পবিত্র মক্কার দিকে ড্রোন ছোড়ায় পাকিস্তানের উদ্বেগ, সাড়া নেই তুরস্কের

পবিত্র মক্কার দিকে ড্রোন ছোড়ায় পাকিস্তানের উদ্বেগ, সাড়া নেই তুরস্কের
সিজেডএন ডেস্ক

পবিত্র নগরী মক্কার দিকে আঘাত হানতে যাওয়ার পথে একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে মুসলিমপ্রধান ৫৭ দেশের জোট ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উদ্বেগ জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে আরেক মিত্র দেশ তুরস্কের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বলেছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মক্কার দক্ষিণে হুতিদের একটি ড্রোন শনাক্ত করে তা ভূপাতিত করা হয়েছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘দুই পবিত্র মসজিদ ও মুসল্লিদের নিরাপত্তা একটি রেড লাইন। হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে জোটের যৌথ বাহিনী দ্বিধা করবে না।’
তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ বলেন, ‘মক্কাকে লক্ষ্য করার দাবি একটি পুরোনো মিথ্যা, যা এর আগেও তোলা হয়েছে। তারা এখন আর কাউকে বোকা বানাতে পারে না।’
ওআইসির নিন্দা
আল জাজিরা বলছে, সৌদি আরবের অভিযোগের পর মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। মুসলিমপ্রধান ৫৭ দেশের এই জোট ঘটনাটিকে ‘জঘন্য’ হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
পবিত্র স্থান ও মুসল্লিদের নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে সৌদি আরবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ওআইসি। একইসঙ্গে সৌদি আরবের ওপর হুতিদের ধারাবাহিক হামলারও নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার সৌদি আরব মক্কা ও ইয়েমেন সীমান্তবর্তী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর পর মক্কায় এটিই ছিল এ ধরনের প্রথম সতর্কতা।
এর এক দিন আগে ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে একের পর এক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় ১৩ জন আহত হওয়ার খবর জানা গেছে।
জাতিসংঘে পাকিস্তানের উদ্বেগ
এদিকে হুতিদের হামলা নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তান উদ্বেগ জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদ বলেন, ইয়েমেনে হুতিদের সামরিক তৎপরতা, সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলা ও লোহিত সাগর উপকূলে সাম্প্রতিক সামরিক উপস্থিতি সংঘাতকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক পর্যায়ে’ নিয়ে গেছে।
সৌদি আরবের ওপর হুতিদের সব ধরনের হামলার ‘তীব্র নিন্দা’ করেন তিনি।
আসিম ইফতিখার আরও বলেন, উত্তেজনা কমাতে এবং অঞ্চলটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তান সর্বোচ্চ পর্যায়ে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
সাড়া নেই তুরস্কের
মক্কার দিকে ড্রোন উড়ে আসার ঘটনায় পাকিস্তান মিত্র সৌদি আরবের পাশে অবস্থান নিলেও এখন পর্যন্ত তুরস্কের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গত আগস্টে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে নিজেদের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।
তবে গত ১০ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান জানিয়েছে, সৌদি আরবে হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার পর মক্কা চুক্তির আওতায় কোনো সামরিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়নি। তাৎক্ষণিক কোনো সামরিক পদক্ষেপের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে না।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলেও তুরস্ক এখনো মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার সৌদি অভিযোগ বা হুতিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেনি।
মার্কিন নাগরিকদের ভ্রমণ সতর্কতা
সৌদি আরবে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটিতে থাকা বা ভ্রমণ করতে যাওয়া মার্কিন নাগরিকদের জন্যও সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মক্কা ও সৌদি আরবের অন্যান্য এলাকায় সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে রিয়াদের সতর্কতার পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণ ‘পুনর্বিবেচনা’ করার পরামর্শ দিয়েছে।

পবিত্র নগরী মক্কার দিকে আঘাত হানতে যাওয়ার পথে একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে মুসলিমপ্রধান ৫৭ দেশের জোট ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উদ্বেগ জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে আরেক মিত্র দেশ তুরস্কের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বলেছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মক্কার দক্ষিণে হুতিদের একটি ড্রোন শনাক্ত করে তা ভূপাতিত করা হয়েছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘দুই পবিত্র মসজিদ ও মুসল্লিদের নিরাপত্তা একটি রেড লাইন। হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে জোটের যৌথ বাহিনী দ্বিধা করবে না।’
তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ বলেন, ‘মক্কাকে লক্ষ্য করার দাবি একটি পুরোনো মিথ্যা, যা এর আগেও তোলা হয়েছে। তারা এখন আর কাউকে বোকা বানাতে পারে না।’
ওআইসির নিন্দা
আল জাজিরা বলছে, সৌদি আরবের অভিযোগের পর মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। মুসলিমপ্রধান ৫৭ দেশের এই জোট ঘটনাটিকে ‘জঘন্য’ হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
পবিত্র স্থান ও মুসল্লিদের নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে সৌদি আরবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ওআইসি। একইসঙ্গে সৌদি আরবের ওপর হুতিদের ধারাবাহিক হামলারও নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার সৌদি আরব মক্কা ও ইয়েমেন সীমান্তবর্তী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর পর মক্কায় এটিই ছিল এ ধরনের প্রথম সতর্কতা।
এর এক দিন আগে ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে একের পর এক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় ১৩ জন আহত হওয়ার খবর জানা গেছে।
জাতিসংঘে পাকিস্তানের উদ্বেগ
এদিকে হুতিদের হামলা নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তান উদ্বেগ জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদ বলেন, ইয়েমেনে হুতিদের সামরিক তৎপরতা, সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলা ও লোহিত সাগর উপকূলে সাম্প্রতিক সামরিক উপস্থিতি সংঘাতকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক পর্যায়ে’ নিয়ে গেছে।
সৌদি আরবের ওপর হুতিদের সব ধরনের হামলার ‘তীব্র নিন্দা’ করেন তিনি।
আসিম ইফতিখার আরও বলেন, উত্তেজনা কমাতে এবং অঞ্চলটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তান সর্বোচ্চ পর্যায়ে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
সাড়া নেই তুরস্কের
মক্কার দিকে ড্রোন উড়ে আসার ঘটনায় পাকিস্তান মিত্র সৌদি আরবের পাশে অবস্থান নিলেও এখন পর্যন্ত তুরস্কের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গত আগস্টে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে নিজেদের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।
তবে গত ১০ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান জানিয়েছে, সৌদি আরবে হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার পর মক্কা চুক্তির আওতায় কোনো সামরিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়নি। তাৎক্ষণিক কোনো সামরিক পদক্ষেপের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে না।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলেও তুরস্ক এখনো মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার সৌদি অভিযোগ বা হুতিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেনি।
মার্কিন নাগরিকদের ভ্রমণ সতর্কতা
সৌদি আরবে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটিতে থাকা বা ভ্রমণ করতে যাওয়া মার্কিন নাগরিকদের জন্যও সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মক্কা ও সৌদি আরবের অন্যান্য এলাকায় সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে রিয়াদের সতর্কতার পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণ ‘পুনর্বিবেচনা’ করার পরামর্শ দিয়েছে।

পবিত্র মক্কার দিকে ড্রোন ছোড়ায় পাকিস্তানের উদ্বেগ, সাড়া নেই তুরস্কের
সিজেডএন ডেস্ক

পবিত্র নগরী মক্কার দিকে আঘাত হানতে যাওয়ার পথে একটি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি করেছে সৌদি আরব। এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে মুসলিমপ্রধান ৫৭ দেশের জোট ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে উদ্বেগ জানিয়েছে পাকিস্তান। তবে আরেক মিত্র দেশ তুরস্কের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট বলেছে, মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মক্কার দক্ষিণে হুতিদের একটি ড্রোন শনাক্ত করে তা ভূপাতিত করা হয়েছে। জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালিকি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘দুই পবিত্র মসজিদ ও মুসল্লিদের নিরাপত্তা একটি রেড লাইন। হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে জোটের যৌথ বাহিনী দ্বিধা করবে না।’
তবে মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন পাঠানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছে হুতিরা। গোষ্ঠীটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য হাজেম আল-আসাদ বলেন, ‘মক্কাকে লক্ষ্য করার দাবি একটি পুরোনো মিথ্যা, যা এর আগেও তোলা হয়েছে। তারা এখন আর কাউকে বোকা বানাতে পারে না।’
ওআইসির নিন্দা
আল জাজিরা বলছে, সৌদি আরবের অভিযোগের পর মক্কাকে লক্ষ্য করে হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি)। মুসলিমপ্রধান ৫৭ দেশের এই জোট ঘটনাটিকে ‘জঘন্য’ হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
পবিত্র স্থান ও মুসল্লিদের নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে সৌদি আরবের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ওআইসি। একইসঙ্গে সৌদি আরবের ওপর হুতিদের ধারাবাহিক হামলারও নিন্দা জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার সৌদি আরব মক্কা ও ইয়েমেন সীমান্তবর্তী দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে সতর্কতা জারি করে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর পর মক্কায় এটিই ছিল এ ধরনের প্রথম সতর্কতা।
এর এক দিন আগে ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলে একের পর এক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় ১৩ জন আহত হওয়ার খবর জানা গেছে।
জাতিসংঘে পাকিস্তানের উদ্বেগ
এদিকে হুতিদের হামলা নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তান উদ্বেগ জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেছে দেশটির প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ডন।
পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদ বলেন, ইয়েমেনে হুতিদের সামরিক তৎপরতা, সৌদি আরবের ওপর ধারাবাহিক হামলা ও লোহিত সাগর উপকূলে সাম্প্রতিক সামরিক উপস্থিতি সংঘাতকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক পর্যায়ে’ নিয়ে গেছে।
সৌদি আরবের ওপর হুতিদের সব ধরনের হামলার ‘তীব্র নিন্দা’ করেন তিনি।
আসিম ইফতিখার আরও বলেন, উত্তেজনা কমাতে এবং অঞ্চলটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পাকিস্তান সর্বোচ্চ পর্যায়ে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবে।
সাড়া নেই তুরস্কের
মক্কার দিকে ড্রোন উড়ে আসার ঘটনায় পাকিস্তান মিত্র সৌদি আরবের পাশে অবস্থান নিলেও এখন পর্যন্ত তুরস্কের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গত আগস্টে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে নিজেদের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে।
তবে গত ১০ সেপ্টেম্বর পাকিস্তান জানিয়েছে, সৌদি আরবে হুতিদের সাম্প্রতিক হামলার পর মক্কা চুক্তির আওতায় কোনো সামরিক প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হয়নি। তাৎক্ষণিক কোনো সামরিক পদক্ষেপের কথাও বিবেচনা করা হচ্ছে না।
সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হলেও তুরস্ক এখনো মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার সৌদি অভিযোগ বা হুতিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলেনি।
মার্কিন নাগরিকদের ভ্রমণ সতর্কতা
সৌদি আরবে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশটিতে থাকা বা ভ্রমণ করতে যাওয়া মার্কিন নাগরিকদের জন্যও সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মক্কা ও সৌদি আরবের অন্যান্য এলাকায় সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে রিয়াদের সতর্কতার পর যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস নাগরিকদের সৌদি আরব ভ্রমণ ‘পুনর্বিবেচনা’ করার পরামর্শ দিয়েছে।

হুতির অস্ত্রের গুদামে বিমান হামলা







