দারিদ্র্য ও অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে যে দোয়া শিখিয়েছেন বিশ্বনবী (সা.)

দারিদ্র্য ও অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে যে দোয়া শিখিয়েছেন বিশ্বনবী (সা.)
ধর্ম ডেস্ক

দারিদ্র্য ও অসুস্থতা মানুষের জীবনের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা। জাগতিক নানা সংকট, অভাব-অনটন কিংবা শারীরিক অসুস্থতা যখন চারদিক থেকে ঘিরে ধরে, তখন মুমিনের একমাত্র আশ্রয়স্থল হলো মহান আল্লাহর দরবার। বিপদ-আপদ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মতকে একটি অত্যন্ত বরকতময় দোয়া শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে সব ধরনের কষ্ট ও দরিদ্রতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে হাঁটছিলাম। এমন সময় আনসারদের এক ব্যক্তি তাঁর সামনে এলেন। লোকটির পোশাক ও অবস্থা ছিল জীর্ণ-শীর্ণ এবং তিনি অসুস্থতাতেও ভুগছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে অমুক, কী কারণে তোমার এমন অবস্থা হয়েছে?’
লোকটি বললেন, ‘দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে।’ তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব, যা বললে তোমার দারিদ্র্য ও অসুস্থতা দূর হয়ে যাবে?’
লোকটি বললেন, ‘আপনার সঙ্গে বদর ও উহুদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার বিনিময়েও আমি তা পেতে চাই না।’
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি তখন বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমাকে সেই বাক্যগুলো শিখিয়ে দিন।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘তুমি (এই দোয়াটি) বলো—’
আরবি দোয়া
تَوَكَّلْتُ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذْ وَلَدًا وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكٌ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا
বাংলা উচ্চারণ
তাওয়াক্কালতু আলাল হাইয়্যিল্লাযি লা ইয়ামূতু, ওয়ালহামদু লিল্লাহিল্লাযি লাম ইয়াত্তাখিয ওয়ালাদাওঁ, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু শারীকুন ফিল মুলকি, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু ওয়ালিয়্যুম মিনায যুল্লি, ওয়া কাব্বিরহু তাকবীরা।
অর্থ
আমি এমন চিরঞ্জীব সত্তার ওপর ভরসা করলাম, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করেন না। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো অংশীদার নেই এবং দুর্বলতা থেকে রক্ষার জন্য তাঁর কোনো অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। আর তুমি তাঁর বড়ত্ব যথাযথভাবে ঘোষণা করো।
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, কয়েক দিন পর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে আমার দেখা হলো। তিনি আমার অবস্থা ভালো দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আবু হুরায়রা, তোমার এই সুন্দর অবস্থার কারণ কী?’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমাকে যে বাক্যগুলো শিখিয়েছেন, তা শেখার পর থেকে আমি নিয়মিত বলে আসছি।’ (তাবারানি, হাদিস নং : ১০৪৫)
আরেক হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন,
ما كَرَبَني أمرٌ إلَّا تمثَّل لي جبريلُ فقال يا محمَّدُ قُلْ توكَّلتُ على الحيِّ الَّذي لا يموتُ والحمدُ للهِ الَّذي لم يتَّخِذْ ولدًا ولم يكُنْ له شريكٌ في الملكِ ولم يكُنْ له وليٌّ من الذُّلِّ وكبِّرْه تكبيرًا
‘যখনই কোনো বিষয়ে আমি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছি, তখনই জিবরাইল আমার সামনে উপস্থিত হয়ে বলেছেন, হে মুহাম্মদ! আপনি বলুন, ‘আমি এমন চিরঞ্জীব সত্তার ওপর ভরসা করলাম, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করেন না। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো অংশীদার নেই এবং দুর্বলতা থেকে রক্ষার জন্য তাঁর কোনো অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। আর তাঁর বড়ত্ব যথাযথভাবে ঘোষণা করুন।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব, হাদিস নং : ৫৯)
হাদিসের শিক্ষা
এই বর্ণনায় আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা, তাঁর একত্ববাদের প্রশংসা করা এবং তাঁর বড়ত্ব ও মহত্ত্ব ঘোষণা করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বিপদ-আপদ, রোগব্যাধি ও অভাব-অনটনের সময় সব কিছু থেকে নিরাসক্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা এবং একমাত্র তাঁর ওপর ভরসা রাখাই একজন মুমিনের প্রধান শিক্ষা।
/এবি/

দারিদ্র্য ও অসুস্থতা মানুষের জীবনের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা। জাগতিক নানা সংকট, অভাব-অনটন কিংবা শারীরিক অসুস্থতা যখন চারদিক থেকে ঘিরে ধরে, তখন মুমিনের একমাত্র আশ্রয়স্থল হলো মহান আল্লাহর দরবার। বিপদ-আপদ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মতকে একটি অত্যন্ত বরকতময় দোয়া শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে সব ধরনের কষ্ট ও দরিদ্রতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে হাঁটছিলাম। এমন সময় আনসারদের এক ব্যক্তি তাঁর সামনে এলেন। লোকটির পোশাক ও অবস্থা ছিল জীর্ণ-শীর্ণ এবং তিনি অসুস্থতাতেও ভুগছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে অমুক, কী কারণে তোমার এমন অবস্থা হয়েছে?’
লোকটি বললেন, ‘দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে।’ তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব, যা বললে তোমার দারিদ্র্য ও অসুস্থতা দূর হয়ে যাবে?’
লোকটি বললেন, ‘আপনার সঙ্গে বদর ও উহুদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার বিনিময়েও আমি তা পেতে চাই না।’
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি তখন বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমাকে সেই বাক্যগুলো শিখিয়ে দিন।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘তুমি (এই দোয়াটি) বলো—’
আরবি দোয়া
تَوَكَّلْتُ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذْ وَلَدًا وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكٌ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا
বাংলা উচ্চারণ
তাওয়াক্কালতু আলাল হাইয়্যিল্লাযি লা ইয়ামূতু, ওয়ালহামদু লিল্লাহিল্লাযি লাম ইয়াত্তাখিয ওয়ালাদাওঁ, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু শারীকুন ফিল মুলকি, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু ওয়ালিয়্যুম মিনায যুল্লি, ওয়া কাব্বিরহু তাকবীরা।
অর্থ
আমি এমন চিরঞ্জীব সত্তার ওপর ভরসা করলাম, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করেন না। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো অংশীদার নেই এবং দুর্বলতা থেকে রক্ষার জন্য তাঁর কোনো অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। আর তুমি তাঁর বড়ত্ব যথাযথভাবে ঘোষণা করো।
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, কয়েক দিন পর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে আমার দেখা হলো। তিনি আমার অবস্থা ভালো দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আবু হুরায়রা, তোমার এই সুন্দর অবস্থার কারণ কী?’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমাকে যে বাক্যগুলো শিখিয়েছেন, তা শেখার পর থেকে আমি নিয়মিত বলে আসছি।’ (তাবারানি, হাদিস নং : ১০৪৫)
আরেক হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন,
ما كَرَبَني أمرٌ إلَّا تمثَّل لي جبريلُ فقال يا محمَّدُ قُلْ توكَّلتُ على الحيِّ الَّذي لا يموتُ والحمدُ للهِ الَّذي لم يتَّخِذْ ولدًا ولم يكُنْ له شريكٌ في الملكِ ولم يكُنْ له وليٌّ من الذُّلِّ وكبِّرْه تكبيرًا
‘যখনই কোনো বিষয়ে আমি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছি, তখনই জিবরাইল আমার সামনে উপস্থিত হয়ে বলেছেন, হে মুহাম্মদ! আপনি বলুন, ‘আমি এমন চিরঞ্জীব সত্তার ওপর ভরসা করলাম, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করেন না। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো অংশীদার নেই এবং দুর্বলতা থেকে রক্ষার জন্য তাঁর কোনো অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। আর তাঁর বড়ত্ব যথাযথভাবে ঘোষণা করুন।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব, হাদিস নং : ৫৯)
হাদিসের শিক্ষা
এই বর্ণনায় আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা, তাঁর একত্ববাদের প্রশংসা করা এবং তাঁর বড়ত্ব ও মহত্ত্ব ঘোষণা করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বিপদ-আপদ, রোগব্যাধি ও অভাব-অনটনের সময় সব কিছু থেকে নিরাসক্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা এবং একমাত্র তাঁর ওপর ভরসা রাখাই একজন মুমিনের প্রধান শিক্ষা।
/এবি/

দারিদ্র্য ও অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেতে যে দোয়া শিখিয়েছেন বিশ্বনবী (সা.)
ধর্ম ডেস্ক

দারিদ্র্য ও অসুস্থতা মানুষের জীবনের অন্যতম কঠিন পরীক্ষা। জাগতিক নানা সংকট, অভাব-অনটন কিংবা শারীরিক অসুস্থতা যখন চারদিক থেকে ঘিরে ধরে, তখন মুমিনের একমাত্র আশ্রয়স্থল হলো মহান আল্লাহর দরবার। বিপদ-আপদ ও দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তির জন্য বিশ্বনবি হজরত মুহাম্মদ (সা.) উম্মতকে একটি অত্যন্ত বরকতময় দোয়া শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে সব ধরনের কষ্ট ও দরিদ্রতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদিন আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে হাঁটছিলাম। এমন সময় আনসারদের এক ব্যক্তি তাঁর সামনে এলেন। লোকটির পোশাক ও অবস্থা ছিল জীর্ণ-শীর্ণ এবং তিনি অসুস্থতাতেও ভুগছিলেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে অমুক, কী কারণে তোমার এমন অবস্থা হয়েছে?’
লোকটি বললেন, ‘দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে।’ তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘আমি কি তোমাকে এমন কিছু বাক্য শিখিয়ে দেব, যা বললে তোমার দারিদ্র্য ও অসুস্থতা দূর হয়ে যাবে?’
লোকটি বললেন, ‘আপনার সঙ্গে বদর ও উহুদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার বিনিময়েও আমি তা পেতে চাই না।’
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আমি তখন বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমাকে সেই বাক্যগুলো শিখিয়ে দিন।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘তুমি (এই দোয়াটি) বলো—’
আরবি দোয়া
تَوَكَّلْتُ عَلَى الْحَيِّ الَّذِي لَا يَمُوتُ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي لَمْ يَتَّخِذْ وَلَدًا وَلَمْ يَكُنْ لَهُ شَرِيكٌ فِي الْمُلْكِ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ وَلِيٌّ مِنَ الذُّلِّ وَكَبِّرْهُ تَكْبِيرًا
বাংলা উচ্চারণ
তাওয়াক্কালতু আলাল হাইয়্যিল্লাযি লা ইয়ামূতু, ওয়ালহামদু লিল্লাহিল্লাযি লাম ইয়াত্তাখিয ওয়ালাদাওঁ, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু শারীকুন ফিল মুলকি, ওয়া লাম ইয়াকুন লাহু ওয়ালিয়্যুম মিনায যুল্লি, ওয়া কাব্বিরহু তাকবীরা।
অর্থ
আমি এমন চিরঞ্জীব সত্তার ওপর ভরসা করলাম, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করেন না। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো অংশীদার নেই এবং দুর্বলতা থেকে রক্ষার জন্য তাঁর কোনো অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। আর তুমি তাঁর বড়ত্ব যথাযথভাবে ঘোষণা করো।
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, কয়েক দিন পর রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সঙ্গে আমার দেখা হলো। তিনি আমার অবস্থা ভালো দেখে জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আবু হুরায়রা, তোমার এই সুন্দর অবস্থার কারণ কী?’ আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমাকে যে বাক্যগুলো শিখিয়েছেন, তা শেখার পর থেকে আমি নিয়মিত বলে আসছি।’ (তাবারানি, হাদিস নং : ১০৪৫)
আরেক হাদিসে এসেছে, হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেছেন,
ما كَرَبَني أمرٌ إلَّا تمثَّل لي جبريلُ فقال يا محمَّدُ قُلْ توكَّلتُ على الحيِّ الَّذي لا يموتُ والحمدُ للهِ الَّذي لم يتَّخِذْ ولدًا ولم يكُنْ له شريكٌ في الملكِ ولم يكُنْ له وليٌّ من الذُّلِّ وكبِّرْه تكبيرًا
‘যখনই কোনো বিষয়ে আমি দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছি, তখনই জিবরাইল আমার সামনে উপস্থিত হয়ে বলেছেন, হে মুহাম্মদ! আপনি বলুন, ‘আমি এমন চিরঞ্জীব সত্তার ওপর ভরসা করলাম, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করেন না। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি কোনো সন্তান গ্রহণ করেননি, রাজত্বে তাঁর কোনো অংশীদার নেই এবং দুর্বলতা থেকে রক্ষার জন্য তাঁর কোনো অভিভাবকের প্রয়োজন নেই। আর তাঁর বড়ত্ব যথাযথভাবে ঘোষণা করুন।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব, হাদিস নং : ৫৯)
হাদিসের শিক্ষা
এই বর্ণনায় আল্লাহর ওপর পূর্ণ নির্ভরতা, তাঁর একত্ববাদের প্রশংসা করা এবং তাঁর বড়ত্ব ও মহত্ত্ব ঘোষণা করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। বিপদ-আপদ, রোগব্যাধি ও অভাব-অনটনের সময় সব কিছু থেকে নিরাসক্ত হয়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করা এবং একমাত্র তাঁর ওপর ভরসা রাখাই একজন মুমিনের প্রধান শিক্ষা।
/এবি/









