হজের টাকা জমিয়েছেন, বিয়ে নাকি হজ—আগে কোনটি করবেন?

হজের টাকা জমিয়েছেন, বিয়ে নাকি হজ—আগে কোনটি করবেন?
ধর্ম ডেস্ক

বিয়ের জন্য উপযুক্ত সময় এসেছে, অন্যদিকে হজে যাওয়ার মতো টাকাও জমেছে। কিন্তু সঞ্চিত অর্থ দিয়ে হজ পালন করলে বিয়ের খরচ মেটানো সম্ভব হবে না। আবার বিয়ে করলে আপাতত হজে যাওয়া হবে না। এমন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিমের করণীয় কী? ইসলামী শরিয়তে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।
হজ ইসলামের অন্যতম ফরজ বিধান। আর বিয়েও ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। তবে ব্যক্তির অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য এবং গুনাহে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার ওপর নির্ভর করে বিয়ের বিধান পরিবর্তিত হতে পারে। স্বাভাবিক অবস্থায় বিয়ে সুন্নত হলেও অবিবাহিত থাকার কারণে হারামে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল হলে বিয়ে করা ওয়াজিব হতে পারে।
পবিত্র কোরআনে হজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯৭)
হজ পালনের ফজিলত সম্পর্কে এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করে এবং অশ্লীল ও গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকে, সে নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। আর মকবুল হজের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুই নয়।’ (বুখারি, হাদিস: ২০৬)
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, কারও কাছে হজে যাওয়ার মতো অর্থ না থাকলেও স্থাবর সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রি করে হজে যাওয়া সম্ভব হয় এবং হজ থেকে ফিরে অবশিষ্ট সম্পত্তি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা যায়, তাহলে তার ওপর হজ ফরজ হতে পারে।
হজের টাকা দিয়ে বিয়ে করলে কি হজ ফরজ থাকবে?
এ বিষয়ে ইসলামী ফেকাহবিদদের মতামত জানতে চেয়ে একজন প্রশ্ন করেছেন, ‘আমার কাছে হজে যাওয়ার মতো টাকা আছে। কিন্তু আমার এখন বিয়ে করার প্রয়োজন। এ টাকা দিয়ে হজ করলে বিয়ের খরচের জন্য টাকা থাকবে না। আর বিয়ে করলে হজ করা যাবে না। এখন এক্ষেত্রে আমার জন্য হজ করা কি জরুরি?’
এর উত্তরে ফতোয়ার গ্রন্থ ফাতাওয়া হিন্দিয়ার আলোকে বলা হয়েছে, হজের প্রস্তুতি গ্রহণ ও অর্থ জমা দেওয়ার নির্ধারিত শেষ সময়ের আগেই যদি কেউ বিয়ে করে ফেলেন এবং বিয়ের খরচে তার সঞ্চিত অর্থ ব্যয় হয়ে যায়, তাহলে ওই অর্থের ভিত্তিতে তার ওপর হজ ফরজ হবে না।
তবে হজের প্রস্তুতি গ্রহণের শেষ সময় পর্যন্ত যদি ওই অর্থ অব্যয়িত থাকে এবং হজ পালনের অন্যান্য শর্ত পূরণ হয়, তাহলে সেই অর্থের কারণে তার ওপর হজ ফরজ হয়ে যাবে।
অর্থাৎ, হজের জন্য অর্থ জমা হয়েছে বলেই সব পরিস্থিতিতে বিয়ের প্রয়োজন উপেক্ষা করতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। আবার বিয়ের প্রয়োজনের কথা বলে হজের ফরজ দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও নেই। ব্যক্তির বাস্তব অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য ও হজ ফরজ হওয়ার শর্ত বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সূত্র: ফাতাওয়া হিন্দিয়া
/এবি/

বিয়ের জন্য উপযুক্ত সময় এসেছে, অন্যদিকে হজে যাওয়ার মতো টাকাও জমেছে। কিন্তু সঞ্চিত অর্থ দিয়ে হজ পালন করলে বিয়ের খরচ মেটানো সম্ভব হবে না। আবার বিয়ে করলে আপাতত হজে যাওয়া হবে না। এমন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিমের করণীয় কী? ইসলামী শরিয়তে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।
হজ ইসলামের অন্যতম ফরজ বিধান। আর বিয়েও ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। তবে ব্যক্তির অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য এবং গুনাহে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার ওপর নির্ভর করে বিয়ের বিধান পরিবর্তিত হতে পারে। স্বাভাবিক অবস্থায় বিয়ে সুন্নত হলেও অবিবাহিত থাকার কারণে হারামে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল হলে বিয়ে করা ওয়াজিব হতে পারে।
পবিত্র কোরআনে হজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯৭)
হজ পালনের ফজিলত সম্পর্কে এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করে এবং অশ্লীল ও গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকে, সে নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। আর মকবুল হজের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুই নয়।’ (বুখারি, হাদিস: ২০৬)
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, কারও কাছে হজে যাওয়ার মতো অর্থ না থাকলেও স্থাবর সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রি করে হজে যাওয়া সম্ভব হয় এবং হজ থেকে ফিরে অবশিষ্ট সম্পত্তি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা যায়, তাহলে তার ওপর হজ ফরজ হতে পারে।
হজের টাকা দিয়ে বিয়ে করলে কি হজ ফরজ থাকবে?
এ বিষয়ে ইসলামী ফেকাহবিদদের মতামত জানতে চেয়ে একজন প্রশ্ন করেছেন, ‘আমার কাছে হজে যাওয়ার মতো টাকা আছে। কিন্তু আমার এখন বিয়ে করার প্রয়োজন। এ টাকা দিয়ে হজ করলে বিয়ের খরচের জন্য টাকা থাকবে না। আর বিয়ে করলে হজ করা যাবে না। এখন এক্ষেত্রে আমার জন্য হজ করা কি জরুরি?’
এর উত্তরে ফতোয়ার গ্রন্থ ফাতাওয়া হিন্দিয়ার আলোকে বলা হয়েছে, হজের প্রস্তুতি গ্রহণ ও অর্থ জমা দেওয়ার নির্ধারিত শেষ সময়ের আগেই যদি কেউ বিয়ে করে ফেলেন এবং বিয়ের খরচে তার সঞ্চিত অর্থ ব্যয় হয়ে যায়, তাহলে ওই অর্থের ভিত্তিতে তার ওপর হজ ফরজ হবে না।
তবে হজের প্রস্তুতি গ্রহণের শেষ সময় পর্যন্ত যদি ওই অর্থ অব্যয়িত থাকে এবং হজ পালনের অন্যান্য শর্ত পূরণ হয়, তাহলে সেই অর্থের কারণে তার ওপর হজ ফরজ হয়ে যাবে।
অর্থাৎ, হজের জন্য অর্থ জমা হয়েছে বলেই সব পরিস্থিতিতে বিয়ের প্রয়োজন উপেক্ষা করতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। আবার বিয়ের প্রয়োজনের কথা বলে হজের ফরজ দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও নেই। ব্যক্তির বাস্তব অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য ও হজ ফরজ হওয়ার শর্ত বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সূত্র: ফাতাওয়া হিন্দিয়া
/এবি/

হজের টাকা জমিয়েছেন, বিয়ে নাকি হজ—আগে কোনটি করবেন?
ধর্ম ডেস্ক

বিয়ের জন্য উপযুক্ত সময় এসেছে, অন্যদিকে হজে যাওয়ার মতো টাকাও জমেছে। কিন্তু সঞ্চিত অর্থ দিয়ে হজ পালন করলে বিয়ের খরচ মেটানো সম্ভব হবে না। আবার বিয়ে করলে আপাতত হজে যাওয়া হবে না। এমন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিমের করণীয় কী? ইসলামী শরিয়তে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।
হজ ইসলামের অন্যতম ফরজ বিধান। আর বিয়েও ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত। তবে ব্যক্তির অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য এবং গুনাহে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কার ওপর নির্ভর করে বিয়ের বিধান পরিবর্তিত হতে পারে। স্বাভাবিক অবস্থায় বিয়ে সুন্নত হলেও অবিবাহিত থাকার কারণে হারামে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা প্রবল হলে বিয়ে করা ওয়াজিব হতে পারে।
পবিত্র কোরআনে হজের গুরুত্ব তুলে ধরে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক সামর্থ্যবান মানুষের ওপর আল্লাহর জন্য বায়তুল্লাহর হজ করা ফরজ।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯৭)
হজ পালনের ফজিলত সম্পর্কে এক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হজ করে এবং অশ্লীল ও গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে থাকে, সে নবজাতক শিশুর মতো নিষ্পাপ হয়ে যায়। আর মকবুল হজের পুরস্কার জান্নাত ছাড়া অন্য কিছুই নয়।’ (বুখারি, হাদিস: ২০৬)
ইসলামী বিধান অনুযায়ী, কারও কাছে হজে যাওয়ার মতো অর্থ না থাকলেও স্থাবর সম্পত্তির কিছু অংশ বিক্রি করে হজে যাওয়া সম্ভব হয় এবং হজ থেকে ফিরে অবশিষ্ট সম্পত্তি দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা যায়, তাহলে তার ওপর হজ ফরজ হতে পারে।
হজের টাকা দিয়ে বিয়ে করলে কি হজ ফরজ থাকবে?
এ বিষয়ে ইসলামী ফেকাহবিদদের মতামত জানতে চেয়ে একজন প্রশ্ন করেছেন, ‘আমার কাছে হজে যাওয়ার মতো টাকা আছে। কিন্তু আমার এখন বিয়ে করার প্রয়োজন। এ টাকা দিয়ে হজ করলে বিয়ের খরচের জন্য টাকা থাকবে না। আর বিয়ে করলে হজ করা যাবে না। এখন এক্ষেত্রে আমার জন্য হজ করা কি জরুরি?’
এর উত্তরে ফতোয়ার গ্রন্থ ফাতাওয়া হিন্দিয়ার আলোকে বলা হয়েছে, হজের প্রস্তুতি গ্রহণ ও অর্থ জমা দেওয়ার নির্ধারিত শেষ সময়ের আগেই যদি কেউ বিয়ে করে ফেলেন এবং বিয়ের খরচে তার সঞ্চিত অর্থ ব্যয় হয়ে যায়, তাহলে ওই অর্থের ভিত্তিতে তার ওপর হজ ফরজ হবে না।
তবে হজের প্রস্তুতি গ্রহণের শেষ সময় পর্যন্ত যদি ওই অর্থ অব্যয়িত থাকে এবং হজ পালনের অন্যান্য শর্ত পূরণ হয়, তাহলে সেই অর্থের কারণে তার ওপর হজ ফরজ হয়ে যাবে।
অর্থাৎ, হজের জন্য অর্থ জমা হয়েছে বলেই সব পরিস্থিতিতে বিয়ের প্রয়োজন উপেক্ষা করতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। আবার বিয়ের প্রয়োজনের কথা বলে হজের ফরজ দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগও নেই। ব্যক্তির বাস্তব অবস্থা, আর্থিক সামর্থ্য ও হজ ফরজ হওয়ার শর্ত বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সূত্র: ফাতাওয়া হিন্দিয়া
/এবি/









