‘চৈতন্যের সংকট চরমে পৌঁছেছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে’

‘চৈতন্যের সংকট চরমে পৌঁছেছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে’
গবি সংবাদদাতা

ঊনবিংশ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদী চৈতন্যৈর বিকাশ ঘটে। সময়ে মুক্ত বুদ্ধি ও মুক্ত চিন্তার প্রসার ঘটে। ধর্মীয় অনুশাসনের এরূপ নির্দেশনা যুগে যুগে মানব সভ্যতার ইতিহাসে চৈতন্যের বিকাশ ঘটিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক কালে ধর্মের সত্য বাণী, জাতীয়তাবাদী চিন্তা-চেতনা, মুক্ত বুদ্ধি, মানবতাবাদী জীবন দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার, আদর্শ জীবন গঠনের অভাব এবং পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে বিশ্বব্যাপী চৈতন্যের সংকট চরম পর্যায়ে উপনীত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আলী আজম খান।
রবিবার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসির সভাকক্ষে আয়োজিত ‘চৈতন্যের সংকট’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মীয় বৈষম্য ও আধিপত্যবাদের চিত্র আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘকালব্যাপী ইসরাইল- প্যালেস্টাইন যুদ্ধ, সিরিয়া যুদ্ধ, সম্প্রতি ইরান, আমেরিকা ও ইসরাইলের যুদ্ধ, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অন্তর্নিহিত কারণে ধর্মীয় প্রাসঙ্গিকতা না থাকলেও পুঁজিবাদী আগ্রাসী মনোভাব বিদ্যমান। রাষ্ট্রসমূহের পুঁজিবাদী আগ্রাসনে লিপ্ত থাকার সার্বিক চিত্র বিশ্বব্যাপী চৈতন্যে বোধকে মানব সভ্যতার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।’
প্রাবন্ধিক আলী আজম খান বলেন, ‘সম্প্রতি জুলাই বিপ্লব আমাদের পুনরায় যুগোপযোগী মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের সুযোগ দিয়েছে। আমরা যদি বিপ্লব উত্তর রাষ্ট্র সংস্কারে ব্যর্থ হয়ে যায় তাহলে বিশ্ব সভ্যতার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হয়ে আমাদের বসবাস করতে হবে।’
সেমিনারে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম, কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নীলুফার সুলতানা, সেন্টার ফর মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চের প্রধান ডা. মো. তারিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ঊনবিংশ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদী চৈতন্যৈর বিকাশ ঘটে। সময়ে মুক্ত বুদ্ধি ও মুক্ত চিন্তার প্রসার ঘটে। ধর্মীয় অনুশাসনের এরূপ নির্দেশনা যুগে যুগে মানব সভ্যতার ইতিহাসে চৈতন্যের বিকাশ ঘটিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক কালে ধর্মের সত্য বাণী, জাতীয়তাবাদী চিন্তা-চেতনা, মুক্ত বুদ্ধি, মানবতাবাদী জীবন দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার, আদর্শ জীবন গঠনের অভাব এবং পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে বিশ্বব্যাপী চৈতন্যের সংকট চরম পর্যায়ে উপনীত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আলী আজম খান।
রবিবার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসির সভাকক্ষে আয়োজিত ‘চৈতন্যের সংকট’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মীয় বৈষম্য ও আধিপত্যবাদের চিত্র আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘকালব্যাপী ইসরাইল- প্যালেস্টাইন যুদ্ধ, সিরিয়া যুদ্ধ, সম্প্রতি ইরান, আমেরিকা ও ইসরাইলের যুদ্ধ, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অন্তর্নিহিত কারণে ধর্মীয় প্রাসঙ্গিকতা না থাকলেও পুঁজিবাদী আগ্রাসী মনোভাব বিদ্যমান। রাষ্ট্রসমূহের পুঁজিবাদী আগ্রাসনে লিপ্ত থাকার সার্বিক চিত্র বিশ্বব্যাপী চৈতন্যে বোধকে মানব সভ্যতার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।’
প্রাবন্ধিক আলী আজম খান বলেন, ‘সম্প্রতি জুলাই বিপ্লব আমাদের পুনরায় যুগোপযোগী মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের সুযোগ দিয়েছে। আমরা যদি বিপ্লব উত্তর রাষ্ট্র সংস্কারে ব্যর্থ হয়ে যায় তাহলে বিশ্ব সভ্যতার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হয়ে আমাদের বসবাস করতে হবে।’
সেমিনারে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম, কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নীলুফার সুলতানা, সেন্টার ফর মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চের প্রধান ডা. মো. তারিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

‘চৈতন্যের সংকট চরমে পৌঁছেছে পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে’
গবি সংবাদদাতা

ঊনবিংশ শতাব্দীতে জাতীয়তাবাদী চৈতন্যৈর বিকাশ ঘটে। সময়ে মুক্ত বুদ্ধি ও মুক্ত চিন্তার প্রসার ঘটে। ধর্মীয় অনুশাসনের এরূপ নির্দেশনা যুগে যুগে মানব সভ্যতার ইতিহাসে চৈতন্যের বিকাশ ঘটিয়ে চলেছে। সাম্প্রতিক কালে ধর্মের সত্য বাণী, জাতীয়তাবাদী চিন্তা-চেতনা, মুক্ত বুদ্ধি, মানবতাবাদী জীবন দর্শন, সামাজিক ন্যায়বিচার, আদর্শ জীবন গঠনের অভাব এবং পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কারণে বিশ্বব্যাপী চৈতন্যের সংকট চরম পর্যায়ে উপনীত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি ও প্রশাসন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আলী আজম খান।
রবিবার (২১ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসির সভাকক্ষে আয়োজিত ‘চৈতন্যের সংকট’ শীর্ষক সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘ধর্মীয় বৈষম্য ও আধিপত্যবাদের চিত্র আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘকালব্যাপী ইসরাইল- প্যালেস্টাইন যুদ্ধ, সিরিয়া যুদ্ধ, সম্প্রতি ইরান, আমেরিকা ও ইসরাইলের যুদ্ধ, ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের অন্তর্নিহিত কারণে ধর্মীয় প্রাসঙ্গিকতা না থাকলেও পুঁজিবাদী আগ্রাসী মনোভাব বিদ্যমান। রাষ্ট্রসমূহের পুঁজিবাদী আগ্রাসনে লিপ্ত থাকার সার্বিক চিত্র বিশ্বব্যাপী চৈতন্যে বোধকে মানব সভ্যতার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।’
প্রাবন্ধিক আলী আজম খান বলেন, ‘সম্প্রতি জুলাই বিপ্লব আমাদের পুনরায় যুগোপযোগী মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণের সুযোগ দিয়েছে। আমরা যদি বিপ্লব উত্তর রাষ্ট্র সংস্কারে ব্যর্থ হয়ে যায় তাহলে বিশ্ব সভ্যতার প্রান্তিক জনগোষ্ঠী হয়ে আমাদের বসবাস করতে হবে।’
সেমিনারে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল করিম, কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. নীলুফার সুলতানা, সেন্টার ফর মাল্টিডিসিপ্লিনারি রিসার্চের প্রধান ডা. মো. তারিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




