দাপট দেখাচ্ছে শীত, ১০ ডিগ্রিতে নামতে পারে তাপমাত্রা

দাপট দেখাচ্ছে শীত, ১০ ডিগ্রিতে নামতে পারে তাপমাত্রা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিসেম্বর আসতে না আসতেই দাপট দেখানো শুরু করেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তরের জেলাগুলোতে কমছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতকরা ৯৭ ভাগ।
এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দ্রুত নামতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে আজ রাত থেকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নামতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এর ফলে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কাবু হতে পারে জনজীবন।
বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পূর্বাভাস অনুযায়ী বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতায় ভিন্নতা দেখা যেতে পারে। বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) পর্যন্ত পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের অঞ্চলে তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এসব এলাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এছাড়া গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, বগুড়া, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুমিল্লা, ফেনী, গোপালগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এই অঞ্চলগুলোতেও উল্লেখযোগ্য মাত্রায় শীত অনুভূত হবে।
আর দেশের বাকি জেলাগুলোতে রাতের তাপমাত্রা সাধারণত ১৬ ডিগ্রি থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে। এই এলাকাগুলোতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম হবে।
বিডব্লিউওটি আরও জানায়, এরইমধ্যে রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হবে।
স্বাস্থ্য বিষয়ে সতর্ক করে সংস্থাটি জানায়, হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা যেমন সাধারণ ফ্লু, নিউমোনিয়া এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় নিরাপদ থাকতে শীত নিবারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে উষ্ণ পোশাক পরিধান, গরম পানীয় গ্রহণ এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খুব ভোরে বা গভীর রাতে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।

ডিসেম্বর আসতে না আসতেই দাপট দেখানো শুরু করেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তরের জেলাগুলোতে কমছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতকরা ৯৭ ভাগ।
এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দ্রুত নামতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে আজ রাত থেকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নামতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এর ফলে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কাবু হতে পারে জনজীবন।
বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পূর্বাভাস অনুযায়ী বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতায় ভিন্নতা দেখা যেতে পারে। বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) পর্যন্ত পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের অঞ্চলে তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এসব এলাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এছাড়া গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, বগুড়া, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুমিল্লা, ফেনী, গোপালগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এই অঞ্চলগুলোতেও উল্লেখযোগ্য মাত্রায় শীত অনুভূত হবে।
আর দেশের বাকি জেলাগুলোতে রাতের তাপমাত্রা সাধারণত ১৬ ডিগ্রি থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে। এই এলাকাগুলোতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম হবে।
বিডব্লিউওটি আরও জানায়, এরইমধ্যে রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হবে।
স্বাস্থ্য বিষয়ে সতর্ক করে সংস্থাটি জানায়, হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা যেমন সাধারণ ফ্লু, নিউমোনিয়া এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় নিরাপদ থাকতে শীত নিবারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে উষ্ণ পোশাক পরিধান, গরম পানীয় গ্রহণ এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খুব ভোরে বা গভীর রাতে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।

দাপট দেখাচ্ছে শীত, ১০ ডিগ্রিতে নামতে পারে তাপমাত্রা
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিসেম্বর আসতে না আসতেই দাপট দেখানো শুরু করেছে শীত। গত কয়েকদিন ধরেই উত্তরের জেলাগুলোতে কমছে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতকরা ৯৭ ভাগ।
এদিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দ্রুত নামতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বিশেষ করে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে আজ রাত থেকে তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নামতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এর ফলে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় কাবু হতে পারে জনজীবন।
বৃহস্পতিবার (০৪ ডিসেম্বর) সকালে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি জানায়, সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পূর্বাভাস অনুযায়ী বিভিন্ন অঞ্চলে শীতের তীব্রতায় ভিন্নতা দেখা যেতে পারে। বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার (৮ ডিসেম্বর) পর্যন্ত পঞ্চগড়, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, জয়পুরহাট, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রাজশাহী, নাটোর, পাবনা, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের অঞ্চলে তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এসব এলাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হবে। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি নেমে যাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
এছাড়া গাইবান্ধা, লালমনিরহাট, বগুড়া, জামালপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুমিল্লা, ফেনী, গোপালগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও আশপাশের এলাকায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে। এই অঞ্চলগুলোতেও উল্লেখযোগ্য মাত্রায় শীত অনুভূত হবে।
আর দেশের বাকি জেলাগুলোতে রাতের তাপমাত্রা সাধারণত ১৬ ডিগ্রি থেকে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকতে পারে। এই এলাকাগুলোতে শীতের তীব্রতা কিছুটা কম হবে।
বিডব্লিউওটি আরও জানায়, এরইমধ্যে রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। দিনের বেলায় তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও রাতের শেষভাগ থেকে সকাল পর্যন্ত ঠান্ডা অনুভূত হবে।
স্বাস্থ্য বিষয়ে সতর্ক করে সংস্থাটি জানায়, হঠাৎ করে তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় ঠান্ডাজনিত অসুস্থতা যেমন সাধারণ ফ্লু, নিউমোনিয়া এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই ঠান্ডা আবহাওয়ায় নিরাপদ থাকতে শীত নিবারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে উষ্ণ পোশাক পরিধান, গরম পানীয় গ্রহণ এবং জরুরি প্রয়োজন ছাড়া খুব ভোরে বা গভীর রাতে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলতে হবে।




