নানা সংকটে বেরোবির একমাত্র ছাত্রী হল

নানা সংকটে বেরোবির একমাত্র ছাত্রী হল
বেরোবি সংবাদদাতা

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রীদের জন্য একটি মাত্র আবাসিক হল রয়েছে। তবে আবাসন সংকট, বেড ও আসবাবপত্রের অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ওয়াশরুমের অভাবসহ নানা সংকটে ভুগছে শহীদ ফেলানী হল নামের হলটি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার থাকলেও তা সমাধানে কার্যকর কোনো নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেরোবিতে প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী। আর এসব নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৪২ আসনবিশিষ্ট একমাত্র আবাসিক হল ‘শহীদ ফেলানী হল’। আর নতুন একটি ছাত্রী হল নির্মাণাধীন থাকলেও তা এখনো চালু হয়নি। ফলে আবাসন সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে গণরুমে থাকতে হচ্ছে এবং একটি বেড দুইজন শিক্ষার্থীকে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হচ্ছে।
শহীদ ফেলানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার বলেন, ‘পর্যাপ্ত বেড না থাকায় এই গরমের সময়, খুব কষ্ট করে এক বেডে দুজনকে থাকতে হচ্ছে। এছাড়া হলে পর্যাপ্ত ফ্যান না থাকায়, প্রচণ্ড গরমে দুর্ভোগ আরও চরম সীমায় পৌঁছেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু বেডই নয়, চেয়ার-টেবিলও ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়। ফলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংরক্ষণে সমস্যা হয় এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তাও বজায় থাকে না।’
ওয়াশরুম সংকটের নিয়ে আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পর্যাপ্ত ওয়াশরুম না থাকায় গোসলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় এ কারণে নির্ধারিত সময়ে ক্লাসে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ধেক নারী শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একটি হল রয়েছে। নতুন আরেকটি হলের নির্মাণকাজ চললেও কবে তা শেষ হবে, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই। প্রতিদিন নানা সমস্যার মধ্যে থাকতে হচ্ছে। তাই দ্রুত এসব সমস্যার সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সিফাত রুমানা বলেন, ‘হলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে আসন বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। বেডের স্বল্পতার কারণে নতুন শিক্ষার্থীদের শুরুতে গণরুমে রাখা হয়। পরে সিনিয়রিটি ও ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের চার ও আট আসনের কক্ষে স্থানান্তর করা হয়।’
ওয়াশরুম সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হল নির্মাণের সময় যে সংখ্যক ওয়াশরুম পরিকল্পনায় ছিল, এখন তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে নির্মাণাধীন নতুন হলে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন বিবেচনায় ওয়াশরুমের সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রীদের জন্য একটি মাত্র আবাসিক হল রয়েছে। তবে আবাসন সংকট, বেড ও আসবাবপত্রের অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ওয়াশরুমের অভাবসহ নানা সংকটে ভুগছে শহীদ ফেলানী হল নামের হলটি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার থাকলেও তা সমাধানে কার্যকর কোনো নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেরোবিতে প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী। আর এসব নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৪২ আসনবিশিষ্ট একমাত্র আবাসিক হল ‘শহীদ ফেলানী হল’। আর নতুন একটি ছাত্রী হল নির্মাণাধীন থাকলেও তা এখনো চালু হয়নি। ফলে আবাসন সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে গণরুমে থাকতে হচ্ছে এবং একটি বেড দুইজন শিক্ষার্থীকে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হচ্ছে।
শহীদ ফেলানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার বলেন, ‘পর্যাপ্ত বেড না থাকায় এই গরমের সময়, খুব কষ্ট করে এক বেডে দুজনকে থাকতে হচ্ছে। এছাড়া হলে পর্যাপ্ত ফ্যান না থাকায়, প্রচণ্ড গরমে দুর্ভোগ আরও চরম সীমায় পৌঁছেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু বেডই নয়, চেয়ার-টেবিলও ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়। ফলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংরক্ষণে সমস্যা হয় এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তাও বজায় থাকে না।’
ওয়াশরুম সংকটের নিয়ে আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পর্যাপ্ত ওয়াশরুম না থাকায় গোসলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় এ কারণে নির্ধারিত সময়ে ক্লাসে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ধেক নারী শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একটি হল রয়েছে। নতুন আরেকটি হলের নির্মাণকাজ চললেও কবে তা শেষ হবে, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই। প্রতিদিন নানা সমস্যার মধ্যে থাকতে হচ্ছে। তাই দ্রুত এসব সমস্যার সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সিফাত রুমানা বলেন, ‘হলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে আসন বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। বেডের স্বল্পতার কারণে নতুন শিক্ষার্থীদের শুরুতে গণরুমে রাখা হয়। পরে সিনিয়রিটি ও ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের চার ও আট আসনের কক্ষে স্থানান্তর করা হয়।’
ওয়াশরুম সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হল নির্মাণের সময় যে সংখ্যক ওয়াশরুম পরিকল্পনায় ছিল, এখন তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে নির্মাণাধীন নতুন হলে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন বিবেচনায় ওয়াশরুমের সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

নানা সংকটে বেরোবির একমাত্র ছাত্রী হল
বেরোবি সংবাদদাতা

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ছাত্রীদের জন্য একটি মাত্র আবাসিক হল রয়েছে। তবে আবাসন সংকট, বেড ও আসবাবপত্রের অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ওয়াশরুমের অভাবসহ নানা সংকটে ভুগছে শহীদ ফেলানী হল নামের হলটি। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে আবাসিক শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার থাকলেও তা সমাধানে কার্যকর কোনো নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বেরোবিতে প্রায় আট হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী। আর এসব নারী শিক্ষার্থীদের জন্য ৩৪২ আসনবিশিষ্ট একমাত্র আবাসিক হল ‘শহীদ ফেলানী হল’। আর নতুন একটি ছাত্রী হল নির্মাণাধীন থাকলেও তা এখনো চালু হয়নি। ফলে আবাসন সংকটের কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে গণরুমে থাকতে হচ্ছে এবং একটি বেড দুইজন শিক্ষার্থীকে ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হচ্ছে।
শহীদ ফেলানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী হাবিবা আক্তার বলেন, ‘পর্যাপ্ত বেড না থাকায় এই গরমের সময়, খুব কষ্ট করে এক বেডে দুজনকে থাকতে হচ্ছে। এছাড়া হলে পর্যাপ্ত ফ্যান না থাকায়, প্রচণ্ড গরমে দুর্ভোগ আরও চরম সীমায় পৌঁছেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘শুধু বেডই নয়, চেয়ার-টেবিলও ভাগাভাগি করে ব্যবহার করতে হয়। ফলে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংরক্ষণে সমস্যা হয় এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তাও বজায় থাকে না।’
ওয়াশরুম সংকটের নিয়ে আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেন, ‘পর্যাপ্ত ওয়াশরুম না থাকায় গোসলের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় এ কারণে নির্ধারিত সময়ে ক্লাসে উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয় না।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্ধেক নারী শিক্ষার্থীর জন্য মাত্র একটি হল রয়েছে। নতুন আরেকটি হলের নির্মাণকাজ চললেও কবে তা শেষ হবে, সে বিষয়ে আমরা নিশ্চিত নই। প্রতিদিন নানা সমস্যার মধ্যে থাকতে হচ্ছে। তাই দ্রুত এসব সমস্যার সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করছি।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে শহীদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. সিফাত রুমানা বলেন, ‘হলে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে আসন বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। বেডের স্বল্পতার কারণে নতুন শিক্ষার্থীদের শুরুতে গণরুমে রাখা হয়। পরে সিনিয়রিটি ও ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের চার ও আট আসনের কক্ষে স্থানান্তর করা হয়।’
ওয়াশরুম সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘হল নির্মাণের সময় যে সংখ্যক ওয়াশরুম পরিকল্পনায় ছিল, এখন তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে নির্মাণাধীন নতুন হলে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজন বিবেচনায় ওয়াশরুমের সংখ্যা বাড়ানো হবে।’

নদীতে গোসলে নেমে বেরোবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু


