জুমার দিনের যে আমলে মাফ হয় দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ
জুমার দিনের যে আমলে মাফ হয় দুই জুমার মধ্যবর্তী গুনাহ
পবিত্র কোরআনে জুমার আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়ার এবং বেচাকেনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


জুমার দ্বিতীয় আজানের আগে চার রাকাত সুন্নত নামাজ পড়াকে ‘কাবলাল জুমা’ বলা হয়। ইসলামী শরিয়তের দ্বিতীয় উৎস হাদিস এবং সাহাবা-তাবেয়িনদের আমল ও বর্ণনায় এ সালাতের পক্ষে দলিল পাওয়া যায়।

ইসলামে নখ কাটা পরিচ্ছন্নতা বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। তবে নখ কাটার জন্য ইসলাম নির্দিষ্ট কোনো দিন নির্ধারণ করে দেয়নি। মানুষের যখন ইচ্ছা তখনই নখ কাটা শুরু করতে পারে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজেও ঋণ থেকে আশ্রয় চেয়ে নিয়মিত দোয়া করতেন। হাদিসে বর্ণিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া নিচে তুলে ধরা হলো।

সকাল ও সন্ধ্যার আমলগুলো নিয়মিত করার অভ্যাস গড়ে তুললে দিনের শুরু হয় আল্লাহর স্মরণে। নিচে হাদিসে বর্ণিত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সকাল-সন্ধ্যার আমল তুলে ধরা হলো:
পবিত্র কোরআনে জুমার আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে দ্রুত ধাবিত হওয়ার এবং বেচাকেনা বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পৃথিবীর জীবন ক্ষণস্থায়ী। চূড়ান্ত সাফল্য হলো মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও চিরসুন্দর জান্নাত লাভ করা। বিশ্বাসীরা প্রতিনিয়ত সৎ কাজ করে এবং নানা আমলের মাধ্যমে জান্নাতের পথ খোঁজে।

গুনাহ শব্দটির অর্থ পাপ বা অন্যায়। মহান রাব্বুল আলামিনের নির্দেশের পরিপন্থী সব কাজই গুনাহ হিসেবে বিবেচিত হয়। গুনাহ মূলত ২ ধরনের হয়ে থাকে– ‘সগিরা’ গুনাহ ও ‘কবিরা’ গুনাহ।

বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু উমারাহ বারা ইবনু আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদেরকে সাতটি কাজ করার আদেশ এবং সাতটি কাজ করতে নিষেধ করেছেন।

ফরজ নামাজের পর বেশ কিছু আমল করা জরুরি। এই আমলগুলোর মাধ্যমে সওয়াব অর্জন হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো আয়াতুল কুরসি পাঠ। ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।
