পরিমাণ আরও বেশি ছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে ৪৯ হাজার ৮০৭ টন খেজুর এসেছে। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ প্রতি বছর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, তিউনিসিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে খেজুর আমদানি করে থাকে।

/এফআর/