গ্যাস সংকট: ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ

গ্যাস সংকট: ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
নরসিংদী প্রতিনিধি

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনায় এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানান কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর কারখানার গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন করা যায়। এখন প্রতিদিন সার কারখানায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
কবে নাগাদ আবার উৎপাদনে যাওয়া যাবে– এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানান কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
এদিকে পলাশের তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বরত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনায় এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানান কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর কারখানার গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন করা যায়। এখন প্রতিদিন সার কারখানায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
কবে নাগাদ আবার উৎপাদনে যাওয়া যাবে– এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানান কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
এদিকে পলাশের তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বরত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।

গ্যাস সংকট: ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ
নরসিংদী প্রতিনিধি

তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদীর পলাশে ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিকালে কারখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, বুধবার (৪ মার্চ) বিকাল থেকে সরকারি নির্দেশনায় এ কারখানার সার উৎপাদন বন্ধ করা হয় বলে জানান কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম।
কারখানা সূত্রে জানা যায়, উৎপাদন বন্ধ হওয়ার পর কারখানার গুদামে ৫ লাখ ২৫ মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। নিরবিচ্ছিন্ন উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন করা যায়। এখন প্রতিদিন সার কারখানায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
কবে নাগাদ আবার উৎপাদনে যাওয়া যাবে– এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না বলে জানান কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা।
এদিকে পলাশের তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি অফিসে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বরত ম্যানেজার আল আমিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও কোনো সাড়া মেলেনি।




